
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা বসতে যাচ্ছে লেবানন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাশেম ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে এ বৈঠক বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েশিয়েল লাইটার ও লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মাওয়াদ মার্কিন স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় বসবেন আলোচনায়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বৈঠকে মার্কো রুবির অংশ নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এ বৈঠকের লক্ষ্য দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহ ইরান-সমর্থিত হিসেবে পরিচিত, যারা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ইসায়েলের হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও সাড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।
হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের বিরোধ পুরনো। সে বিরোধের মূলেও রয়েছে ইরান। ইসারয়েলের অভিযোগ, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র এই গোষ্ঠীকে ইরান বরাবরই সন্ত্রাসবাদী নানা কার্যক্রমে ব্যবহার করে আসছে। তবে হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোই তাদের লক্ষ্য।

চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা বসতে যাচ্ছে লেবানন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাশেম ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে এ বৈঠক বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েশিয়েল লাইটার ও লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মাওয়াদ মার্কিন স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় বসবেন আলোচনায়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বৈঠকে মার্কো রুবির অংশ নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এ বৈঠকের লক্ষ্য দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহ ইরান-সমর্থিত হিসেবে পরিচিত, যারা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ইসায়েলের হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও সাড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।
হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের বিরোধ পুরনো। সে বিরোধের মূলেও রয়েছে ইরান। ইসারয়েলের অভিযোগ, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র এই গোষ্ঠীকে ইরান বরাবরই সন্ত্রাসবাদী নানা কার্যক্রমে ব্যবহার করে আসছে। তবে হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোই তাদের লক্ষ্য।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোজুড়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে এবং বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধার ও সহায়তা করতে পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যান্য জরুরি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে প্রস্তুত ইরান। এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এমন এক সময়ে তিনি এই বার্তা দিলেন, যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং একটি সামুদ্রিক অবরোধ দেশটির বাণিজ্যের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের ‘নিশ্চিত পরাজয়’ আর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘আধিপত্যের জয়ধ্বনি’ নিয়ে যে যুদ্ধের শুরু, ছয় মাস পর এখন ‘ইরানের জয়ধ্বনি’ আর যুক্তরাষ্ট্রের ‘নৈতিক পরাজয়ে’র দৃশ্যটিই বাস্তবসম্মত। তবে ছয় মাস পেরিয়ে এসে এখন আর ‘কে জিতল’ এই যুদ্ধের মূল জিজ্ঞাসা নয়, বরং প্রশ্ন হলো— কে কত দিন এখনক
১৮ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় ৩২০, মার্কিন ৯০, ইউক্রেনীয় ৫৫, মালয়েশীয় ৫১, অস্ট্রেলীয় ৩৯, ব্রিটিশ ৩৩ এবং কানাডীয় ২৫ নাগরিক রয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, লাটভিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও স্পেনের নাগরিকও নিখোঁজ রয়েছেন। আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকেরও নিখোঁজ থা
১ দিন আগে