
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভূমিকম্পের প্রকোপ থেকে নিস্তার পাচ্ছে না আফগানিস্তান। এবার পাঁচ দিনে তৃতীয় একটু ভূমিকম্প আঘাত করেছে দেশটিতে। এ ভূমিকম্পে পাকিস্তান সীমান্তের কাছের শিওয়া জেলার বারকাশকত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
নতুন এ ভূমিকম্পে হতাহতের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আগের দুই ভূমিকম্প মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ২০৫ জন। আরও অন্তত তিন হাজার ৬৪০ জন আহত হয়েছেন।
বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আফগানিস্তানের মানবিক বিপর্যয় মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়াতে দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবানের পাশাপাশি একাধিক দাতা সংস্থাও কাতর অনুরোধ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার, (৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে আফগানিস্তানের দক্ষিণপূর্বে তৃতীয় এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ৬ দশমিক ২। অন্য এক খবরে অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৬ বলে জানানো হয়েছে।
আফগানিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম প্রাণঘাতী ভূমিকম্প আঘাত হানে গত রোববার। একদিন পর মঙ্গলবার আরও এক ভূমিকম্প আঘাত করে। রোববারের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এরই মধ্যে দুই হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।
নানগারহার প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র নাকিবুল্লাহ রাহিমি জানান, বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পাকিস্তান সীমান্তের কাছের শিওয়া জেলায়। প্রাথমিকভাবে বারকাশকত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আগের দুই ভূমিকম্পে কুনার ও নানগারহার প্রদেশের অনেক গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। লক্ষাধিক মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে। বেঁচে যাওয়া অনেকেই এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ নেই বলে জানিয়েছে দাতা সংস্থাগুলো।
জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থা আফগানিস্তানে জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা ও আশ্রয় সরঞ্জাম পাঠানোর তাগাদা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৭০০-র বেশি বাড়িঘর ধ্বংসের খবর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইএফআরসি) জানিয়েছে, বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে মানবিক ত্রাণ সহায়তার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। প্রাথমিক হিসাবে ৮৪ হাজার মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
কুনারের ক্ষতিগ্রস্ত কিছু গ্রামে হতাহতের সংখ্যা মোট বাসিন্দাদের দুই-তৃতীয়াংশ, সেসব এলাকার ৯৮ শতাংশ বাড়িঘরই হয় পুরো ধসে পড়েছে, না হয় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, বলেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ইসলামিক রিলিফ ওয়ার্ল্ডওয়াইড।
স্বজনদের খুঁজে পেতে মরিয়া অনেকেই খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ ঘাঁটছেন। মৃতদেহ পেলে কোনো রকমে তৈরি খাটিয়ায় তা বহন করে নিজ হাতে খোঁড়া কবরে সমাধিস্থ করছেন। আর অপেক্ষা করছেন ত্রাণের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অন্তত ৩০ লাখ ডলারের অর্থঘাটতি রয়েছে। ওষুধ, ট্রমা কিট আর জরুরি সরঞ্জামের প্রবাহ সচল রাখতে এই অর্থ এখন খুবই জরুরি। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, তাদের হাতে ত্রাণ রয়েছে মাত্র চার সপ্তাহের জন্য।

ভূমিকম্পের প্রকোপ থেকে নিস্তার পাচ্ছে না আফগানিস্তান। এবার পাঁচ দিনে তৃতীয় একটু ভূমিকম্প আঘাত করেছে দেশটিতে। এ ভূমিকম্পে পাকিস্তান সীমান্তের কাছের শিওয়া জেলার বারকাশকত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
নতুন এ ভূমিকম্পে হতাহতের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আগের দুই ভূমিকম্প মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ২০৫ জন। আরও অন্তত তিন হাজার ৬৪০ জন আহত হয়েছেন।
বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আফগানিস্তানের মানবিক বিপর্যয় মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়াতে দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবানের পাশাপাশি একাধিক দাতা সংস্থাও কাতর অনুরোধ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার, (৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে আফগানিস্তানের দক্ষিণপূর্বে তৃতীয় এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ৬ দশমিক ২। অন্য এক খবরে অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৬ বলে জানানো হয়েছে।
আফগানিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম প্রাণঘাতী ভূমিকম্প আঘাত হানে গত রোববার। একদিন পর মঙ্গলবার আরও এক ভূমিকম্প আঘাত করে। রোববারের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এরই মধ্যে দুই হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।
নানগারহার প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র নাকিবুল্লাহ রাহিমি জানান, বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পাকিস্তান সীমান্তের কাছের শিওয়া জেলায়। প্রাথমিকভাবে বারকাশকত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আগের দুই ভূমিকম্পে কুনার ও নানগারহার প্রদেশের অনেক গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। লক্ষাধিক মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে। বেঁচে যাওয়া অনেকেই এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ নেই বলে জানিয়েছে দাতা সংস্থাগুলো।
জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থা আফগানিস্তানে জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা ও আশ্রয় সরঞ্জাম পাঠানোর তাগাদা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৭০০-র বেশি বাড়িঘর ধ্বংসের খবর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইএফআরসি) জানিয়েছে, বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে মানবিক ত্রাণ সহায়তার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। প্রাথমিক হিসাবে ৮৪ হাজার মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
কুনারের ক্ষতিগ্রস্ত কিছু গ্রামে হতাহতের সংখ্যা মোট বাসিন্দাদের দুই-তৃতীয়াংশ, সেসব এলাকার ৯৮ শতাংশ বাড়িঘরই হয় পুরো ধসে পড়েছে, না হয় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, বলেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ইসলামিক রিলিফ ওয়ার্ল্ডওয়াইড।
স্বজনদের খুঁজে পেতে মরিয়া অনেকেই খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ ঘাঁটছেন। মৃতদেহ পেলে কোনো রকমে তৈরি খাটিয়ায় তা বহন করে নিজ হাতে খোঁড়া কবরে সমাধিস্থ করছেন। আর অপেক্ষা করছেন ত্রাণের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অন্তত ৩০ লাখ ডলারের অর্থঘাটতি রয়েছে। ওষুধ, ট্রমা কিট আর জরুরি সরঞ্জামের প্রবাহ সচল রাখতে এই অর্থ এখন খুবই জরুরি। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, তাদের হাতে ত্রাণ রয়েছে মাত্র চার সপ্তাহের জন্য।

সাধারণত ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিন উদ্ধার কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়, যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তারও অনেক পরে এই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের খড়কওয়াসলা ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রায় চার দশকব্যাপী ক্যারিয়ারে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি ও
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই এলাকাগুলোতে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। দিন যত যাচ্ছে, ভেঙে পড়া ভবনের চারপাশে লাশের পচা গন্ধ তত তীব্র হচ্ছে। তবে এমন অসহনীয় দুর্গন্ধের মধ্যেও প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আশায় ধ্বংসস্তূপের পাশ থেকে সরছেন না স্বজনেরা।
৭ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে বিমান অভিযান পরিচালনা করেছিল পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের রোববারের বিমান অভিযানে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছিলেন এবং নিহতরা সবাই বেসামরিক ছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে