
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘লুজার’ তথা পরাজিত
ল্ল আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পকে অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত ও আত্মমুগ্ধ বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
ওয়াশিংটন ডিসিকে নতুনভাবে সাজানোর নামে ট্রাম্পের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের হ্যানোভারে ডেমোক্রেটিক পার্টির আয়োজিত এক গালা অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেন বাইডেন। আসন্ন নভেম্বরের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনে ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের কাছ থেকে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যে ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত প্রকল্পের সমালোচনা করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের ইস্ট উইং ভেঙে সেখানে একটি বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের ভবনের সম্মুখভাগে নিজের নাম যুক্ত করেছিলেন, যা পরে আদালতের নির্দেশে সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত একটি বিজয় তোরণ (ট্রায়াম্ফাল আর্চ) নির্মাণ পরিকল্পনারও সমালোচনা করেন বাইডেন।
এ সময় লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন বাইডেন। প্রায় এক কোটি ৪৭ লাখ ডলারের এই প্রকল্পে শৈবালের (অ্যালজি) ব্যাপক বিস্তারের কারণে সংস্কার কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
তবে বাইডেনের ভাষায়, ওয়াশিংটনের এসব ‘আত্মমুগ্ধতাপূর্ণ প্রকল্প’ই একমাত্র সমস্যা নয়। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সেই উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন, যার মাধ্যমে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত এবং পরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এসব ঘটনার তালিকা তুলে ধরে বাইডেন বলেন, ‘ওহ! কী ভয়ংকর! কী পরাজিত একজন মানুষ।’
লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে বাইডেন বলেন, ওই প্রকল্পের জন্য ফেডারেল সরকার প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই (নো-বিড) ১৭ লাখ ডলারের একটি পানি পরিশোধন ব্যবস্থা স্থাপনের চুক্তি দেয় ট্রাম্পের এক দাতাকে, যিনি ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-আ-লাগো ক্লাবের প্রতিবেশী।
বাইডেনের ভাষায়, এই প্রকল্প শুধু প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতারই প্রতিফলন নয়, বরং আরও ভয়াবহ কিছুর প্রতিচ্ছবি।
তিনি বলেন, ‘এটি হলো দুর্নীতি— স্পষ্ট, প্রকাশ্য এবং বেপরোয়া দুর্নীতি। এমন মাত্রার দুর্নীতি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো প্রশাসনেই দেখা যায়নি।’
ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনা করেন বাইডেন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনা করেন।
একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরানে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চাপের মুখে থাকা ন্যাটো সামরিক জোটকে ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত ও দুর্বল করার চেষ্টা করছেন।
বাইডেন বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানকে ইতিহাসের যেকোনো প্রেসিডেন্টের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।’
এই বক্তব্য আসে ট্রাম্পের সঙ্গে বাইডেনের সেই বহুল আলোচিত টেলিভিশন বিতর্কের ঠিক দুই বছর পর। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত ওই বিতর্কে বাইডেনের দুর্বল পারফরম্যান্সের পরই তিনি পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
পরে বাইডেনের সমর্থিত প্রার্থী ও তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন ট্রাম্প।
এদিকে ক্ষমতা ছাড়ার পর বাইডেন পরিবারের সদস্যরা আবারও জনপরিসরে সক্রিয় হয়ে উঠছেন।
গত ২ জুন সাবেক ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন তার স্মৃতিকথা ভিউ ফ্রম দ্য ইস্ট উইং প্রকাশ করেন। বইটির প্রচার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে জো বাইডেনের ক্যানসার ধরা পড়ার ঘটনা তাদের জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দিয়েছে।
অন্যদিকে বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন রাজনীতি, মানসিক স্বাস্থ্য অ মাদকাসক্তি থেকে সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মসমালোচনামূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের মাধ্যমে নতুন করে সমর্থক পাচ্ছেন। বিষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ার আগে জো বাইডেন তার বিরুদ্ধে আনা ফেডারেল অস্ত্র ও কর-সংক্রান্ত মামলায় ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।
গালা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাইডেন তুলনামূলক সংযত ভাষা ব্যবহার করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি, গণতন্ত্র দর্শক হয়ে বসে থাকার বিষয় নয়।’
এ সময় তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, ‘দরজায় দরজায় যাওয়া, ফোন করা এবং এমন সব কাজ করা— যেগুলো কেউ দেখে না, কিন্তু যার সুফল সবাই পায়— এটাই গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘লুজার’ তথা পরাজিত
ল্ল আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পকে অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত ও আত্মমুগ্ধ বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
