
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এক মাসের আপেক্ষিক শান্তির পর আবারও সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও সমুদ্র মাইন পাতার প্রস্তুতির অভিযোগ তুলে ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান। এরপরই ইরানকে ‘কঠিন আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আল-জাজিরা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে ইরানের দুটি রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, এসব লঞ্চার ব্যবহার করে ইরান প্রণালিতে নৌমাইন ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মার্কিন বাহিনী তাদের অভিযানকে ‘সীমিত ও সুনির্দিষ্ট’ বলে বর্ণনা করেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ইরান প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে জাহাজ চলাচল সচল রাখতে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। এর মধ্যেই গত সপ্তাহে প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। সোমবারও একটি ট্যাংকার তিনটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা জবাব দেয় ইরান। তেহরান জর্ডানে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, একটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করলেও সেটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থাপনায় আঘাত করার মতো অবস্থায় ছিল না।
ইরানের হামলার লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী। একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি মার্কিন ঘাঁটির দিকেও ইরানি ড্রোন পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে। ফলে লারাক দ্বীপে সীমিত মার্কিন অভিযান দ্রুতই বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
ইরানের পালটা হামলার পর ট্রাম্প আরেক দফা সামরিক পদক্ষেপের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কঠিনভাবে আঘাত করব। জবাব দেওয়া হবে।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের অর্থ, লারাক দ্বীপে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র এখনই সামরিক অভিযান থামানোর পথে নেই। বরং ইরানের পালটা হামলার পর ওয়াশিংটন আরও বড় কোনো আঘাতের কথা বিবেচনা করছে— এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে ট্রাম্প একইসঙ্গে দাবি করেছেন, ইরান আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী। অর্থাৎ ওয়াশিংটনের বক্তব্যে একদিকে সামরিক চাপ বাড়ানোর হুমকি, অন্যদিকে আলোচনার দরজা খোলা রাখার বার্তা— দুই ধরনের অবস্থানই দেখা যাচ্ছে।
এর মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি করেছেন ট্রাম্প নিজেই। তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। ভিডিওটিতে দ্বীপটি ব্যাপক বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
কিন্তু ভিডিওটি বাস্তব হামলার ফুটেজ নয়— এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান এটিকে উপহাস করে প্রত্যাখ্যান করেছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অবশ্য বলেছেন, ভিডিওটির মাধ্যমে ইরানকে একটি বার্তা দেওয়াই ছিল ট্রাম্পের উদ্দেশ্য।
খার্গ দ্বীপ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বড় অংশের তেল রপ্তানি এই দ্বীপের টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভবিষ্যৎ মার্কিন হামলায় খার্গকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি ইরানের অর্থনীতিতেও বড় আঘাত তৈরি করতে পারে।
নতুন করে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথটিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সোমবার প্রণালিটি দিয়ে মাত্র পাঁচটি জাহাজ চলাচল করেছে, যা সাম্প্রতিক ১০ দিনের গড়ের তুলনায় অনেক কম। এসব জাহাজের কোনোটিই তেলবাহী ট্যাংকার ছিল না।
এই পরিস্থিতি বিশ্ববাজারেও প্রভাব ফেলছে। নতুন করে সংঘাত শুরুর খবরের পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
কারণ হরমুজে বড় ধরনের সংঘাত হলে শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়বে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধাক্কা আসতে পারে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন সেটিই।
এক মাসের বিরতির পর সরাসরি হামলা-পালটা হামলা শুরু হওয়া নিঃসন্দেহে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন হামলা সীমিত লক্ষ্যবস্তুতে হয়েছে এবং ইরানের পাল্টা হামলাও মূলত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেছে। ফলে দুই পক্ষই আপাতত সংঘাতকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে— এমন ইঙ্গিত রয়েছে।
কিন্তু বিপদ অন্য জায়গায়। ট্রাম্প যদি ইরানের পালটা হামলার জবাবে বড় ধরনের বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালান এবং তেহরান তার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি, ইসরায়েল কিংবা বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত বাড়ায়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন বা বাণিজ্যিক জাহাজ ডুবে গেলে কিংবা বড় ধরনের প্রাণহানি হলে সংঘাতের মাত্রা এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অর্থাৎ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ থেমে যায়নি; বরং এক মাসের বিরতির পর নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এখন প্রশ্ন হলো— লারাক দ্বীপে সীমিত হামলা ও জর্ডানে পালটা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মধ্যেই সংঘাত আটকে থাকবে, নাকি ট্রাম্পের ‘কঠিন আঘাত’ সত্যিই বড় সামরিক অভিযানে রূপ নেবে। আগামী কয়েক দিনই সেই উত্তর দেবে।

এক মাসের আপেক্ষিক শান্তির পর আবারও সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও সমুদ্র মাইন পাতার প্রস্তুতির অভিযোগ তুলে ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান। এরপরই ইরানকে ‘কঠিন আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আল-জাজিরা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে ইরানের দুটি রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, এসব লঞ্চার ব্যবহার করে ইরান প্রণালিতে নৌমাইন ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মার্কিন বাহিনী তাদের অভিযানকে ‘সীমিত ও সুনির্দিষ্ট’ বলে বর্ণনা করেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ইরান প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে জাহাজ চলাচল সচল রাখতে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। এর মধ্যেই গত সপ্তাহে প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। সোমবারও একটি ট্যাংকার তিনটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা জবাব দেয় ইরান। তেহরান জর্ডানে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, একটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করলেও সেটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থাপনায় আঘাত করার মতো অবস্থায় ছিল না।
ইরানের হামলার লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী। একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি মার্কিন ঘাঁটির দিকেও ইরানি ড্রোন পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে। ফলে লারাক দ্বীপে সীমিত মার্কিন অভিযান দ্রুতই বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
ইরানের পালটা হামলার পর ট্রাম্প আরেক দফা সামরিক পদক্ষেপের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কঠিনভাবে আঘাত করব। জবাব দেওয়া হবে।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের অর্থ, লারাক দ্বীপে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র এখনই সামরিক অভিযান থামানোর পথে নেই। বরং ইরানের পালটা হামলার পর ওয়াশিংটন আরও বড় কোনো আঘাতের কথা বিবেচনা করছে— এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে ট্রাম্প একইসঙ্গে দাবি করেছেন, ইরান আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী। অর্থাৎ ওয়াশিংটনের বক্তব্যে একদিকে সামরিক চাপ বাড়ানোর হুমকি, অন্যদিকে আলোচনার দরজা খোলা রাখার বার্তা— দুই ধরনের অবস্থানই দেখা যাচ্ছে।
এর মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি করেছেন ট্রাম্প নিজেই। তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। ভিডিওটিতে দ্বীপটি ব্যাপক বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
কিন্তু ভিডিওটি বাস্তব হামলার ফুটেজ নয়— এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান এটিকে উপহাস করে প্রত্যাখ্যান করেছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অবশ্য বলেছেন, ভিডিওটির মাধ্যমে ইরানকে একটি বার্তা দেওয়াই ছিল ট্রাম্পের উদ্দেশ্য।
খার্গ দ্বীপ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বড় অংশের তেল রপ্তানি এই দ্বীপের টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভবিষ্যৎ মার্কিন হামলায় খার্গকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি ইরানের অর্থনীতিতেও বড় আঘাত তৈরি করতে পারে।
নতুন করে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথটিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সোমবার প্রণালিটি দিয়ে মাত্র পাঁচটি জাহাজ চলাচল করেছে, যা সাম্প্রতিক ১০ দিনের গড়ের তুলনায় অনেক কম। এসব জাহাজের কোনোটিই তেলবাহী ট্যাংকার ছিল না।
এই পরিস্থিতি বিশ্ববাজারেও প্রভাব ফেলছে। নতুন করে সংঘাত শুরুর খবরের পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
কারণ হরমুজে বড় ধরনের সংঘাত হলে শুধু ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়বে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধাক্কা আসতে পারে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন সেটিই।
এক মাসের বিরতির পর সরাসরি হামলা-পালটা হামলা শুরু হওয়া নিঃসন্দেহে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন হামলা সীমিত লক্ষ্যবস্তুতে হয়েছে এবং ইরানের পাল্টা হামলাও মূলত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেছে। ফলে দুই পক্ষই আপাতত সংঘাতকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে— এমন ইঙ্গিত রয়েছে।
কিন্তু বিপদ অন্য জায়গায়। ট্রাম্প যদি ইরানের পালটা হামলার জবাবে বড় ধরনের বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালান এবং তেহরান তার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি, ইসরায়েল কিংবা বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত বাড়ায়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন বা বাণিজ্যিক জাহাজ ডুবে গেলে কিংবা বড় ধরনের প্রাণহানি হলে সংঘাতের মাত্রা এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অর্থাৎ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ থেমে যায়নি; বরং এক মাসের বিরতির পর নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এখন প্রশ্ন হলো— লারাক দ্বীপে সীমিত হামলা ও জর্ডানে পালটা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মধ্যেই সংঘাত আটকে থাকবে, নাকি ট্রাম্পের ‘কঠিন আঘাত’ সত্যিই বড় সামরিক অভিযানে রূপ নেবে। আগামী কয়েক দিনই সেই উত্তর দেবে।

কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলার কুকনুর শহরে বক্তব্য দেওয়ার সময় রায়ারেড্ডি ইসলামকে একটি মহান ও অত্যন্ত মানবিক ধর্ম হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইসলাম বিজ্ঞানভিত্তিক এবং মানুষকে কীভাবে জীবনযাপন করতে হয়, তা শেখায়।
১ দিন আগে
সৌদি আরবের তায়েফে এক সৌদি তরুণের গুলিতে মো. কামরুল জামান (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। পরে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন ওই সৌদি তরুণ। স্থানীয় সময় রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।
১ দিন আগে
সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।
২ দিন আগে