
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় ইউরোপকে নিজেদের অংশীদারত্ব নতুন করে ভাবতে হবে। কানাডার সঙ্গে সম্পর্ককে ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ নিয়ে যেতে চান বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, এই সহযোগিতা কারও বিরুদ্ধে নয়; বরং নিজেদের সক্ষমতা ও শক্তি বাড়ানোর জন্য।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব দেন। এ সময় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের এ প্রস্তাবে কার্নি তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে ফন ডার লিয়েনের ভাষণের সময় উপস্থিত কার্নিকে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান আইনপ্রণেতারা। বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে কার্নির।
ইইউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে অবশ্য আগে থেকেই আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন কানডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এর আগে তিনি বলেছিলেন, কানাডা ইইউয়ের পূর্ণ সদস্য হতে চাইছে না, বরং দুই পক্ষের মধ্যে একটি ‘অনন্য জোট’ গড়ে তুলতে চায়। গত রোববারও তিনি বলেন, কানাডা ও ইউরোপের মূল্যবোধ ও অগ্রাধিকার অনেক ক্ষেত্রে অভিন্ন এবং দুই পক্ষের সক্ষমতাও পরস্পরের পরিপূরক।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য ইউরোপের দেশ হওয়া মৌলিক শর্তগুলোর একটি। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক মানদণ্ড পূরণ করলেও কানাডা ভৌগোলিকভাবে ইউরোপের দেশ না হওয়ায় এর পক্ষে ইইউ সদস্য হওয়ার উপায় নেই।
এ অবস্থাতেই আলোচনায় এসেছে ‘অ্যাসোসিয়েট মেম্বার’ বা ‘সহযোগী সদস্য’ ধারণাটি, যা এখন পর্যন্ত ইইউয়ের কাঠামোতে নেই। ফলে কানাডাকে ইইউয়ের সহযোগী করতে হলে নতুন একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ফর ডার লিয়েন প্রস্তাবিত সহযোগী সদস্যপদে কী কী সুবিধা থাকবে, সেটিও এখনো নির্ধারিত হয়নি। আলোচনায় রয়েছে— বাণিজ্য বাধা কমানো, ইউরোপ ও কানাডার মধ্যে পানির নিচ দিয়ে ডেটা ক্যাবল স্থাপন, কানাডার গ্যাস ইউরোপে নেওয়ার জন্য জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিতে যৌথ বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার নাগরিকদের ইউরোপে ভিসামুক্তভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব প্রস্তাবের কোনটি চূড়ান্ত হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
ফন ডার লিয়েন তার ভাষণে উৎপাদন, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, এআই, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও ব্যাটারি খাতে সহযোগিতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। কানাডার সঙ্গে আর্কটিক অঞ্চল নিয়েও ইইউর সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি সামনে এসেছে।
এ উদ্যোগের পেছনে বড় একটি কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের অবনতি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে অটোয়ার বাণিজ্য বিরোধ ওঙ শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন অংশীদার খুঁজছে। একই সময়ে ট্রাম্প বারবার কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা কারনি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ইইউ ও কানাডার মধ্যে অবশ্য শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে অস্থায়ীভাবে কার্যকর কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (সেটা) দুপক্ষের বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৫ সালে ইইউ-কানাডার পণ্য ও সেবা বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৩০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালের তুলনায় এই বাণিজ্য ৮০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
তবে এত ঘনিষ্ঠতার পরও ‘সেটা চুক্তি’ এখনো ইইউয়ের সব সদস্যরাষ্ট্রের জাতীয় অনুমোদন পায়নি। ২৭ দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ তাদের জাতীয় অনুমোদন শেষ করেছে; বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, ফ্রান্স, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ার অনুমোদন এখনো বাকি।
কার্নি এরই মধ্যে ইইউয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, জ্বালানি, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর কাজ শুরু করেছেন। কানাডা চলতি বছর ইইউর বড় প্রতিরক্ষা ঋণ কর্মসূচিতেও যুক্ত হয়েছে।
তবে ফন ডার লিয়েনের প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত কোনো সদস্যপদ নয়। জার্মানিসহ কিছু ইউরোপীয় সরকার ‘সহযোগী সদস্য’ শব্দগুচ্ছ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে এবং নতুন ধরনের অংশীদারি নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। ফলে কানাডাকে ঘিরে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর এখন মূল প্রশ্ন— ইইউয়ের সঙ্গে এই ‘অনন্য জোট’ বাস্তবে কতটা গভীর হবে এবং ২৭ সদস্যরাষ্ট্র নতুন কাঠামোটিতে সম্মত হবে কি না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় ইউরোপকে নিজেদের অংশীদারত্ব নতুন করে ভাবতে হবে। কানাডার সঙ্গে সম্পর্ককে ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ নিয়ে যেতে চান বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, এই সহযোগিতা কারও বিরুদ্ধে নয়; বরং নিজেদের সক্ষমতা ও শক্তি বাড়ানোর জন্য।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব দেন। এ সময় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের এ প্রস্তাবে কার্নি তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে ফন ডার লিয়েনের ভাষণের সময় উপস্থিত কার্নিকে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান আইনপ্রণেতারা। বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে কার্নির।
ইইউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে অবশ্য আগে থেকেই আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন কানডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এর আগে তিনি বলেছিলেন, কানাডা ইইউয়ের পূর্ণ সদস্য হতে চাইছে না, বরং দুই পক্ষের মধ্যে একটি ‘অনন্য জোট’ গড়ে তুলতে চায়। গত রোববারও তিনি বলেন, কানাডা ও ইউরোপের মূল্যবোধ ও অগ্রাধিকার অনেক ক্ষেত্রে অভিন্ন এবং দুই পক্ষের সক্ষমতাও পরস্পরের পরিপূরক।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য ইউরোপের দেশ হওয়া মৌলিক শর্তগুলোর একটি। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক মানদণ্ড পূরণ করলেও কানাডা ভৌগোলিকভাবে ইউরোপের দেশ না হওয়ায় এর পক্ষে ইইউ সদস্য হওয়ার উপায় নেই।
এ অবস্থাতেই আলোচনায় এসেছে ‘অ্যাসোসিয়েট মেম্বার’ বা ‘সহযোগী সদস্য’ ধারণাটি, যা এখন পর্যন্ত ইইউয়ের কাঠামোতে নেই। ফলে কানাডাকে ইইউয়ের সহযোগী করতে হলে নতুন একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে।
ফর ডার লিয়েন প্রস্তাবিত সহযোগী সদস্যপদে কী কী সুবিধা থাকবে, সেটিও এখনো নির্ধারিত হয়নি। আলোচনায় রয়েছে— বাণিজ্য বাধা কমানো, ইউরোপ ও কানাডার মধ্যে পানির নিচ দিয়ে ডেটা ক্যাবল স্থাপন, কানাডার গ্যাস ইউরোপে নেওয়ার জন্য জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিতে যৌথ বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার নাগরিকদের ইউরোপে ভিসামুক্তভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব প্রস্তাবের কোনটি চূড়ান্ত হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
ফন ডার লিয়েন তার ভাষণে উৎপাদন, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, এআই, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও ব্যাটারি খাতে সহযোগিতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। কানাডার সঙ্গে আর্কটিক অঞ্চল নিয়েও ইইউর সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি সামনে এসেছে।
এ উদ্যোগের পেছনে বড় একটি কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের অবনতি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে অটোয়ার বাণিজ্য বিরোধ ওঙ শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন অংশীদার খুঁজছে। একই সময়ে ট্রাম্প বারবার কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা কারনি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ইইউ ও কানাডার মধ্যে অবশ্য শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে অস্থায়ীভাবে কার্যকর কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (সেটা) দুপক্ষের বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৫ সালে ইইউ-কানাডার পণ্য ও সেবা বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৩০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ইউরো। ২০১৬ সালের তুলনায় এই বাণিজ্য ৮০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
তবে এত ঘনিষ্ঠতার পরও ‘সেটা চুক্তি’ এখনো ইইউয়ের সব সদস্যরাষ্ট্রের জাতীয় অনুমোদন পায়নি। ২৭ দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ তাদের জাতীয় অনুমোদন শেষ করেছে; বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, ফ্রান্স, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ার অনুমোদন এখনো বাকি।
কার্নি এরই মধ্যে ইইউয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, জ্বালানি, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর কাজ শুরু করেছেন। কানাডা চলতি বছর ইইউর বড় প্রতিরক্ষা ঋণ কর্মসূচিতেও যুক্ত হয়েছে।
তবে ফন ডার লিয়েনের প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত কোনো সদস্যপদ নয়। জার্মানিসহ কিছু ইউরোপীয় সরকার ‘সহযোগী সদস্য’ শব্দগুচ্ছ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে এবং নতুন ধরনের অংশীদারি নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। ফলে কানাডাকে ঘিরে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর এখন মূল প্রশ্ন— ইইউয়ের সঙ্গে এই ‘অনন্য জোট’ বাস্তবে কতটা গভীর হবে এবং ২৭ সদস্যরাষ্ট্র নতুন কাঠামোটিতে সম্মত হবে কি না।

আল-মানসুরিতে ইসরায়েলি বাহিনীর শক্তিশালী বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের গ্রামগুলো কেঁপে ওঠে। এছাড়া হাদ্দাতা শহরের উপকণ্ঠে ভারী মেশিনগান থেকে একযোগে গুলিবর্ষণ এবং কামানের গোলাবর্ষণ করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে আগেই পাস হয়েছিল ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন’। বুধবার নিম্নকক্ষে পাসের পর এখন বিলটি যাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে। সেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিলে স্বাক্ষর করামাত্র কার্যকর আইনে পরিণত হবে সেটি।
৭ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, মোদি ‘সোজা হয়ে শুয়ে’ ট্রাম্পের সামনে নতজানু হয়েছেন। ভারতীয়দের ওপর ‘ইউপিআই ট্যাক্স’ চাপিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি মোদিকে ‘মেরুদণ্ড সোজা করে’ নতুন ফি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা তিন হাজার ৩৪০ ডলার খরচ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গোলাবারুদ ও অস্ত্র ব্যবহারেই ব্যয় হয়েছে ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে মার্
১৮ ঘণ্টা আগে