
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগের বেশ কয়েকবারের মতো আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে অন্যান্যবারের মতোই এ কথা অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করার কোনো কারণই নেই।
রোববার (১৫ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প নতুন করে ইরানের সমঝোতার আগ্রহের কথা জানান।
ট্রাম্প বলেন, ইরান মরিয়া হয়ে উঠেছ সমঝোতা করার জন্য। কিন্তু সমঝোতার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, আমার মনে হয় না যে সেগুলো করার জন্য ইরান প্রস্তুত আছে। তবু আমি মনে করি, কোনো এক সময়ে তারা সমঝোতা করবে।
ইরান যুদ্ধের সার্বিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র খুব ভালো করছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি নিয়ে তিনি বলেন, এ প্রণালি পাহারা দেওয়ার বিষয়ে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলছেন বলেও জানান তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অবশ্য আবারও জোর দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য বন্ধ। বিশ্বের বাকি সবার জন্য এটি উন্মুক্ত।
আরাগচি বলেন, অন্য দেশের জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি পার হতে কোনো বাধা নেই। নিরাপত্তা উদ্বেগে অনেকেই তা করছে না। এ বিষয়ে ইরানের কিছু করার নেই। তবে এখন অনেক ট্যাংকার ও জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালির মতো ট্রাম্পের দাবি ইরানের সমঝোতার চেষ্টার কথাও সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতির কথা তেহরান বলেনি।
সিবিএস নিউজের ‘ফেস দ্য ন্যাশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আরাগচি বলেন, আমরা আমেরিকানদের সঙ্গে কেন কথা বলব? কথা বলার কোনো প্রয়োজন দেখি না। কারণ আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনায় ছিলাম, আর তখনই তারা আমাদের ওপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই যুদ্ধ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের বাঁধানো যুদ্ধ। আমরা আমাদের আত্মরক্ষার লড়াই চালিয়ে যাব।
ট্রাম্প এর আগেও ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বারবার বলে আসছেন, ইরান যুদ্ধের অবসান চায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। কিন্তু তিনি মনে করেন, ইরান আলোচনার উদ্যোগ নিতে দেরি করে ফেলেছে।
সেসব বক্তব্যও অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি এর আগে একবার ট্রাম্পকে জবাব দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং প্রতিটি হামলার জবাব দেবে ইরান।

আগের বেশ কয়েকবারের মতো আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে অন্যান্যবারের মতোই এ কথা অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করার কোনো কারণই নেই।
রোববার (১৫ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প নতুন করে ইরানের সমঝোতার আগ্রহের কথা জানান।
ট্রাম্প বলেন, ইরান মরিয়া হয়ে উঠেছ সমঝোতা করার জন্য। কিন্তু সমঝোতার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, আমার মনে হয় না যে সেগুলো করার জন্য ইরান প্রস্তুত আছে। তবু আমি মনে করি, কোনো এক সময়ে তারা সমঝোতা করবে।
ইরান যুদ্ধের সার্বিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র খুব ভালো করছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি নিয়ে তিনি বলেন, এ প্রণালি পাহারা দেওয়ার বিষয়ে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলছেন বলেও জানান তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অবশ্য আবারও জোর দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য বন্ধ। বিশ্বের বাকি সবার জন্য এটি উন্মুক্ত।
আরাগচি বলেন, অন্য দেশের জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি পার হতে কোনো বাধা নেই। নিরাপত্তা উদ্বেগে অনেকেই তা করছে না। এ বিষয়ে ইরানের কিছু করার নেই। তবে এখন অনেক ট্যাংকার ও জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালির মতো ট্রাম্পের দাবি ইরানের সমঝোতার চেষ্টার কথাও সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতির কথা তেহরান বলেনি।
সিবিএস নিউজের ‘ফেস দ্য ন্যাশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আরাগচি বলেন, আমরা আমেরিকানদের সঙ্গে কেন কথা বলব? কথা বলার কোনো প্রয়োজন দেখি না। কারণ আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনায় ছিলাম, আর তখনই তারা আমাদের ওপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই যুদ্ধ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের বাঁধানো যুদ্ধ। আমরা আমাদের আত্মরক্ষার লড়াই চালিয়ে যাব।
ট্রাম্প এর আগেও ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বারবার বলে আসছেন, ইরান যুদ্ধের অবসান চায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। কিন্তু তিনি মনে করেন, ইরান আলোচনার উদ্যোগ নিতে দেরি করে ফেলেছে।
সেসব বক্তব্যও অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি এর আগে একবার ট্রাম্পকে জবাব দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং প্রতিটি হামলার জবাব দেবে ইরান।

কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কড়া নজরদারি চালানোর সময় এসব কনটেন্ট শনাক্ত করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে তারা এ ধরনের তথ্য প্রচার করছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আনুমানিক দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার কিলোমিটার। এর গতি শব্দের চেয়ে প্রায় ১৩ গুণ বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ সামরিক অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ও তীব্রতা নির্ধারণে সৌদি আরবের প্রচ্ছন্ন প্রভাব নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে ইরান। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য একটি আন্তর্জাতিক নৌ নিরাপত্তা জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৪ ঘণ্টা আগে