
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শুরু হওয়া এ হামলার সময় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিয়েভে রাশিয়ার ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার অংশ হিসেবেই এ আক্রমণ চালানো হয়েছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, রুশ বাহিনীর হামলায় শহরের সাতটি স্থানে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। এতে রাজধানীতে একজন নিহত ও ২৪ জন আহত হন। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, শহরের কেন্দ্রের কাছে একটি গুদামঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে একজন অ্যাম্বুলেন্সচালক রয়েছেন এবং চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার সময় কিয়েভজুড়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে হামলা প্রতিহত করতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
হামলার ফলে গুদাম ও সংরক্ষণাগারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং শহরের উপকণ্ঠে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ছাড়া ভূপাতিত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি আবাসিক ভবনের পাশে গিয়ে পড়ে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের দাবি, হামলার কারণে একটি এলাকায় অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন।
এদিকে বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় সামরিক কাজে ব্যবহৃত লজিস্টিক হাব ও সরবরাহ কেন্দ্র লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইউক্রেনের অভিযোগ, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনী বারবার বেসামরিক স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ইউক্রেনও রাশিয়ার ভূখণ্ডে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের একাধিক লজিস্টিক হাবে হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে তারা রাশিয়ার এমন এক ডজনের বেশি লজিস্টিক কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শুরু হওয়া এ হামলার সময় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিয়েভে রাশিয়ার ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার অংশ হিসেবেই এ আক্রমণ চালানো হয়েছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, রুশ বাহিনীর হামলায় শহরের সাতটি স্থানে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। এতে রাজধানীতে একজন নিহত ও ২৪ জন আহত হন। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, শহরের কেন্দ্রের কাছে একটি গুদামঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে একজন অ্যাম্বুলেন্সচালক রয়েছেন এবং চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার সময় কিয়েভজুড়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে হামলা প্রতিহত করতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
হামলার ফলে গুদাম ও সংরক্ষণাগারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং শহরের উপকণ্ঠে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ছাড়া ভূপাতিত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি আবাসিক ভবনের পাশে গিয়ে পড়ে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের দাবি, হামলার কারণে একটি এলাকায় অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন।
এদিকে বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় সামরিক কাজে ব্যবহৃত লজিস্টিক হাব ও সরবরাহ কেন্দ্র লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইউক্রেনের অভিযোগ, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনী বারবার বেসামরিক স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ইউক্রেনও রাশিয়ার ভূখণ্ডে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের একাধিক লজিস্টিক হাবে হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে তারা রাশিয়ার এমন এক ডজনের বেশি লজিস্টিক কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
১ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
১ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে