
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ জয়ের পর প্রত্যাশা ছিল সেই ধারাই ধরে রাখবে ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই হোঁচট খেল টমাস টুখেলের দল। ঘানার শক্ত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংলিশদের।
ম্যাচের আগে অধিনায়ক হ্যারি কেন সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, আগের তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর ইতিহাস রয়েছে ইংল্যান্ডের। এবার সেই ভুল না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যপট বদলাতে পারেনি।
ম্যাচ জুড়ে বলের দখল ছিল ইংল্যান্ডের কাছেই। তবে ঘানার ঘন রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ ছিল ধীরগতির ও পরিকল্পনাহীন। প্রতিপক্ষ কোচ কার্লোস কিয়েরোজ দলকে অত্যন্ত রক্ষণাত্মক ৪-৫-১ ছকে সাজান, যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডকে গোলের সুযোগ তৈরি করতে না দেওয়া।
প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের একাধিক আক্রমণ প্রতিশ্রুতি জাগালেও শেষ পর্যন্ত কোনো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি হয়নি। ডান প্রান্তে ননি মাদুয়েকে কয়েকবার এগোলেও ঘানার রক্ষণ সহজেই তাকে আটকে দেয়। অন্যদিকে পুরো প্রথমার্ধে আক্রমণে ওঠার চেষ্টাই প্রায় করেনি ঘানা।
বিরতির পরও একই চিত্র। ইংল্যান্ডের পাসিংয়ে গতি ও সৃজনশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট। ম্যাচের শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড়দের নামিয়ে আক্রমণে নতুন মাত্রা আনার চেষ্টা করেন টুখেল। বুকায়ো সাকার নিচু শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। এরপর রিস জেমসের ক্রস থেকে নিকো ও’রাইলির হেড ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে হ্যারি কেনের সামনে গোলের সুবর্ণ সুযোগ এলেও তিনি উঁচু শটে সেটি নষ্ট করেন। যোগ করা সময়ে মার্ক গেহির হেডও গোললাইন থেকেই ফিরিয়ে দেয় ঘানার রক্ষণ।
তবে ইংল্যান্ডও একবার বিপদের মুখে পড়েছিল। ৭৯তম মিনিটে ঘানার বদলি স্ট্রাইকার প্রিন্স কোয়াবেনা আদুকে বক্সের ভেতর চ্যালেঞ্জ করেন এজরি কনসা। ঘানার খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির জোরালো দাবি তুললেও রেফারি খেলতে দেন এবং ভিএআরও সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছে ঘানা। তবু রক্ষণে অসাধারণ শৃঙ্খলা ও নিবেদন দেখিয়ে তারা মূল্যবান এক পয়েন্ট আদায় করে নেয়। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এই ড্র আবারও প্রমাণ করল, রক্ষণাত্মক দলের বিপক্ষে সুযোগ তৈরি ও ম্যাচ জেতার পুরোনো সমস্যার সমাধান এখনো খুঁজে পায়নি টুখেলের দল।
ড্র করলেও ৪ পয়েন্ট নিয়ে 'এল' গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড। সমান পয়েন্ট পেয়ে গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে ঘানা। পানামার বিপক্ষে জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ক্রোয়েশিয়া। পানামা দুই ম্যাচ থেকে কোনো পয়েন্ট পায়নি।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ জয়ের পর প্রত্যাশা ছিল সেই ধারাই ধরে রাখবে ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই হোঁচট খেল টমাস টুখেলের দল। ঘানার শক্ত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংলিশদের।
ম্যাচের আগে অধিনায়ক হ্যারি কেন সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, আগের তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর ইতিহাস রয়েছে ইংল্যান্ডের। এবার সেই ভুল না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যপট বদলাতে পারেনি।
ম্যাচ জুড়ে বলের দখল ছিল ইংল্যান্ডের কাছেই। তবে ঘানার ঘন রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ ছিল ধীরগতির ও পরিকল্পনাহীন। প্রতিপক্ষ কোচ কার্লোস কিয়েরোজ দলকে অত্যন্ত রক্ষণাত্মক ৪-৫-১ ছকে সাজান, যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডকে গোলের সুযোগ তৈরি করতে না দেওয়া।
প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের একাধিক আক্রমণ প্রতিশ্রুতি জাগালেও শেষ পর্যন্ত কোনো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি হয়নি। ডান প্রান্তে ননি মাদুয়েকে কয়েকবার এগোলেও ঘানার রক্ষণ সহজেই তাকে আটকে দেয়। অন্যদিকে পুরো প্রথমার্ধে আক্রমণে ওঠার চেষ্টাই প্রায় করেনি ঘানা।
বিরতির পরও একই চিত্র। ইংল্যান্ডের পাসিংয়ে গতি ও সৃজনশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট। ম্যাচের শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড়দের নামিয়ে আক্রমণে নতুন মাত্রা আনার চেষ্টা করেন টুখেল। বুকায়ো সাকার নিচু শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। এরপর রিস জেমসের ক্রস থেকে নিকো ও’রাইলির হেড ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে হ্যারি কেনের সামনে গোলের সুবর্ণ সুযোগ এলেও তিনি উঁচু শটে সেটি নষ্ট করেন। যোগ করা সময়ে মার্ক গেহির হেডও গোললাইন থেকেই ফিরিয়ে দেয় ঘানার রক্ষণ।
তবে ইংল্যান্ডও একবার বিপদের মুখে পড়েছিল। ৭৯তম মিনিটে ঘানার বদলি স্ট্রাইকার প্রিন্স কোয়াবেনা আদুকে বক্সের ভেতর চ্যালেঞ্জ করেন এজরি কনসা। ঘানার খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির জোরালো দাবি তুললেও রেফারি খেলতে দেন এবং ভিএআরও সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছে ঘানা। তবু রক্ষণে অসাধারণ শৃঙ্খলা ও নিবেদন দেখিয়ে তারা মূল্যবান এক পয়েন্ট আদায় করে নেয়। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এই ড্র আবারও প্রমাণ করল, রক্ষণাত্মক দলের বিপক্ষে সুযোগ তৈরি ও ম্যাচ জেতার পুরোনো সমস্যার সমাধান এখনো খুঁজে পায়নি টুখেলের দল।
ড্র করলেও ৪ পয়েন্ট নিয়ে 'এল' গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড। সমান পয়েন্ট পেয়ে গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে ঘানা। পানামার বিপক্ষে জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ক্রোয়েশিয়া। পানামা দুই ম্যাচ থেকে কোনো পয়েন্ট পায়নি।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
৩ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে