
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের পাঞ্জাব রাজ্যের রাজধানী লাহোরে একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে অন্তত ১৪ জন শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।
মঙ্গলবার লাহোরের খানা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, একতলা ওই ভবনটিতে দোতলা নির্মাণের কাজ চলার সময় হঠাৎ ছাদটি ধসে পড়ে। এই ঘটনায় ভবন মালিকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
পাঞ্জাব রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাজা ইমরান নাজির পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানান, ছাদ ধসের সময় মোট ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ছিল সেই কোচিং সেন্টারটিতে। ধসের জেরে সবাই কমবেশি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশি আহত ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করে খানা তহসিল হেডকোয়ার্টার (টিএইচকিউ) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতলে আনার পর ১৪ জন শিশুকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেছেন।
“বাকি ৬ জনের মধ্যে ৪ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে, দু’জনকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে”, জিও নিউজকে বলেছেন খাজা ইমরান নাজির।
পুলিশসূত্রে জানা গেছে, একতলা ভবনটিতে দোতলা নির্মাণের কাজ চলছিল। যখন ছাদ ধসে পড়ে, সে সময় একতলায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছিল। এ ঘটনায় ওই ভবনের মালিকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজ উভয়েই নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে জীবিতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদানের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
২৪ কোটি মানুষ অধ্যুষিত পাকিস্তানে ভবন কিংবা ছাদ ধসে মৃত্যুর ঘটনা বিরল নয়। মূলত নিম্নমানের ভবন নির্মাণ সামগ্রী এবং ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ এ ধরনের দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। গত বছর জুলাই মাসে সিন্ধ রাজ্যের রাজধানী করাচির লিয়ারিতে একটি ৫ তলা ভবন ধসে নিহত হয়েছিলেন ২৭ জন এবং আহত হয়েছিলেন আরও ১০ জন।
রাজনীতি/এসআর

পাকিস্তানের পাঞ্জাব রাজ্যের রাজধানী লাহোরে একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে অন্তত ১৪ জন শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।
মঙ্গলবার লাহোরের খানা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, একতলা ওই ভবনটিতে দোতলা নির্মাণের কাজ চলার সময় হঠাৎ ছাদটি ধসে পড়ে। এই ঘটনায় ভবন মালিকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
পাঞ্জাব রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাজা ইমরান নাজির পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানান, ছাদ ধসের সময় মোট ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ছিল সেই কোচিং সেন্টারটিতে। ধসের জেরে সবাই কমবেশি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশি আহত ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করে খানা তহসিল হেডকোয়ার্টার (টিএইচকিউ) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতলে আনার পর ১৪ জন শিশুকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেছেন।
“বাকি ৬ জনের মধ্যে ৪ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে, দু’জনকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে”, জিও নিউজকে বলেছেন খাজা ইমরান নাজির।
পুলিশসূত্রে জানা গেছে, একতলা ভবনটিতে দোতলা নির্মাণের কাজ চলছিল। যখন ছাদ ধসে পড়ে, সে সময় একতলায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছিল। এ ঘটনায় ওই ভবনের মালিকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজ উভয়েই নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে জীবিতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদানের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
২৪ কোটি মানুষ অধ্যুষিত পাকিস্তানে ভবন কিংবা ছাদ ধসে মৃত্যুর ঘটনা বিরল নয়। মূলত নিম্নমানের ভবন নির্মাণ সামগ্রী এবং ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ এ ধরনের দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। গত বছর জুলাই মাসে সিন্ধ রাজ্যের রাজধানী করাচির লিয়ারিতে একটি ৫ তলা ভবন ধসে নিহত হয়েছিলেন ২৭ জন এবং আহত হয়েছিলেন আরও ১০ জন।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে