
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী আবাসন আবেদনকারীদের আবেদন পর্যালোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে বলে জারি করা নির্দেশনা নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানিয়েছে, স্থায়ী আবাসনের আবেদন পর্যালোনাধীন থাকা অবস্থায় অধিকাংশ আবেদনকারীকেই যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে না।
গত সপ্তাহে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) এক বিবৃতিতে অভিবাসন সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা জারি করে। তাতে বলা হয়, ‘অস্বাভাবিক’ পরিস্থিতি ছাড়া স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
এ নির্দেশনায় অভিবাসী, নিয়োগকর্তা ও অভিবাসন আইনজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ উদ্বেগ দূর করতেই মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট অভিবাসন আবেদন নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বর্তমানে যোগ্য অভিবাসীরা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ নামক একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী আবাসনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। সাধারণত কোনো নিয়োগকর্তা বা ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য এই আবেদনকারীদের স্পন্সর করে থাকেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে যে অভিবাসন নীতিমালায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ফলে কোনো আবেদনকারীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হবে কি না, তা মামলাভেদে নির্ধারণ করার ক্ষমতা অভিবাসন কর্মকর্তাদের রয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এ ব্যাখ্যাকে গত সপ্তাহের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের ঘোষণার তুলনায় অনেকটাই নমনীয় অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে অভিবাসীদের নিয়ে নতুন এই বিতর্কের সূচনা ইউএসসিআইএসের মুখপাত্র জ্যাক চালারের গত সপ্তাহের এক বক্তব্যের সূত্র ধরে। জ্যাক জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া চলাকালে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
জ্যাক চালারের ওই বক্তব্য প্রকাশ করেছিল ব্লুমবার্গ। চালার বলেন, এখন থেকে কোনো বিদেশি নাগরিক, যিনি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে ব্যতিক্রমী বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছাড়া আবেদনের জন্য অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
চালারের এ বক্তব্যে অভিবাসী সম্প্রদায়সহ বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৪ সালে প্রায় ১৪ লাখ গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে করা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ আবেদনের মাধ্যমে। গত সপ্তাহের নির্দেশনাটি সেই দীর্ঘদিনের চর্চাকেই চ্যালেঞ্জ করেছিল।
তবে ডিএইচএস জানিয়েছে, বিদ্যমান নীতির মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে। এক মুখপাত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, একজন আবেদনকারীকে দেশের বাইরে থেকে স্থায়ী রেসিডেন্সির প্রক্রিয়া চালাতে হবে কি না, তা অভিবাসন কর্মকর্তারা নির্ধারণ করবেন, যে রীতি আগের নিয়মেও একই ছিল।

গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী আবাসন আবেদনকারীদের আবেদন পর্যালোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে বলে জারি করা নির্দেশনা নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানিয়েছে, স্থায়ী আবাসনের আবেদন পর্যালোনাধীন থাকা অবস্থায় অধিকাংশ আবেদনকারীকেই যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে না।
গত সপ্তাহে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) এক বিবৃতিতে অভিবাসন সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা জারি করে। তাতে বলা হয়, ‘অস্বাভাবিক’ পরিস্থিতি ছাড়া স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
এ নির্দেশনায় অভিবাসী, নিয়োগকর্তা ও অভিবাসন আইনজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ উদ্বেগ দূর করতেই মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট অভিবাসন আবেদন নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বর্তমানে যোগ্য অভিবাসীরা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ নামক একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী আবাসনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। সাধারণত কোনো নিয়োগকর্তা বা ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য এই আবেদনকারীদের স্পন্সর করে থাকেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে যে অভিবাসন নীতিমালায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ফলে কোনো আবেদনকারীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হবে কি না, তা মামলাভেদে নির্ধারণ করার ক্ষমতা অভিবাসন কর্মকর্তাদের রয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এ ব্যাখ্যাকে গত সপ্তাহের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের ঘোষণার তুলনায় অনেকটাই নমনীয় অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে অভিবাসীদের নিয়ে নতুন এই বিতর্কের সূচনা ইউএসসিআইএসের মুখপাত্র জ্যাক চালারের গত সপ্তাহের এক বক্তব্যের সূত্র ধরে। জ্যাক জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া চলাকালে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
জ্যাক চালারের ওই বক্তব্য প্রকাশ করেছিল ব্লুমবার্গ। চালার বলেন, এখন থেকে কোনো বিদেশি নাগরিক, যিনি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে ব্যতিক্রমী বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছাড়া আবেদনের জন্য অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।
চালারের এ বক্তব্যে অভিবাসী সম্প্রদায়সহ বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৪ সালে প্রায় ১৪ লাখ গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে করা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ আবেদনের মাধ্যমে। গত সপ্তাহের নির্দেশনাটি সেই দীর্ঘদিনের চর্চাকেই চ্যালেঞ্জ করেছিল।
তবে ডিএইচএস জানিয়েছে, বিদ্যমান নীতির মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে। এক মুখপাত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, একজন আবেদনকারীকে দেশের বাইরে থেকে স্থায়ী রেসিডেন্সির প্রক্রিয়া চালাতে হবে কি না, তা অভিবাসন কর্মকর্তারা নির্ধারণ করবেন, যে রীতি আগের নিয়মেও একই ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা ইরান থেকে বেরিয়ে আসব, যদি না আমরা সেখানে থেকে যাওয়ার এবং ভেনেজুয়েলার মতো তেল নিজেদের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’ তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে রাজস্ব পাচ্ছে, তা দিয়ে ‘অনেকবার যুদ্ধের খরচ’ মেটানো হয়ে গেছে।
১ দিন আগে
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে