
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা ও বাব এল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ মায়ুন দ্বীপ দখলের পর হুতিদের বিরুদ্ধে পালটা হামলা জোরদার করেছে দেশটির সরকার। অন্যদিকে গত ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি আরব ইয়েমেনে ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। একই সময়ে সৌদি ভূখণ্ডেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে গোষ্ঠীটি।
শনিবার ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী জানায়, লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে বলা হয়, মোখার কাছে হামলায় হুতিদের কয়েকটি যান ও অস্ত্র ধ্বংস এবং বেশ কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। মোখা-ধুবাব সড়কেও হুতিদের যান ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এর আগে বৃহস্পতিবার হুতিরা মোখার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরদিন মায়ুন দ্বীপও দখল করে তারা। এর ফলে বাব এল-মান্দেব প্রণালির ইয়েমেনি অংশে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। বৈশ্বিক তেল ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের তাইজ, মারিব, হোদেইদা, আল-জাওফ, সাদা, আমরান ও হাজ্জাহ প্রদেশে ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, হামলায় সৌদি বিমানবাহিনীর এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সৌদি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।
অন্যদিকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পালটা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতিরা। রোববার গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ঘাঁটির অস্ত্রভাণ্ডার ও কমান্ড-নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করা হয়।
এর আগে সৌদি আরবের আভা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরান শহরে হুতিদের হামলায় ৭৩ জন আহত হন। রোববার সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, জিজানের আল-তুয়াল এলাকায় হুতিদের ছোড়া একটি প্রজেক্টাইলে দুজন আহত এবং একটি মসজিদসহ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বলছে, তারা মোখা ঘিরে হারানো ভূখণ্ড পুনর্দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য ও মারিবের গভর্নর সুলতান আল-আরাদা জানিয়েছেন, পশ্চিম উপকূল থেকে সরে যাওয়া সরকারি বাহিনী মারিবে পুনর্গঠিত হচ্ছে এবং আবার যুদ্ধে ফিরবে। তাঁর দাবি, লড়াইয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য রাজধানী সানা পুনর্দখল।
এদিকে মারিবের উপকণ্ঠ, তাইজ ও আল-জাওফসহ কয়েকটি ফ্রন্টে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিভাজন হুতিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা ঠেকানোর পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর মানবিক পরিস্থিতিও দ্রুত অবনতি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে লড়াইয়ে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি ইয়েমেনি প্রতিবেশী জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। মোখায় জাতিসংঘের শক্তিশালী উপস্থিতি থাকলেও শহরটির পতনের পর দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা হুতিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানালেও তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইয়েমেনের হুতিরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়। একই সঙ্গে সৌদি অবরোধের অবসান এবং রিয়াদের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে ইরান।

ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা ও বাব এল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ মায়ুন দ্বীপ দখলের পর হুতিদের বিরুদ্ধে পালটা হামলা জোরদার করেছে দেশটির সরকার। অন্যদিকে গত ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি আরব ইয়েমেনে ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। একই সময়ে সৌদি ভূখণ্ডেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে গোষ্ঠীটি।
শনিবার ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী জানায়, লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে বলা হয়, মোখার কাছে হামলায় হুতিদের কয়েকটি যান ও অস্ত্র ধ্বংস এবং বেশ কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। মোখা-ধুবাব সড়কেও হুতিদের যান ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এর আগে বৃহস্পতিবার হুতিরা মোখার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরদিন মায়ুন দ্বীপও দখল করে তারা। এর ফলে বাব এল-মান্দেব প্রণালির ইয়েমেনি অংশে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। বৈশ্বিক তেল ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের তাইজ, মারিব, হোদেইদা, আল-জাওফ, সাদা, আমরান ও হাজ্জাহ প্রদেশে ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, হামলায় সৌদি বিমানবাহিনীর এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সৌদি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।
অন্যদিকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পালটা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতিরা। রোববার গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ঘাঁটির অস্ত্রভাণ্ডার ও কমান্ড-নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করা হয়।
এর আগে সৌদি আরবের আভা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরান শহরে হুতিদের হামলায় ৭৩ জন আহত হন। রোববার সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, জিজানের আল-তুয়াল এলাকায় হুতিদের ছোড়া একটি প্রজেক্টাইলে দুজন আহত এবং একটি মসজিদসহ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বলছে, তারা মোখা ঘিরে হারানো ভূখণ্ড পুনর্দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য ও মারিবের গভর্নর সুলতান আল-আরাদা জানিয়েছেন, পশ্চিম উপকূল থেকে সরে যাওয়া সরকারি বাহিনী মারিবে পুনর্গঠিত হচ্ছে এবং আবার যুদ্ধে ফিরবে। তাঁর দাবি, লড়াইয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য রাজধানী সানা পুনর্দখল।
এদিকে মারিবের উপকণ্ঠ, তাইজ ও আল-জাওফসহ কয়েকটি ফ্রন্টে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিভাজন হুতিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা ঠেকানোর পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর মানবিক পরিস্থিতিও দ্রুত অবনতি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে লড়াইয়ে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি ইয়েমেনি প্রতিবেশী জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। মোখায় জাতিসংঘের শক্তিশালী উপস্থিতি থাকলেও শহরটির পতনের পর দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা হুতিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানালেও তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইয়েমেনের হুতিরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়। একই সঙ্গে সৌদি অবরোধের অবসান এবং রিয়াদের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে ইরান।

সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ
১ দিন আগে
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন, পিস টিভিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরুর পর ২০১৬ সালে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে দেশটিতে তাকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়।
১ দিন আগে