
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার এক বিশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি তৃতীয় দেশের মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠানো হলেও, তেহরান আলোচনার টেবিলের চেয়ে 'মাঠের লড়াইয়ে' জবাব দেওয়াকেই বেছে নিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজেদের কঠোর অবস্থানের জানান দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সম্প্রতি ওই অঞ্চলে উত্তেজনার মাত্রা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে ভুল হিসাব-নিকাশ করার ফলে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। মূলত মার্কিন সেনাদের ওপর সৃষ্ট এই চাপ ও ঝুঁকি কমাতে এবং উদ্ভূত সংকট সামাল দিতেই যুক্তরাষ্ট্র তড়িঘড়ি করে এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল।
ফারস নিউজ আরও জানায়, ইরান এই প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং আলোচনার টেবিলের পরিবর্তে 'মাঠে' সরাসরি পাল্টা হামলার মাধ্যমেই তারা নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখে এই প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার এক বিশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি তৃতীয় দেশের মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠানো হলেও, তেহরান আলোচনার টেবিলের চেয়ে 'মাঠের লড়াইয়ে' জবাব দেওয়াকেই বেছে নিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজেদের কঠোর অবস্থানের জানান দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সম্প্রতি ওই অঞ্চলে উত্তেজনার মাত্রা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে ভুল হিসাব-নিকাশ করার ফলে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। মূলত মার্কিন সেনাদের ওপর সৃষ্ট এই চাপ ও ঝুঁকি কমাতে এবং উদ্ভূত সংকট সামাল দিতেই যুক্তরাষ্ট্র তড়িঘড়ি করে এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল।
ফারস নিউজ আরও জানায়, ইরান এই প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং আলোচনার টেবিলের পরিবর্তে 'মাঠে' সরাসরি পাল্টা হামলার মাধ্যমেই তারা নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখে এই প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের কাফার তিবনিত গ্রামে রাতভর হিজবুল্লাহর হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় আরও পাঁচ সেনা আহত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বড় হামলার শিকার হলো। আল-কায়েদার আঞ্চলিক শাখা ‘জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন’ (জেএনআইএম) হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে বার্তা দিয়েছে। তবে সরকার এখনো সেই দাবির সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নিজের লেখা এক মতামত নিবন্ধে হিলারি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা নিখুঁত নয়, এতে অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। তারপরও বর্তমানে এটিই একমাত্র কার্যকর কাঠামো, যার মাধ্যমে গাজা সংকট থেকে বের হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন চুক্তিটিকে এর সমর্থকরা ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ (ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি) হিসেবে অভিহিত করছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তেহরানের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে— ইসরায়েল থেকে শুরু করে উপসাগরীয় দেশ এবং লেবাননের বিভিন্ন গোষ্ঠী— এটি বরং ‘শতাব্দীর অভিশাপ’ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ত
১০ ঘণ্টা আগে