মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ট্রাম্পের, জানালেন অভিনন্দন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২: ৫০
মক্কায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর (বাঁ থেকে) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (বাঁয়ে) এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিন দেশের এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আরব নিউজের খবরে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান সম্প্রতি এবং অবশেষে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় আমি খুবই আনন্দিত।’

ট্রাম্প বলেন, এই চুক্তি দেখাচ্ছে, কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে এবং কীভাবে দেশগুলো শেষ পর্যন্ত আরও কার্যকরভাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা করতে পারবে। তার ভাষায়, এটি একটি ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’।

মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে এমন এক সময়ে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি হলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের মিত্র হুতি বিদ্রোহীদের হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় এরই মধ্যে অঞ্চলটিতে সহিংসতাও আরও বেড়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর লক্ষ্য হলো ‘সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা’।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান নিজেদের সম্মিলিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।

এ ছাড়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরাক থেকে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।

১৩ ঘণ্টা আগে

সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।

১৫ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধের পরিণতি কি আফগানিস্তান-ইরাকের মতো হবে?

ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও

১৬ ঘণ্টা আগে

ব্রিকসে ইরান-আমিরাত বরফ গলার আভাস

ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ

১ দিন আগে
Advertisement