
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের মঞ্চে দুজনের একজনের বিদায় ছিল অবশ্যম্ভাবী। শেষ পর্যন্ত হাসি ফুটেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মুখে, আর লুকা মদরিচের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে অশ্রুতে। টরন্টোতে শেষ বত্রিশের ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলা রোনালদো ও মদরিচ এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হন। ম্যাচ শেষে সাবেক সতীর্থকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো বলেন, “হ্যাঁ, আমি তাকে বিদায় বলেছি। সে ফুটবলের একজন কিংবদন্তি। এখনও তাই আছে।”
৪১ বছর বয়সী রোনালদো ও ৪০ বছর বয়সী মদরিচ ক্লাব ও ব্যক্তিগত সাফল্যে সমানভাবে উজ্জ্বল। রোনালদো পাঁচবার এবং মদরিচ একবার জিতেছেন ব্যালন ডি'অর। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলের পাশাপাশি ব্যালন ডি'অরও জিতেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার।
আট বছর আগে বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে শিরোপার খুব কাছ থেকে ফিরতে হয়েছিল মদরিচকে। এবারও স্মরণীয় বিদায়ের আশা ছিল তার। কিন্তু পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে শেষ বত্রিশেই থেমে গেল সেই স্বপ্ন।
ম্যাচ শেষে মদরিচকে নিয়ে রোনালদো আরও বলেন, “আমাদের বয়সও প্রায় একই। আমি তার চেয়ে মাত্র এক বছরের বড়। ফুটবলের জন্য সে যা করেছে এবং এখনও করে চলেছে, তার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।”
কদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেন মদরিচ। রোনালদো, লিওনেল মেসি ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন তিনি। পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে তার ২০২তম। জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ২৯ গোল, করিয়েছেন আরও ৩২টি।
তবে পরিসংখ্যানের বাইরেও মাঝমাঠে খেলা নিয়ন্ত্রণের অসাধারণ দক্ষতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ‘মিডফিল্ড জেনারেল’ হিসেবে পরিচিত মদরিচ। কিন্তু বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শেষ বাঁশি বাজার পর সেই কিংবদন্তিকেও দেখা গেল চোখের জল লুকাতে না পেরে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে শিরোপার আক্ষেপ নিয়েই শেষ হলো তার বিশ্বকাপ অধ্যায়।

বিশ্বকাপের মঞ্চে দুজনের একজনের বিদায় ছিল অবশ্যম্ভাবী। শেষ পর্যন্ত হাসি ফুটেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মুখে, আর লুকা মদরিচের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে অশ্রুতে। টরন্টোতে শেষ বত্রিশের ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলা রোনালদো ও মদরিচ এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হন। ম্যাচ শেষে সাবেক সতীর্থকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো বলেন, “হ্যাঁ, আমি তাকে বিদায় বলেছি। সে ফুটবলের একজন কিংবদন্তি। এখনও তাই আছে।”
৪১ বছর বয়সী রোনালদো ও ৪০ বছর বয়সী মদরিচ ক্লাব ও ব্যক্তিগত সাফল্যে সমানভাবে উজ্জ্বল। রোনালদো পাঁচবার এবং মদরিচ একবার জিতেছেন ব্যালন ডি'অর। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলের পাশাপাশি ব্যালন ডি'অরও জিতেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার।
আট বছর আগে বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে শিরোপার খুব কাছ থেকে ফিরতে হয়েছিল মদরিচকে। এবারও স্মরণীয় বিদায়ের আশা ছিল তার। কিন্তু পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে শেষ বত্রিশেই থেমে গেল সেই স্বপ্ন।
ম্যাচ শেষে মদরিচকে নিয়ে রোনালদো আরও বলেন, “আমাদের বয়সও প্রায় একই। আমি তার চেয়ে মাত্র এক বছরের বড়। ফুটবলের জন্য সে যা করেছে এবং এখনও করে চলেছে, তার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।”
কদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেন মদরিচ। রোনালদো, লিওনেল মেসি ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন তিনি। পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে তার ২০২তম। জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ২৯ গোল, করিয়েছেন আরও ৩২টি।
তবে পরিসংখ্যানের বাইরেও মাঝমাঠে খেলা নিয়ন্ত্রণের অসাধারণ দক্ষতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ‘মিডফিল্ড জেনারেল’ হিসেবে পরিচিত মদরিচ। কিন্তু বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শেষ বাঁশি বাজার পর সেই কিংবদন্তিকেও দেখা গেল চোখের জল লুকাতে না পেরে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে শিরোপার আক্ষেপ নিয়েই শেষ হলো তার বিশ্বকাপ অধ্যায়।

স্কালোনি বলেন, ‘এখনই শুরু আসল লড়াই। কেপ ভার্দে নকআউটে উঠেছে দেখে আমি অবাক হইনি। তারা প্রতিটি প্রতিপক্ষের জীবন কঠিন করে তুলেছে। তারা খুবই কঠিন দল এবং আমাদের জন্যও ম্যাচটা সহজ হবে না।’
২১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোল বাতিল হলে কিছুটা হতাশ হতে হয় স্বাগতিক সমর্থকদের। তবে সেই ধাক্কা সামলে আক্রমণের ধার বাড়ায় তারা। অবশেষে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগ
১ দিন আগে
৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর স্বপ্নে সমর্থকদের রাঙিয়ে রেখেছিল দলটি। সেখান থেকে রোমেলু লুকাকু আর ইয়োরি টিলেম্যান্সের তিন মিনিটের ম্যাজিকে ভর করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ‘বিতর্কিত’ এক পেনাল্টিতে সেনেগালকে কাঁদিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে
১ দিন আগে
শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে জ্বলে উঠলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাকে সময়ের অন্যতম সেরা ফিনিশার বলা হয়। ৭৫ মিনিটে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ‘লাইফলাইন’ এনে দিলেন ইংল্যান্ডকে। ৮৬ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে দারুণ শারীরিক ভারসাম্য রেখে দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে দলকে এনে দিল
২ দিন আগে