
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

১২ আগস্টের বিরল সূর্যগ্রহণ দেখতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের হাজারো মানুষ চোখের সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ চশমা ছাড়া সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো অনেকেই এখন চোখে তীব্র ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং কালো দাগ পড়ার কথা জানাচ্ছেন।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যেও ওই দিন সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। মহাজাগতিক এই দৃশ্য দেখতে হাজারো মানুষ বাইরে বের হন। তবে তাদের অনেকে কোনো সুরক্ষা চশমা ব্যবহার না করে খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকান।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্রিটিশ নাগরিক চোখের তীব্র ব্যথা ও দৃষ্টির সমস্যার কথা জানান। একজন লিখেছেন, তার মনে হচ্ছে তিনি অন্ধ হয়ে যাচ্ছেন।
চিকিৎসকদের মতে, খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে রেটিনা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ধরনের ক্ষতিকে সোলার রেটিনোপ্যাথি বলা হয়। সূর্যের অতিবেগুনি ও অবলোহিত রশ্মি রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানোর পর চোখে জ্বালা ও ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং চোখের সামনে কালো দাগ বা অন্ধকার দেখার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে সাময়িক বা স্থায়ী দৃষ্টিশক্তিও কমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের তেজ কম মনে হলেও খালি চোখে তাকানো নিরাপদ নয়। কারণ ক্ষতিকর রশ্মি চোখের ভেতরে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে, যার লক্ষণ অনেক সময় কয়েক ঘণ্টা পর প্রকাশ পায়।
এ কারণে সূর্যগ্রহণ দেখার সময় সোলার ফিল্টার বা অনুমোদিত বিশেষ গ্রহণ চশমা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। সাধারণ সানগ্লাস এ ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়।
খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখার পর চোখে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

১২ আগস্টের বিরল সূর্যগ্রহণ দেখতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের হাজারো মানুষ চোখের সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ চশমা ছাড়া সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো অনেকেই এখন চোখে তীব্র ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং কালো দাগ পড়ার কথা জানাচ্ছেন।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যেও ওই দিন সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। মহাজাগতিক এই দৃশ্য দেখতে হাজারো মানুষ বাইরে বের হন। তবে তাদের অনেকে কোনো সুরক্ষা চশমা ব্যবহার না করে খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকান।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্রিটিশ নাগরিক চোখের তীব্র ব্যথা ও দৃষ্টির সমস্যার কথা জানান। একজন লিখেছেন, তার মনে হচ্ছে তিনি অন্ধ হয়ে যাচ্ছেন।
চিকিৎসকদের মতে, খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে রেটিনা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ধরনের ক্ষতিকে সোলার রেটিনোপ্যাথি বলা হয়। সূর্যের অতিবেগুনি ও অবলোহিত রশ্মি রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানোর পর চোখে জ্বালা ও ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং চোখের সামনে কালো দাগ বা অন্ধকার দেখার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে সাময়িক বা স্থায়ী দৃষ্টিশক্তিও কমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের তেজ কম মনে হলেও খালি চোখে তাকানো নিরাপদ নয়। কারণ ক্ষতিকর রশ্মি চোখের ভেতরে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে, যার লক্ষণ অনেক সময় কয়েক ঘণ্টা পর প্রকাশ পায়।
এ কারণে সূর্যগ্রহণ দেখার সময় সোলার ফিল্টার বা অনুমোদিত বিশেষ গ্রহণ চশমা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। সাধারণ সানগ্লাস এ ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়।
খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখার পর চোখে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এই দুই স্থানে অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত করার পর উদ্ধারকারীরা জানতে পারেন, জেইতুন এলাকার ‘আল-মাঘরিবি’ পরিবারের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির নিচে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত ৪০ জনের মরদেহ চাপা পড়ে আছে। খবর পেয়েই সেখানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে সিভিল ডিফেন্সের দল।
১০ ঘণ্টা আগে
তেহরান বলছে, হরমুজ ‘ইরানের ছিল, ইরানের আছে এবং ইরানেরই থাকবে।’ এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ এই নৌ পথকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনাকে উসকে দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক ও জ্বালানি বাজারেও।
২০ ঘণ্টা আগে
উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপের সিকা জেলার প্রধান শহর মাউমেরেতেই এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও ছয়জন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন আটকা পড়েছেন।
১ দিন আগে
সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। ফলে এটি প্রাথমিক তথ্য এবং হতাহতের সংখ্যা পরবর্তীতে আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে