
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় (মুসলিম) সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি) বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালত ‘বৈশ্বিক আদালত’ (ওয়ার্ল্ড কোর্ট) নামেও পরিচিত।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হবে। এর আগে ২০১৯ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। এই মামলাটিরই শুনানি শুরু হচ্ছে আজ, টানা তিন সপ্তাহ ধরে এই শুনানি চলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জাতিসংঘের আদালতে নথিভুক্ত রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার তদন্তকারী দল ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শুনানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, গণহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগ কীভাবে প্রমাণ করা যায় এবং এ ধরনের গুরুতর অপরাধের ন্যায়বিচার কীভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব— এই মামলার মাধ্যমে এসব প্রশ্নের একটি আন্তর্জাতিক নজির স্থাপিত হবে।’
এর আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। মিয়ানমার সরকার সশস্ত্র রোহিঙ্গা সংগঠন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে ওই হামলার জন্য দায়ী করে। এর জেরে ওই মাসেই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো সহিংসতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আসে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তারা এখনও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে।
সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল ঘটনার তদন্ত করে। তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে।
রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নোবেলজয়ী অং সান সুচি। তিনি জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার অভিযোগকেও ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন অং সান সুচি ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে সেনাবাহিনী-নিয়ন্ত্রিত আদালতে তার বিচার চলছে।

প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় (মুসলিম) সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি) বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালত ‘বৈশ্বিক আদালত’ (ওয়ার্ল্ড কোর্ট) নামেও পরিচিত।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হবে। এর আগে ২০১৯ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। এই মামলাটিরই শুনানি শুরু হচ্ছে আজ, টানা তিন সপ্তাহ ধরে এই শুনানি চলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জাতিসংঘের আদালতে নথিভুক্ত রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার তদন্তকারী দল ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শুনানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, গণহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগ কীভাবে প্রমাণ করা যায় এবং এ ধরনের গুরুতর অপরাধের ন্যায়বিচার কীভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব— এই মামলার মাধ্যমে এসব প্রশ্নের একটি আন্তর্জাতিক নজির স্থাপিত হবে।’
এর আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। মিয়ানমার সরকার সশস্ত্র রোহিঙ্গা সংগঠন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে ওই হামলার জন্য দায়ী করে। এর জেরে ওই মাসেই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো সহিংসতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আসে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তারা এখনও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে।
সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল ঘটনার তদন্ত করে। তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে।
রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নোবেলজয়ী অং সান সুচি। তিনি জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার অভিযোগকেও ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন অং সান সুচি ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে সেনাবাহিনী-নিয়ন্ত্রিত আদালতে তার বিচার চলছে।

এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, মূল্যস্ফীতি সত্যিই বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি নিয়ন্ত্রণে আসুক। তবে তারা খামেনির বিরোধী নন। তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছে তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত।
১ দিন আগে
মাদুরো স্টাইলে রুশ প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার হুঙ্কার দিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেন।
১ দিন আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে আবারও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই আর্কটিক দ্বীপটি দখলে নিতে যুক্তরাষ্ট্র সহজ বা প্রয়োজনে কঠিন পথে এগোতে পারে।
১ দিন আগে
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ইন্টারনেট পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রেখে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-নিপীড়ন চলছে।
১ দিন আগে