
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্য সরকার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে তেহরানের সঙ্গে লন্ডনের কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ শাখা আইআরজিসির প্রতি যেকোনো ধরনের সমর্থন নিষিদ্ধ করা হবে। এটি আইনগতভাবে প্রচলিত নিষেধাজ্ঞার (প্রস্ক্রিপশন) সমতুল্য হলেও পুরোপুরি একই আইনি কাঠামোর নয়।
একই সঙ্গে ইসলামিক মুভমেন্ট অব দ্য কম্প্যানিয়ন্স অব দ্য রাইট (আইএমসিআর) এবং রাশিয়ান ফেডারেশন ভলান্টিয়ার কর্পসকেও (জিআরইউ) নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটেনে ইহুদি লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক হামলার জন্য আইএমসিআরকে দায়ী করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাপ্ত সব তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেছেন, এসব সংগঠন বিদেশি শক্তির হুমকিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় তাদের তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন।
ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক হুমকির ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইরান ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশনের দুই সাংবাদিককে হত্যার ষড়যন্ত্র এবং ব্রিটিশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলার অভিযোগ রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে আইআরজিসিকে যেকোনোভাবে সমর্থন করা যুক্তরাজ্যে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। পাশাপাশি ইরান ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও শীতল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা আগে সতর্ক করেছিলেন, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করলে তেহরান থেকে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাজ্য সরকার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে তেহরানের সঙ্গে লন্ডনের কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ শাখা আইআরজিসির প্রতি যেকোনো ধরনের সমর্থন নিষিদ্ধ করা হবে। এটি আইনগতভাবে প্রচলিত নিষেধাজ্ঞার (প্রস্ক্রিপশন) সমতুল্য হলেও পুরোপুরি একই আইনি কাঠামোর নয়।
একই সঙ্গে ইসলামিক মুভমেন্ট অব দ্য কম্প্যানিয়ন্স অব দ্য রাইট (আইএমসিআর) এবং রাশিয়ান ফেডারেশন ভলান্টিয়ার কর্পসকেও (জিআরইউ) নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটেনে ইহুদি লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক হামলার জন্য আইএমসিআরকে দায়ী করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাপ্ত সব তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেছেন, এসব সংগঠন বিদেশি শক্তির হুমকিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় তাদের তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন।
ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক হুমকির ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইরান ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশনের দুই সাংবাদিককে হত্যার ষড়যন্ত্র এবং ব্রিটিশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলার অভিযোগ রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে আইআরজিসিকে যেকোনোভাবে সমর্থন করা যুক্তরাজ্যে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। পাশাপাশি ইরান ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও শীতল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা আগে সতর্ক করেছিলেন, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করলে তেহরান থেকে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে— এমন কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে গত মাসে হওয়া অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার ভবিষ্যৎ নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বারের মঞ্চের কাছাকাছি একটি জায়গায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দ্রুতই সেটি ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বারের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ক্রমে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় ঘরটি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেছেন, গত শনিবার তারা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কাছাকাছি ছিলেন। এমন সময় ইরান হঠাৎ একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়ে সেটি ভেস্তে দেয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যমতে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে—যা সাধারণত উগান্ডার মূল বপন মৌসুম—কারামোজা অঞ্চলে খুবই সামান্য অথবা একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির তীব্র অভাবে ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। ফলে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন শূন্যের কোঠায়
২ দিন আগে