
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র জবাবে সামরিক অভিযান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তানও। দেশটি এ অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন বানিয়ান-উন-মারসুস’। কী অর্থ এই শব্দগুচ্ছের? কেন এ নামটিই বেছে নিয়েছে পাকিস্তান?
শনিবার (১০ মে) ভোরের দিকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ‘অপারেশন বানিয়ান-উন-মারসুস’ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে রেডিও পাকিস্তান।
জানা যাচ্ছে, ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’ আরবি শব্দগুচ্ছটির আভিধানিক অর্থ ‘দৃঢ় কাঠামো’ বা ‘দৃঢ় ভিত্তি’। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার একে ‘সীসার ধাতু দিয়ে নির্মিত সুরক্ষিত প্রাচীর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বেছে নেওয়া এই সামরিক অভিযানের নাম ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’ একটি আরবি শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ ‘সীসায় নির্মিত একটি কঠিন কাঠামো’। এটি আল-কোরআনের একটি সুরার আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে।
কোরআন শরিফের ৬১ নাম্বার সুরা আস-সাফের ৪ নম্বর ওই আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন, যারা তার পথে যুদ্ধ করে সুচারুভাবে সংগঠিত হয়ে, যেন তারা একটি সীসার বাঁধানো প্রাচীর।’
আল-কোরআনের ওই আয়াতের প্রেক্ষাপটে এই শব্দগুচ্ছটি ইসলামের অনুসারীদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে থাকেন।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও তার এক্স হ্যান্ডেলের এক পোস্টে কোরআন শরিফের ওই আয়াতটি উল্লেখ করেন। ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’কে সীসানির্মিত প্রাচীর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, যখন যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন ঐক্যবদ্ধভাবে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সহায় ও সাহায্যকারী হবেন।
এদিকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলমান এই সংঘাতে দুপক্ষই পালটাপালটি হামলার অভিযোগ অব্যাহত রেখেছে। পাকিস্তান বলছে, রাজধানী ইসলামাদের ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রাওয়ালপিন্ডির একটি সামরিক ঘাঁটিসহ তিনটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ভারত। অপারেশন ‘বানিয়ান-উন-মারসুসে’র মাধ্যমে তারা ভারতীয় হামলার জবাব দিচ্ছে।
অন্যদিকে ভারত বলছে, তাদের সামরিক ঘাঁটি কেবল নয়, বেসামরিক স্থাপনা ও নাগরিকদের ওপরও হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান। ভারতশাসিত কাশ্মির ছাড়াও পাঞ্জাব ও গুজরাটের বিভিন্ন শহরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান কেবল ভারতের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার কথা স্বীকার করেছে।

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র জবাবে সামরিক অভিযান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তানও। দেশটি এ অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন বানিয়ান-উন-মারসুস’। কী অর্থ এই শব্দগুচ্ছের? কেন এ নামটিই বেছে নিয়েছে পাকিস্তান?
শনিবার (১০ মে) ভোরের দিকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ‘অপারেশন বানিয়ান-উন-মারসুস’ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে রেডিও পাকিস্তান।
জানা যাচ্ছে, ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’ আরবি শব্দগুচ্ছটির আভিধানিক অর্থ ‘দৃঢ় কাঠামো’ বা ‘দৃঢ় ভিত্তি’। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার একে ‘সীসার ধাতু দিয়ে নির্মিত সুরক্ষিত প্রাচীর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বেছে নেওয়া এই সামরিক অভিযানের নাম ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’ একটি আরবি শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ ‘সীসায় নির্মিত একটি কঠিন কাঠামো’। এটি আল-কোরআনের একটি সুরার আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে।
কোরআন শরিফের ৬১ নাম্বার সুরা আস-সাফের ৪ নম্বর ওই আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন, যারা তার পথে যুদ্ধ করে সুচারুভাবে সংগঠিত হয়ে, যেন তারা একটি সীসার বাঁধানো প্রাচীর।’
আল-কোরআনের ওই আয়াতের প্রেক্ষাপটে এই শব্দগুচ্ছটি ইসলামের অনুসারীদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে থাকেন।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও তার এক্স হ্যান্ডেলের এক পোস্টে কোরআন শরিফের ওই আয়াতটি উল্লেখ করেন। ‘বানিয়ান-উন-মারসুস’কে সীসানির্মিত প্রাচীর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, যখন যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন ঐক্যবদ্ধভাবে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সহায় ও সাহায্যকারী হবেন।
এদিকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলমান এই সংঘাতে দুপক্ষই পালটাপালটি হামলার অভিযোগ অব্যাহত রেখেছে। পাকিস্তান বলছে, রাজধানী ইসলামাদের ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রাওয়ালপিন্ডির একটি সামরিক ঘাঁটিসহ তিনটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ভারত। অপারেশন ‘বানিয়ান-উন-মারসুসে’র মাধ্যমে তারা ভারতীয় হামলার জবাব দিচ্ছে।
অন্যদিকে ভারত বলছে, তাদের সামরিক ঘাঁটি কেবল নয়, বেসামরিক স্থাপনা ও নাগরিকদের ওপরও হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান। ভারতশাসিত কাশ্মির ছাড়াও পাঞ্জাব ও গুজরাটের বিভিন্ন শহরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান কেবল ভারতের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার কথা স্বীকার করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে