
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা থামাতে এবার কি নমনীয় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র? আন্তর্জাতিক মহলে এখন এটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি গোপন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন—এমনটাই দাবি করছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স।
পর্দার আড়ালের এই কূটনৈতিক তৎপরতায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উঠে এসেছে পাকিস্তানের নাম। হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের ওপর থেকে সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বড় শর্ত ও সুযোগ সংবলিত এই প্রস্তাবটি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির সমীকরণে নতুন কোনো মোড় আনে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। মুখে স্বীকার না করলেও অবশেষে হার মানতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে যে এই এলাকায় যুদ্ধের উত্তেজনা কমাতে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং রয়টার্স নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে পরিকল্পনার নির্দিষ্ট দফাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমানো এবং চলমান সংঘাতের একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা। এতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আগে পাকিস্তান এই দুই যুদ্ধরত দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এই পরিকল্পনার বেশ কিছু শর্ত ও দাবির কথা উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং একে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। বিনিময়ে ইরান কী সুবিধা পাবে, প্রতিবেদনে সেটিও বলা হয়েছে। গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে, ইরান যদি এই প্রস্তাবগুলো মেনে নেয়, তবে দেশটির ওপর থেকে আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা থামাতে এবার কি নমনীয় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র? আন্তর্জাতিক মহলে এখন এটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি গোপন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন—এমনটাই দাবি করছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স।
পর্দার আড়ালের এই কূটনৈতিক তৎপরতায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উঠে এসেছে পাকিস্তানের নাম। হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের ওপর থেকে সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বড় শর্ত ও সুযোগ সংবলিত এই প্রস্তাবটি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির সমীকরণে নতুন কোনো মোড় আনে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। মুখে স্বীকার না করলেও অবশেষে হার মানতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে যে এই এলাকায় যুদ্ধের উত্তেজনা কমাতে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং রয়টার্স নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে পরিকল্পনার নির্দিষ্ট দফাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমানো এবং চলমান সংঘাতের একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা। এতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আগে পাকিস্তান এই দুই যুদ্ধরত দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এই পরিকল্পনার বেশ কিছু শর্ত ও দাবির কথা উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং একে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। বিনিময়ে ইরান কী সুবিধা পাবে, প্রতিবেদনে সেটিও বলা হয়েছে। গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে, ইরান যদি এই প্রস্তাবগুলো মেনে নেয়, তবে দেশটির ওপর থেকে আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতেই ইরানে হামলা চালাচ্ছিল। অন্যদিকে ইরান বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাই তাদের লক্ষ্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
১৬ ঘণ্টা আগে
হামলায় বিরতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প সব সময়ই স্পষ্ট করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানই তার প্রথম পছন্দ। তবে ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে কী ঘটতে পারে, সেটিও তিনি তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটসংলগ্ন টিয়ারগার্টেন পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে