
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই বন্দরের বহির্নোঙরে কুয়েতের একটি তেলবোঝাই জাহাজে গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ) ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় জাহাজটিতে আগুন লেগে এর মূল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা (কেইউএনএ) ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে ‘আল-সালমি’ নামের কুয়েতি জাহাজটি দুবাই বন্দরের নোঙর এলাকায় অবস্থানকালে হামলার শিকার হয়। ড্রোনের আঘাতে জাহাজের গায়ে আগুন ধরে যায়। পরে দুবাইয়ের নৌ-অগ্নিনির্বাপক দল কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আজ মঙ্গলবার ভোরে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, হামলায় জাহাজটির কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে এবং আশপাশের সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের লিকেজের তথ্য পাওয়া যায়নি। দুবাই কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ২৪ জন ক্রু সদস্যকে নিরাপদ রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, হামলার শিকার জাহাজটি কুয়েত ও সৌদি আরব থেকে তেল নিয়ে চীনের চিংদাও বন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। এটিতে থাকা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের বর্তমান বাজারমূল্য ২০ কোটি ডলারেরও বেশি। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে যায়।
তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার সহযোগীদের জানিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলেও তিনি যুদ্ধ শেষ করতে আগ্রহী এবং সামরিক পদক্ষেপ এ মুহূর্তে তার কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টা পরই কুয়েতের তেলবোঝাই জাহাজে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তেলের খনিগুলো ধ্বংস করে দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক এই হামলাকে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই বন্দরের বহির্নোঙরে কুয়েতের একটি তেলবোঝাই জাহাজে গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ) ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় জাহাজটিতে আগুন লেগে এর মূল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা (কেইউএনএ) ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে ‘আল-সালমি’ নামের কুয়েতি জাহাজটি দুবাই বন্দরের নোঙর এলাকায় অবস্থানকালে হামলার শিকার হয়। ড্রোনের আঘাতে জাহাজের গায়ে আগুন ধরে যায়। পরে দুবাইয়ের নৌ-অগ্নিনির্বাপক দল কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আজ মঙ্গলবার ভোরে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, হামলায় জাহাজটির কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে এবং আশপাশের সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের লিকেজের তথ্য পাওয়া যায়নি। দুবাই কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ২৪ জন ক্রু সদস্যকে নিরাপদ রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, হামলার শিকার জাহাজটি কুয়েত ও সৌদি আরব থেকে তেল নিয়ে চীনের চিংদাও বন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। এটিতে থাকা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের বর্তমান বাজারমূল্য ২০ কোটি ডলারেরও বেশি। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে যায়।
তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার সহযোগীদের জানিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলেও তিনি যুদ্ধ শেষ করতে আগ্রহী এবং সামরিক পদক্ষেপ এ মুহূর্তে তার কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টা পরই কুয়েতের তেলবোঝাই জাহাজে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তেলের খনিগুলো ধ্বংস করে দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক এই হামলাকে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে।

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতো না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) খুবই জটিল প্রকৃতির একজন মানুষ। তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তিটিকে প্রায় ভেস্তে দিয়েছিলেন।’
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সমঝোতা নিয়ে দেশটির কট্টরপন্থি মহলে ‘জোরালো আপত্তি’ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ— চুক্তিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা নেই। এ ছ
৬ ঘণ্টা আগে
নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (নেতানিয়াহু) একজন জটিল মানুষ। সত্যি বলতে, এর (চুক্তি) জন্য আমাদের কাছে তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ, ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকত না।’
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে