
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চলমান সংঘাত অবসানে ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ একটি চাঞ্চল্যকর শান্তি প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের উচিত এখনই ‘বিজয় ঘোষণা’ করে এমন একটি চুক্তিতে আসা, যা বর্তমান যুদ্ধ থামানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কাও দূর করবে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্সে’ প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ প্রস্তাব তুলে ধরেছেন তিনি। জাভেদ জারিফ তার নিবন্ধে বলেন, ইরানের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিকে কৌশলগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে দ্রুত একটি রাজনৈতিক চুক্তির পথে এগোনো।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অনড়, সেখানে ইরানের কোনো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির প্রকাশ্যে সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানোর এটিই প্রথম ঘটনা।
জারিফের মতে, এমন একটি সমঝোতা বর্তমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইরানকে অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বেশি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পরপরই তেহরান ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়। ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত জারিফকে ইরানের ক্ষমতাকাঠামোয় তুলনামূলক মধ্যপন্থি হিসেবে দেখা হয়। যদিও বর্তমান সরকারে তার কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেই।
জারিফের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:
পারমাণবিক কর্মসূচি: ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে অঙ্গীকার করবে। ২০১৫ সালের চুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের যে মাত্রা (৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ) ঠিক করা হয়েছিল, ইরান তাদের মজুত সেই সীমার নিচে নামিয়ে আনবে।
আঞ্চলিক কেন্দ্র: চীন ও রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এ অঞ্চলে একটি অভিন্ন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। ইরান তার সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ও সরঞ্জাম সেখানে সরিয়ে নেবে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে ইরানকে সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।
হরমুজ প্রণালি: হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রকেও এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে।
অনাক্রমণ চুক্তি: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ সই করবে, যেখানে দুই দেশ ভবিষ্যতে একে অপরকে আক্রমণ না করার অঙ্গীকার করবে।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত ছাড়া জারিফ এ নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারতেন না। সংস্কারপন্থি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে নির্বাচিত করতেও বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জারিফ লেখেন, “একজন ইরানি হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেপরোয়া আগ্রাসন ও অশালীন মন্তব্যে আমি ক্ষুব্ধ, তবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও সহনশীল জনগণের জন্য গর্বিত। তবুও ফরেন অ্যাফেয়ার্সে আমার শান্তি প্রস্তাব প্রকাশ করা নিয়ে আমি দ্বিধান্বিত ছিলাম।”
তিনি যোগ করেন, “তবু আমি বিশ্বাস করি, ইরানের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শর্তেই এই যুদ্ধের অবসান হওয়া উচিত।”
জারিফের এ প্রস্তাবে ইরান এবং মার্কিন প্রশাসন কেমন সাড়া দেবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারকে ভূ-রাজনীতি ও পারমাণবিক বিষয়ে ‘একেবারে মূর্খ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চলমান সংঘাত অবসানে ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ একটি চাঞ্চল্যকর শান্তি প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের উচিত এখনই ‘বিজয় ঘোষণা’ করে এমন একটি চুক্তিতে আসা, যা বর্তমান যুদ্ধ থামানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কাও দূর করবে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্সে’ প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ প্রস্তাব তুলে ধরেছেন তিনি। জাভেদ জারিফ তার নিবন্ধে বলেন, ইরানের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিকে কৌশলগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে দ্রুত একটি রাজনৈতিক চুক্তির পথে এগোনো।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অনড়, সেখানে ইরানের কোনো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির প্রকাশ্যে সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানোর এটিই প্রথম ঘটনা।
জারিফের মতে, এমন একটি সমঝোতা বর্তমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইরানকে অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বেশি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পরপরই তেহরান ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়। ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত জারিফকে ইরানের ক্ষমতাকাঠামোয় তুলনামূলক মধ্যপন্থি হিসেবে দেখা হয়। যদিও বর্তমান সরকারে তার কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেই।
জারিফের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:
পারমাণবিক কর্মসূচি: ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে অঙ্গীকার করবে। ২০১৫ সালের চুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের যে মাত্রা (৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ) ঠিক করা হয়েছিল, ইরান তাদের মজুত সেই সীমার নিচে নামিয়ে আনবে।
আঞ্চলিক কেন্দ্র: চীন ও রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এ অঞ্চলে একটি অভিন্ন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। ইরান তার সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ও সরঞ্জাম সেখানে সরিয়ে নেবে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে ইরানকে সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।
হরমুজ প্রণালি: হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রকেও এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে।
অনাক্রমণ চুক্তি: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ সই করবে, যেখানে দুই দেশ ভবিষ্যতে একে অপরকে আক্রমণ না করার অঙ্গীকার করবে।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত ছাড়া জারিফ এ নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারতেন না। সংস্কারপন্থি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে নির্বাচিত করতেও বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জারিফ লেখেন, “একজন ইরানি হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেপরোয়া আগ্রাসন ও অশালীন মন্তব্যে আমি ক্ষুব্ধ, তবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও সহনশীল জনগণের জন্য গর্বিত। তবুও ফরেন অ্যাফেয়ার্সে আমার শান্তি প্রস্তাব প্রকাশ করা নিয়ে আমি দ্বিধান্বিত ছিলাম।”
তিনি যোগ করেন, “তবু আমি বিশ্বাস করি, ইরানের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শর্তেই এই যুদ্ধের অবসান হওয়া উচিত।”
জারিফের এ প্রস্তাবে ইরান এবং মার্কিন প্রশাসন কেমন সাড়া দেবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারকে ভূ-রাজনীতি ও পারমাণবিক বিষয়ে ‘একেবারে মূর্খ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে
এই চক্রটি হিমালয়ের দুর্গম সব শৃঙ্গে আরোহণ করতে যাওয়া পর্যটকদের খাবারে সুকৌশলে বিষ মেশাত। এরপর পর্যটকরা অসুস্থ হয়ে গেলে তাদের উদ্ধার করার জন্য হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অভিযান চালানোর নাম করে হাতিয়ে নেওয়া হতো বিমার টাকা। এ চক্রের হাতে এরই মধ্যে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা (২ কোটি মার্কি ডলার) জালিয়াতি হয়েছে বলে জ
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ে চলমান শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়া গণবিক্ষোভের বিরুদ্ধে তার প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গৃহযুদ্ধের সূচনা করে, যা হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। বাস্তুচ্যুত করেছে লক্ষ লক্ষ মানুষকে, আর ধ্বংস করে দিয়েছে দেশটির অর্থনীতিকে।
১১ ঘণ্টা আগে