
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মুখে নিজেদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে এক জরুরি সরকারি এভিয়েশন নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়, পূর্বানুমতিপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সিভিল ফ্লাইট ব্যতীত সব ধরনের বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে।
দেশজুড়ে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তেহরানের এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে জি-৭ রাষ্ট্রগুলোর কঠোর নিন্দার মাঝে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের এই পদক্ষেপ ইরানের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিরই বহিঃপ্রকাশ।
'নোটিশ টু এয়ার মিশনস' (এনওটিএএম)-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরানের আকাশসীমা ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এই সময়ে শুধুমাত্র সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পূর্বানুমতি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ইরানে প্রবেশকারী বা ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং অন্যান্য সব ধরনের বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বর্তমানে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখা হচ্ছে বলে তাকে অবহিত করা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
বিক্ষোভকারীদের প্রতি বারবার সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র 'খুব কঠোর ব্যবস্থা' নিতে পারে।
এছাড়া, জি-৭ এর সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও বিক্ষোভকারীদের ওপর 'ইচ্ছাকৃত সহিংসতার' নিন্দা জানিয়েছেন। তারা ইরান সরকারকে সংযম প্রদর্শন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ইরানি কর্মকর্তারা এই বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিক্ষোভ নিয়ে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, ডিসেম্বরের শেষ দিকে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।

ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মুখে নিজেদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে এক জরুরি সরকারি এভিয়েশন নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়, পূর্বানুমতিপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সিভিল ফ্লাইট ব্যতীত সব ধরনের বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে।
দেশজুড়ে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তেহরানের এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে জি-৭ রাষ্ট্রগুলোর কঠোর নিন্দার মাঝে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের এই পদক্ষেপ ইরানের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিরই বহিঃপ্রকাশ।
'নোটিশ টু এয়ার মিশনস' (এনওটিএএম)-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরানের আকাশসীমা ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এই সময়ে শুধুমাত্র সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পূর্বানুমতি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ইরানে প্রবেশকারী বা ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং অন্যান্য সব ধরনের বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বর্তমানে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখা হচ্ছে বলে তাকে অবহিত করা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
বিক্ষোভকারীদের প্রতি বারবার সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র 'খুব কঠোর ব্যবস্থা' নিতে পারে।
এছাড়া, জি-৭ এর সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও বিক্ষোভকারীদের ওপর 'ইচ্ছাকৃত সহিংসতার' নিন্দা জানিয়েছেন। তারা ইরান সরকারকে সংযম প্রদর্শন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ইরানি কর্মকর্তারা এই বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিক্ষোভ নিয়ে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, ডিসেম্বরের শেষ দিকে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় তারই ছেলে মুজতবা খামেনি বরাবরই আলোচনায় ছিলেন। ৫৬ বছর বয়সী এই আলেমকে কট্টরপন্থি ধারার ধারক হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, বাবার মতাদর্শের অনুসারী তিনি। তবে কখনো সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন করেননি তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছিলেন, খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের বর্তমান নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। কিন্তু সেটি উড়িয়ে দিয়েছিল তেহরান।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল সামরিক বাহিনী বা আইডিএফ টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে "অসংখ্য গোলাবারুদ" নিক্ষেপ করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত অবনতি হওয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে ১৪টি দেশ অবিলম্বে ত্যাগ করতে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
১৬ ঘণ্টা আগে