
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে পোল্যান্ড। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী বারবারা নোওয়াকা।
বুধবার (১৮ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নওয়াকা বলেন, স্কুলব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বড় আইনি সংস্কারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর আওতায় ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
পোল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা অনুযায়ী, ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা প্রাথমিক স্তরে পড়ে। সরকার মনে করছে, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তাদের আচরণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষামন্ত্রী নোওয়াকা বলেন, স্কুলে মোবাইল ব্যবহার কোনোভাবেই ‘স্বাভাবিক’ বিষয় হতে পারে না, কারণ শিশুদের ইন্টারনেট নির্ভরতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেছিলেন নোওয়াকা। এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সরকারের আইনি দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে।
শুধু পোল্যান্ড নয়, শিশুদের মানসিক ও আচরণগত সুরক্ষায় এরই মধ্যে নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইতালি স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়া কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছ। দেশটি ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব জুড়ে শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল আসক্তি নিয়ন্ত্রণে সরকারগুলো এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি খাত ও শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে পোল্যান্ড। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী বারবারা নোওয়াকা।
বুধবার (১৮ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নওয়াকা বলেন, স্কুলব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বড় আইনি সংস্কারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর আওতায় ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
পোল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা অনুযায়ী, ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা প্রাথমিক স্তরে পড়ে। সরকার মনে করছে, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তাদের আচরণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষামন্ত্রী নোওয়াকা বলেন, স্কুলে মোবাইল ব্যবহার কোনোভাবেই ‘স্বাভাবিক’ বিষয় হতে পারে না, কারণ শিশুদের ইন্টারনেট নির্ভরতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেছিলেন নোওয়াকা। এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সরকারের আইনি দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে।
শুধু পোল্যান্ড নয়, শিশুদের মানসিক ও আচরণগত সুরক্ষায় এরই মধ্যে নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইতালি স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়া কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছ। দেশটি ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব জুড়ে শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল আসক্তি নিয়ন্ত্রণে সরকারগুলো এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি খাত ও শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে