
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতির অভিযোগে আটকের তিন দিন পর গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোলুকে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তারের খবরে দেশ জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তার মেয়রের স্ত্রী দিলেক কায়া ইমামোলু যোগ দিলে বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৯ মার্চ) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল মেয়র একরেম ইমামোলুকে। রোববার (২২ মার্চ) তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে মারমারা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ইমামোলুকে আটকের পর থেকেই ইস্তাম্বুলে বিক্ষোভ শুরু হয়। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। গত পাঁচ দিন ধরে তারা রাজপথ দখল করে বিক্ষোভ করছেন। এএফপির হিসাব বলছে, তুরস্কের ৮১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ৫৫টি প্রদেশে ইমামোলুর জন্য বিক্ষোভ হয়েছে।
রোববার সেই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন ইমামোলুর স্ত্রী দিলেক কায়া ইমামোলু। একরেমকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে দেশের জনগণের সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরদোয়ানকে এর দায়িত্ব নিতে হবে মন্তব্য করে কায়া বলেন, ‘এরদোয়ানের সময় শেষ হয়ে এসেছে। এবার তিনি হারবেন।’

বিক্ষোভকারীদের দমন করতে জলকামান, টিয়ার শেল ব্যবহার করতে হয়েছে পুলিশকে। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি
একরেম ইমামোলুকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন অনেকেই। দেশটির বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপল পার্টির (সিএইচপি) পক্ষ থেকে ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মনে করা হচ্ছিল তাকে। রোববারই দলের মধ্যে এর ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর চার দিন আগেই তাকে আটক করে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ইমামোলুর গ্রেপ্তারে রোববার রাতে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যেভাবে ইমামোলু ও তার সহকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। গত ২০ বছর ধরে এরদোয়ান তুরস্কে শাসন করছেন। তিনি বিরোধীদের সম্মান দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সে কাজ তিনি করছেন না।
ফ্রান্সের বক্তব্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম সদস্য হিসেবে ফ্রান্স মনে করে, বিরোধী রাজনীতি গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। এই ভাবনাকে সম্মান করলেই একমাত্র তুরস্কের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।
এদিকে ইমামোলুর সমর্থকরা দেশ জুড়ে এক প্রতীকী ভোটের ব্যবস্থা করেছিলেন। বিভিন্ন শহরে তারা ব্যালট বাক্স বসিয়েছিলেন। বিরোধী দল সিএইচপির সমর্থক নন, এমন মানুষদেরও ওই প্রতীকী ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সিএইচপি জানিয়েছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ এই ভোটে অংশ নিয়েছিলেন। কোনো কোনো অঞ্চলে এতই ভিড় হয়েছিল যে, ভোটের সময় সাড়ে তিন ঘণ্টা বাড়িয়ে দিতে হয়। দেড় কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ ইমামোগলুর সমর্থনে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
২০১৯ সালে ইমামোলু প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর তিনি পুনর্নির্বাচিত হন। প্রতীকী ভোটের ফলাফল জানার পর তিনি জেল থেকেই এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, দেশের মানুষ এরদোয়ানকে একটি বার্তা দিয়েছে। অনেক হয়েছে, আর না।

দুর্নীতির অভিযোগে আটকের তিন দিন পর গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোলুকে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তারের খবরে দেশ জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তার মেয়রের স্ত্রী দিলেক কায়া ইমামোলু যোগ দিলে বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৯ মার্চ) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল মেয়র একরেম ইমামোলুকে। রোববার (২২ মার্চ) তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে মারমারা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ইমামোলুকে আটকের পর থেকেই ইস্তাম্বুলে বিক্ষোভ শুরু হয়। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। গত পাঁচ দিন ধরে তারা রাজপথ দখল করে বিক্ষোভ করছেন। এএফপির হিসাব বলছে, তুরস্কের ৮১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ৫৫টি প্রদেশে ইমামোলুর জন্য বিক্ষোভ হয়েছে।
রোববার সেই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন ইমামোলুর স্ত্রী দিলেক কায়া ইমামোলু। একরেমকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে দেশের জনগণের সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরদোয়ানকে এর দায়িত্ব নিতে হবে মন্তব্য করে কায়া বলেন, ‘এরদোয়ানের সময় শেষ হয়ে এসেছে। এবার তিনি হারবেন।’

বিক্ষোভকারীদের দমন করতে জলকামান, টিয়ার শেল ব্যবহার করতে হয়েছে পুলিশকে। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি
একরেম ইমামোলুকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন অনেকেই। দেশটির বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপল পার্টির (সিএইচপি) পক্ষ থেকে ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মনে করা হচ্ছিল তাকে। রোববারই দলের মধ্যে এর ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর চার দিন আগেই তাকে আটক করে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ইমামোলুর গ্রেপ্তারে রোববার রাতে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যেভাবে ইমামোলু ও তার সহকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। গত ২০ বছর ধরে এরদোয়ান তুরস্কে শাসন করছেন। তিনি বিরোধীদের সম্মান দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সে কাজ তিনি করছেন না।
ফ্রান্সের বক্তব্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম সদস্য হিসেবে ফ্রান্স মনে করে, বিরোধী রাজনীতি গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। এই ভাবনাকে সম্মান করলেই একমাত্র তুরস্কের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।
এদিকে ইমামোলুর সমর্থকরা দেশ জুড়ে এক প্রতীকী ভোটের ব্যবস্থা করেছিলেন। বিভিন্ন শহরে তারা ব্যালট বাক্স বসিয়েছিলেন। বিরোধী দল সিএইচপির সমর্থক নন, এমন মানুষদেরও ওই প্রতীকী ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সিএইচপি জানিয়েছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ এই ভোটে অংশ নিয়েছিলেন। কোনো কোনো অঞ্চলে এতই ভিড় হয়েছিল যে, ভোটের সময় সাড়ে তিন ঘণ্টা বাড়িয়ে দিতে হয়। দেড় কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ ইমামোগলুর সমর্থনে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
২০১৯ সালে ইমামোলু প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর তিনি পুনর্নির্বাচিত হন। প্রতীকী ভোটের ফলাফল জানার পর তিনি জেল থেকেই এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, দেশের মানুষ এরদোয়ানকে একটি বার্তা দিয়েছে। অনেক হয়েছে, আর না।

এর আগে মহাকাশে এত দূরে কোনো মানুষ যেতে পারেনি। নতুন এই রেকর্ড গড়ার সময় পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন নভোচারীরা। প্রায় ৪০ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর পুনরায় সংযোগটি স্থাপিত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা বিলীন হয়ে যেতে পারে, যাকে আর কখনো ফিরিয়ে আনা যাবে না। আমি তা চাই না, কিন্তু সম্ভবত সেটিই ঘটবে।’
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলার হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বের সামনে জটিল এক প্রশ্ন উঠে এসেছে—রাষ্ট্রপতির নির্দেশ মেনে চলবেন, নাকি সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি এড়াবেন। এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ডের জন্য এক জরুরি সংকট।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের কাশান শহরের একটি রেলওয়ে সেতুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইসফাহানের ডেপুটি গভর্নরের বরাত দিয়ে ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি জানায়, ইরানের কাশান শহরের ইয়াহিয়া আবাদ রেলওয়ে সেতুতে এ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
১৫ ঘণ্টা আগে