
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘বিপুলসংখ্যক’ রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা। এর মধ্যে রয়েছে বিদেশি নাগরিকরাও। এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলো দেশটিতে। এ ঘটনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনও লাভ করেছে।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তিনি সন্তুষ্ট। যতক্ষণ পর্যন্ত রদ্রিগেজ ওয়াশিংটনকে তেলের ওপর প্রবেশাধিকার দেবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে দেশটি শাসন করার সুযোগ দেওয়া হবে।
হোয়াইট হাউজের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটি একটি উদাহরণ যে কীভাবে প্রেসিডেন্ট মার্কিন ও ভেনেজুয়েলার জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করছেন।’
রদ্রিগেজের ভাই ও সংসদের স্পিকার জর্জ রদ্রিগেজ বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিদেশি নাগরিকসহ ভেনেজুয়েলার ‘বিপুলসংখ্যক’ নাগরিককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে কোন কোন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে, কতজন বন্দিকে বা কোথা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘অবিচার চিরকাল স্থায়ী হবে না এবং সত্য যদিও আহত হয়, তবুও শেষ পর্যন্ত তার পথ খুঁজে পায়।’

‘বিপুলসংখ্যক’ রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা। এর মধ্যে রয়েছে বিদেশি নাগরিকরাও। এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলো দেশটিতে। এ ঘটনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনও লাভ করেছে।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তিনি সন্তুষ্ট। যতক্ষণ পর্যন্ত রদ্রিগেজ ওয়াশিংটনকে তেলের ওপর প্রবেশাধিকার দেবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে দেশটি শাসন করার সুযোগ দেওয়া হবে।
হোয়াইট হাউজের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটি একটি উদাহরণ যে কীভাবে প্রেসিডেন্ট মার্কিন ও ভেনেজুয়েলার জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করছেন।’
রদ্রিগেজের ভাই ও সংসদের স্পিকার জর্জ রদ্রিগেজ বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিদেশি নাগরিকসহ ভেনেজুয়েলার ‘বিপুলসংখ্যক’ নাগরিককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে কোন কোন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে, কতজন বন্দিকে বা কোথা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘অবিচার চিরকাল স্থায়ী হবে না এবং সত্য যদিও আহত হয়, তবুও শেষ পর্যন্ত তার পথ খুঁজে পায়।’

ইরান যুদ্ধ ‘সম্ভবত অন্তত জুন মাস পর্যন্ত’ স্থায়ী হবে বলে সতর্ক করেছেন কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ম্যাডিসন কার্টরাইট। দ্য গার্ডিয়ানের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৩০ মার্চ) ফিলিপাইনের সরকারি পর্যবেক্ষক সংস্থার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহের সংকটে ফিলিপাইনের ৩০০-এর বেশি পেট্রোল পাম্প বা জ্বালানি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক চাপ, চলমান যুদ্ধ এবং ইরানের ভেতরে বদলে যাওয়া জনমত নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে— তাহলে কি শেষ পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্রের পথেই হাঁটছে কোণঠাসা ইরান? দেশটি এরই মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়েও তৎপরতা শুরু করেছে।
১ দিন আগে
ক্যাথলিক খিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধে জড়ায়, সৃষ্টিকর্তা তাদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না।’ রোববার (২৯ মার্চ) ‘পাম সানডে’ দিনের উপাসনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
১ দিন আগে