
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হয়েছে। এক পক্ষের হামলার জবাবে অন্য পক্ষ পাল্টা আঘাত হানায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের হামলার লক্ষ্য হয়েছে কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটি। অন্যদিকে জর্ডান ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের হামলার জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় গত দুই দিনে ইরানে ১৪ জন নিহত ও ৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি। বুশেহর, চাবাহার, বন্দর আব্বাস ও সিরিকসহ হরমুজ প্রণালির আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে ইরানি হামলার জবাব দিতেই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে।
কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দেশটির আকাশসীমায় তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ১০টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়। এগুলো প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। তবে প্রতিরোধ কার্যক্রমের সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে একজন আহত হয়েছেন।
এর আগে বাহরাইন ও কাতারেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। কাতারের নাগরিকদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। পরে জানানো হয়, হামলার হুমকি মোকাবিলা করা হয়েছে।
ইরানের দাবি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে কাতারসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র বুশেহরের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছেও হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দেশটির বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরেও হামলার খবর জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম।
অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, মার্কিন হামলার কারণে হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বর্তমানে ওই পথে জাহাজ চলাচল অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যের জবাব দেবে না তেহরান। তিনি বলেন, ইরান নিজের অধিকার রক্ষায় দৃঢ় থাকবে।
এর আগে ন্যাটো সম্মেলন চলাকালে ট্রাম্প ইরানের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন এবং যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে বলে দাবি করেন। এর পরই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হয়েছে। এক পক্ষের হামলার জবাবে অন্য পক্ষ পাল্টা আঘাত হানায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের হামলার লক্ষ্য হয়েছে কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটি। অন্যদিকে জর্ডান ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের হামলার জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় গত দুই দিনে ইরানে ১৪ জন নিহত ও ৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি। বুশেহর, চাবাহার, বন্দর আব্বাস ও সিরিকসহ হরমুজ প্রণালির আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে ইরানি হামলার জবাব দিতেই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে।
কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দেশটির আকাশসীমায় তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ১০টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়। এগুলো প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। তবে প্রতিরোধ কার্যক্রমের সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে একজন আহত হয়েছেন।
এর আগে বাহরাইন ও কাতারেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। কাতারের নাগরিকদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। পরে জানানো হয়, হামলার হুমকি মোকাবিলা করা হয়েছে।
ইরানের দাবি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে কাতারসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র বুশেহরের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছেও হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দেশটির বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরেও হামলার খবর জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম।
অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, মার্কিন হামলার কারণে হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বর্তমানে ওই পথে জাহাজ চলাচল অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যের জবাব দেবে না তেহরান। তিনি বলেন, ইরান নিজের অধিকার রক্ষায় দৃঢ় থাকবে।
এর আগে ন্যাটো সম্মেলন চলাকালে ট্রাম্প ইরানের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন এবং যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে বলে দাবি করেন। এর পরই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে