
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। প্রস্তাবটি উত্থাপন হওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পেলেও দুই পরাশক্তির ভেটোর কারণে সেটি আর পাস হচ্ছে না।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বর্তমান সভাপতি বাহরাইন এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। ওই প্রস্তাবের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আপত্তি জানায় চীন। পরে এক সপ্তাহ ধরে আলোচনা করে এতে সংশোধনী আনা হয়।
মূল প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। পরে সংশোধনীতে সদস্য দেশগুলোকে সরাসরি সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে ‘সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
ভোটে উঠলে ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। ভোটদানে বিরত ছিল পাকিস্তান ও কলম্বিয়া। এ অবস্থায় রাশিয়া-চীনও ভোটদান থেকে বিরত থাকলে প্রস্তাবটি পাস হতো। তারা চীন ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি আর পাস হতে পারেনি।
নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, মস্কো বিশ্ব জুড়ে অবাধ নৌ চলাচলের পক্ষে। তবে এ ধরনের ‘একপাক্ষিক’ প্রস্তাব গৃহীত হলে তা চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং আলোচনায় ফেরার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
একই সুরে কথা বলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং। তিনি বলেন, বেইজিং হরমুজ প্রণালি বন্ধের পক্ষে নয় এবং প্রস্তাবদাতাদের উদ্বেগও তারা বুঝতে পারে। তবে তার মতে, প্রস্তাবটি সংঘাতের মূল কারণ ও পূর্ণ চিত্র তুলে ধরতে ‘ব্যর্থ’ এবং এতে ‘একপাক্ষিক নিন্দা ও চাপ প্রয়োগে’র উপাদান রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পালটা জবাবে শুরু হয় যুদ্ধ। যুদ্ধের প্রথম থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে, দেশে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট।
চলমান পরিস্থিতিতে ইরান সুযোগ বুঝে হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যুক্তরাষ্ট্রও এই প্রণালি উন্মুক্ত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে তিনি ইউরোপীয় মিত্রগুলোর কাছে সেখানে সামরিক শক্তি প্রয়োগের অনুরোধ জানিয়েও সাড়া পাননি।
এ অবস্থায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবটি পাস হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়ে যেতে পারত। কিন্তু প্রস্তাবটি রাশিয়া-চীনের ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ায় সে সুযোগ আর থাকছে না। স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই জানি, এই দেশগুলো বাধা ও বিভ্রান্তি তৈরি করে পরিষদকে অচল করে দিতে সক্ষম। আজকের ভেটো সেই প্রবণতার নতুন নিম্নস্তর।
এদিকে এ প্রস্তাবে ভোটদান থেকে বিরত থাকা পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতিখার আহমাদ বলেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির জরুরি গুরুত্বের সঙ্গে ইসলামাবাদ একমত। তবে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ‘সময় ও পরিসর’ দেওয়া প্রয়োজন, যেন সংলাপে ফেরার পথ তৈরি হয়।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি এই প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে অচলাবস্থা বা উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা পরিষদে ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়া এই সংকটের কূটনৈতিক সমাধানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। প্রস্তাবটি উত্থাপন হওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পেলেও দুই পরাশক্তির ভেটোর কারণে সেটি আর পাস হচ্ছে না।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বর্তমান সভাপতি বাহরাইন এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। ওই প্রস্তাবের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আপত্তি জানায় চীন। পরে এক সপ্তাহ ধরে আলোচনা করে এতে সংশোধনী আনা হয়।
মূল প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। পরে সংশোধনীতে সদস্য দেশগুলোকে সরাসরি সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে ‘সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
ভোটে উঠলে ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। ভোটদানে বিরত ছিল পাকিস্তান ও কলম্বিয়া। এ অবস্থায় রাশিয়া-চীনও ভোটদান থেকে বিরত থাকলে প্রস্তাবটি পাস হতো। তারা চীন ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি আর পাস হতে পারেনি।
নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, মস্কো বিশ্ব জুড়ে অবাধ নৌ চলাচলের পক্ষে। তবে এ ধরনের ‘একপাক্ষিক’ প্রস্তাব গৃহীত হলে তা চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং আলোচনায় ফেরার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
একই সুরে কথা বলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং। তিনি বলেন, বেইজিং হরমুজ প্রণালি বন্ধের পক্ষে নয় এবং প্রস্তাবদাতাদের উদ্বেগও তারা বুঝতে পারে। তবে তার মতে, প্রস্তাবটি সংঘাতের মূল কারণ ও পূর্ণ চিত্র তুলে ধরতে ‘ব্যর্থ’ এবং এতে ‘একপাক্ষিক নিন্দা ও চাপ প্রয়োগে’র উপাদান রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পালটা জবাবে শুরু হয় যুদ্ধ। যুদ্ধের প্রথম থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে, দেশে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট।
চলমান পরিস্থিতিতে ইরান সুযোগ বুঝে হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যুক্তরাষ্ট্রও এই প্রণালি উন্মুক্ত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে তিনি ইউরোপীয় মিত্রগুলোর কাছে সেখানে সামরিক শক্তি প্রয়োগের অনুরোধ জানিয়েও সাড়া পাননি।
এ অবস্থায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবটি পাস হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়ে যেতে পারত। কিন্তু প্রস্তাবটি রাশিয়া-চীনের ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ায় সে সুযোগ আর থাকছে না। স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই জানি, এই দেশগুলো বাধা ও বিভ্রান্তি তৈরি করে পরিষদকে অচল করে দিতে সক্ষম। আজকের ভেটো সেই প্রবণতার নতুন নিম্নস্তর।
এদিকে এ প্রস্তাবে ভোটদান থেকে বিরত থাকা পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতিখার আহমাদ বলেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির জরুরি গুরুত্বের সঙ্গে ইসলামাবাদ একমত। তবে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ‘সময় ও পরিসর’ দেওয়া প্রয়োজন, যেন সংলাপে ফেরার পথ তৈরি হয়।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি এই প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে অচলাবস্থা বা উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা পরিষদে ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়া এই সংকটের কূটনৈতিক সমাধানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১১ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১৩ ঘণ্টা আগে