ওয়াশিংটন ডিসিকে নতুনভাবে সাজানোর নামে ট্রাম্পের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের হ্যানোভারে ডেমোক্রেটিক পার্টির আয়োজিত এক গালা অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেন বাইডেন। আসন্ন নভেম্বরের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনে ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের কাছ থেকে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যে ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত প্রকল্পের সমালোচনা করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের ইস্ট উইং ভেঙে সেখানে একটি বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের ভবনের সম্মুখভাগে নিজের নাম যুক্ত করেছিলেন, যা পরে আদালতের নির্দেশে সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত একটি বিজয় তোরণ (ট্রায়াম্ফাল আর্চ) নির্মাণ পরিকল্পনারও সমালোচনা করেন বাইডেন।
এ সময় লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন বাইডেন। প্রায় এক কোটি ৪৭ লাখ ডলারের এই প্রকল্পে শৈবালের (অ্যালজি) ব্যাপক বিস্তারের কারণে সংস্কার কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
তবে বাইডেনের ভাষায়, ওয়াশিংটনের এসব ‘আত্মমুগ্ধতাপূর্ণ প্রকল্প’ই একমাত্র সমস্যা নয়। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সেই উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন, যার মাধ্যমে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত এবং পরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমায় মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এসব ঘটনার তালিকা তুলে ধরে বাইডেন বলেন, ‘ওহ! কী ভয়ংকর! কী পরাজিত একজন মানুষ।’
লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে বাইডেন বলেন, ওই প্রকল্পের জন্য ফেডারেল সরকার প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই (নো-বিড) ১৭ লাখ ডলারের একটি পানি পরিশোধন ব্যবস্থা স্থাপনের চুক্তি দেয় ট্রাম্পের এক দাতাকে, যিনি ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-আ-লাগো ক্লাবের প্রতিবেশী।
বাইডেনের ভাষায়, এই প্রকল্প শুধু প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতারই প্রতিফলন নয়, বরং আরও ভয়াবহ কিছুর প্রতিচ্ছবি।
তিনি বলেন, ‘এটি হলো দুর্নীতি— স্পষ্ট, প্রকাশ্য এবং বেপরোয়া দুর্নীতি। এমন মাত্রার দুর্নীতি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো প্রশাসনেই দেখা যায়নি।’
ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনা করেন বাইডেন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনা করেন।
একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরানে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চাপের মুখে থাকা ন্যাটো সামরিক জোটকে ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত ও দুর্বল করার চেষ্টা করছেন।
বাইডেন বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানকে ইতিহাসের যেকোনো প্রেসিডেন্টের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।’
এই বক্তব্য আসে ট্রাম্পের সঙ্গে বাইডেনের সেই বহুল আলোচিত টেলিভিশন বিতর্কের ঠিক দুই বছর পর। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত ওই বিতর্কে বাইডেনের দুর্বল পারফরম্যান্সের পরই তিনি পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
পরে বাইডেনের সমর্থিত প্রার্থী ও তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন ট্রাম্প।
এদিকে ক্ষমতা ছাড়ার পর বাইডেন পরিবারের সদস্যরা আবারও জনপরিসরে সক্রিয় হয়ে উঠছেন।
গত ২ জুন সাবেক ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন তার স্মৃতিকথা ভিউ ফ্রম দ্য ইস্ট উইং প্রকাশ করেন। বইটির প্রচার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে জো বাইডেনের ক্যানসার ধরা পড়ার ঘটনা তাদের জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দিয়েছে।
অন্যদিকে বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন রাজনীতি, মানসিক স্বাস্থ্য অ মাদকাসক্তি থেকে সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মসমালোচনামূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের মাধ্যমে নতুন করে সমর্থক পাচ্ছেন। বিষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ার আগে জো বাইডেন তার বিরুদ্ধে আনা ফেডারেল অস্ত্র ও কর-সংক্রান্ত মামলায় ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।
গালা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাইডেন তুলনামূলক সংযত ভাষা ব্যবহার করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি, গণতন্ত্র দর্শক হয়ে বসে থাকার বিষয় নয়।’
এ সময় তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, ‘দরজায় দরজায় যাওয়া, ফোন করা এবং এমন সব কাজ করা— যেগুলো কেউ দেখে না, কিন্তু যার সুফল সবাই পায়— এটাই গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেয়।’

পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছে প্রায় ১৪ হাজার বিষমিশ্রিত ক্যাপসুল পাওয়া গেছে। এসব ক্যাপসুলে ছিল জিঙ্ক ফসফাইড, যা সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১ দিন আগে
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
১ দিন আগে
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই দুর্যোগে লণ্ডভণ্ড উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চলে যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সতর্ক করে বলেছে, প্রলয়ঙ্করী এই ভূমিকম্পে দেশটির আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৮৭০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
স্থানীয় গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, প্রথমে একটি বিস্ফোরকবাহী গাড়ি দিয়ে সদর দপ্তরের গেটে আঘাত করা হয়। এতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। একই সময় করাচির ইউনিভার্সিটি রোডের মিটিওরোলজিক্যাল চৌরাঙ্গি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ ও প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে