
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে হোয়াইট হাউস বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইউক্রেনে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার নির্ধারিত বৈঠক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু রাশিয়া সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। ফলে বৈঠকটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে এমন কোনো বৈঠকের সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।’
তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনার সময় ওয়াশিংটন জানায়, ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে কেবল তখনই, যদি মস্কো অন্তত সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। ল্যাভরভ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও পরে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বাস্তবসম্মত নয়। এর পরেই বৈঠক স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতা গ্রহণের সময় তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোই হবে তাঁর প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তবে মস্কোর অনমনীয় অবস্থান এবং ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের তীব্রতা দেখে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত সেই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে হোয়াইট হাউস বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইউক্রেনে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার নির্ধারিত বৈঠক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু রাশিয়া সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। ফলে বৈঠকটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে এমন কোনো বৈঠকের সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।’
তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনার সময় ওয়াশিংটন জানায়, ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে কেবল তখনই, যদি মস্কো অন্তত সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। ল্যাভরভ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও পরে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বাস্তবসম্মত নয়। এর পরেই বৈঠক স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতা গ্রহণের সময় তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোই হবে তাঁর প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তবে মস্কোর অনমনীয় অবস্থান এবং ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের তীব্রতা দেখে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত সেই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে