
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে একটি শান্তি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় ফোনালাপ এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিশেষ আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে রণকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তবে এটি এখনো ‘চূড়ান্ত অনুমোদনের’ অপেক্ষায় রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এবং ‘অন্যান্য দেশ’ মিলে সম্পন্ন করবে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও তিনি আলাদভাবে কথা বলেছেন।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘চুক্তির চূড়ান্ত দিকগুলো ও বিস্তারিত বিষয় এখন আলোচনা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।’
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, হামলা পুনরায় শুরু করার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে তা ‘স্থগিত’ করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বিবৃতি এসেছে এমন সময়, যখন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির শনিবার ইরান সফর শেষ করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, সফরটি ‘সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ ছিল।
তেহরানের কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। কারণ, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র আগে দু’বার ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল বলে তাদের অভিযোগ।
রাজনীতি/এসআর

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে একটি শান্তি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় ফোনালাপ এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিশেষ আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে রণকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তবে এটি এখনো ‘চূড়ান্ত অনুমোদনের’ অপেক্ষায় রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এবং ‘অন্যান্য দেশ’ মিলে সম্পন্ন করবে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও তিনি আলাদভাবে কথা বলেছেন।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘চুক্তির চূড়ান্ত দিকগুলো ও বিস্তারিত বিষয় এখন আলোচনা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।’
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, হামলা পুনরায় শুরু করার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে তা ‘স্থগিত’ করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বিবৃতি এসেছে এমন সময়, যখন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির শনিবার ইরান সফর শেষ করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, সফরটি ‘সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ ছিল।
তেহরানের কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। কারণ, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র আগে দু’বার ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল বলে তাদের অভিযোগ।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে