
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের স্টেটসভিল শহরে একটি ছোটো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির ক্রীড়া তারকা গ্রেগ বিফেলসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই বিফেলের পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করছে পুলিশ।
আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ ট্র্যাাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের বরাতে জানা গেছে, বিমানটি ছিল একটি সেসনা ৫৫০ বিজনেস জেট উড়োজাহাজ। উড়োজাহাজটি গ্রেগ বিফেলের নামে নিবন্ধিত ছিল। অর্থাৎ বিফেল ছিলেন এটির মালিক। বৃহস্পতিবার সকালে দিকে নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের প্রধান শহর নর্থ ক্যারোলাইনার বিমানবন্দর থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন বিফেল ও তার পরিবারের সদস্যরা।
কিন্তু উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই খারাপ আবাহওয়ার জেরে স্থানীয় সময় বেলা ১০টা ১৫ মিনিটে স্টেটসভিলের বিমান বন্দরের রানওয়েতে আছড়ে পড়ে উড়োজাহাজটি। নর্থ ক্যারোলাইনা হাইওয়ে পেট্রোল পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আছড়ে পড়ার বিমানটির জ্বালানি ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগ পর্যন্ত বিমানটিতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো সম্ভব হয়নি।
পরে পুড়ে যাওয়া বিমানটিতে থেকে গ্রেগ বিফলে সহ ৭ জনের দগ্ধ দেহাবশেষ উদ্ধার করেন পুলিশ সদস্যরা।
৫৫ বছর বয়সী গ্রেগ বিফেল ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রথম সারির মোটরগাড়ি রেসার। ২০ বছরের ক্যারিয়ারে জাতীয় ও রাজ্যপর্যায়ে বিভিন্ন গাড়ি রেসিং টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন এবং মোট ১৯ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ২০২২ সালে অবসর নেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গাড়ি রেসিং আয়োজোক সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাসোসিশন ফর স্টক কার অটো রেসিং (নাসকার) প্রণীত দেশটিরি সর্বকালের সেরা ৭৫ জন রেসারের তালিকায়ও নাম আছে বিফেলের।
গতকাল রানওয়েতে বিফেলের বিমান আছড়ে পড়ার পর স্টেটসভিল বিমানবন্দর ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। মার্কিন সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নিয়ন্ত্রণক সংস্থা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড ইতোমধ্যে এ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের স্টেটসভিল শহরে একটি ছোটো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির ক্রীড়া তারকা গ্রেগ বিফেলসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই বিফেলের পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করছে পুলিশ।
আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ ট্র্যাাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের বরাতে জানা গেছে, বিমানটি ছিল একটি সেসনা ৫৫০ বিজনেস জেট উড়োজাহাজ। উড়োজাহাজটি গ্রেগ বিফেলের নামে নিবন্ধিত ছিল। অর্থাৎ বিফেল ছিলেন এটির মালিক। বৃহস্পতিবার সকালে দিকে নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের প্রধান শহর নর্থ ক্যারোলাইনার বিমানবন্দর থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন বিফেল ও তার পরিবারের সদস্যরা।
কিন্তু উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই খারাপ আবাহওয়ার জেরে স্থানীয় সময় বেলা ১০টা ১৫ মিনিটে স্টেটসভিলের বিমান বন্দরের রানওয়েতে আছড়ে পড়ে উড়োজাহাজটি। নর্থ ক্যারোলাইনা হাইওয়ে পেট্রোল পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আছড়ে পড়ার বিমানটির জ্বালানি ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগ পর্যন্ত বিমানটিতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো সম্ভব হয়নি।
পরে পুড়ে যাওয়া বিমানটিতে থেকে গ্রেগ বিফলে সহ ৭ জনের দগ্ধ দেহাবশেষ উদ্ধার করেন পুলিশ সদস্যরা।
৫৫ বছর বয়সী গ্রেগ বিফেল ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রথম সারির মোটরগাড়ি রেসার। ২০ বছরের ক্যারিয়ারে জাতীয় ও রাজ্যপর্যায়ে বিভিন্ন গাড়ি রেসিং টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন এবং মোট ১৯ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ২০২২ সালে অবসর নেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গাড়ি রেসিং আয়োজোক সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাসোসিশন ফর স্টক কার অটো রেসিং (নাসকার) প্রণীত দেশটিরি সর্বকালের সেরা ৭৫ জন রেসারের তালিকায়ও নাম আছে বিফেলের।
গতকাল রানওয়েতে বিফেলের বিমান আছড়ে পড়ার পর স্টেটসভিল বিমানবন্দর ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। মার্কিন সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নিয়ন্ত্রণক সংস্থা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড ইতোমধ্যে এ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানায়, শুক্রবারই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা। পরে এক তুর্কি কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি আঞ্চলিক সূত্রের ভাষ্য, চুক্তিটি সই হলেও শুক্রবারই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
১১ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
১ দিন আগে