
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এ সিদ্ধান্তের ফলে আগামী সপ্তাহে তার নির্ধারিত হোয়াইট হাউস সফরে আর কোনো বাধা থাকছে না। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
আহমেদ আল-শারার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্য এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। চীন ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাস খাত্তাবের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরেই সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য নিরাপত্তা পরিষদে চাপ দিয়ে আসছিল।
আহমেদ আল-শারার সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতৃত্বে বিদ্রোহী গোষ্ঠী বাহিনী গত বছরের ডিসেম্বরে সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর আহমেদ আল-শারা দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।
একসময় নুসরা ফ্রন্ট নামে পরিচিত এই এইচটিএস সিরিয়ায় আল-কায়েদার সহযোগী শাখা ছিল। ২০১৬ সালে তারা আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ২০১৪ সালের মে মাস থেকে এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। তবে গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে এটিকে বাদ দেয়।
বিবিসি বলছে, আগামী সোমবার আহমেদ আল-শারা হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে “উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি” অর্জন করেছেন।
এর আগে রিয়াদ সফরের সময় ট্রাম্প ও শারার মধ্যে প্রথম বৈঠক হয় চলতি বছরের মে মাসে। সেই বৈঠকের পর ট্রাম্প শারাকে “দৃঢ়চেতা নেতা” এবং “শক্ত অবস্থানের অধিকারী ব্যক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এ সিদ্ধান্তের ফলে আগামী সপ্তাহে তার নির্ধারিত হোয়াইট হাউস সফরে আর কোনো বাধা থাকছে না। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
আহমেদ আল-শারার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্য এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। চীন ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাস খাত্তাবের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরেই সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য নিরাপত্তা পরিষদে চাপ দিয়ে আসছিল।
আহমেদ আল-শারার সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতৃত্বে বিদ্রোহী গোষ্ঠী বাহিনী গত বছরের ডিসেম্বরে সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর আহমেদ আল-শারা দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।
একসময় নুসরা ফ্রন্ট নামে পরিচিত এই এইচটিএস সিরিয়ায় আল-কায়েদার সহযোগী শাখা ছিল। ২০১৬ সালে তারা আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ২০১৪ সালের মে মাস থেকে এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। তবে গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে এটিকে বাদ দেয়।
বিবিসি বলছে, আগামী সোমবার আহমেদ আল-শারা হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে “উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি” অর্জন করেছেন।
এর আগে রিয়াদ সফরের সময় ট্রাম্প ও শারার মধ্যে প্রথম বৈঠক হয় চলতি বছরের মে মাসে। সেই বৈঠকের পর ট্রাম্প শারাকে “দৃঢ়চেতা নেতা” এবং “শক্ত অবস্থানের অধিকারী ব্যক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে