
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় এক বছর ধরে চলা কূটনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে আবারও সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে লাতিন আমেরিকার দুই দেশ মেক্সিকো ও পেরু। পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেটসি শ্যাভেজকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধ মিটিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক সম্পর্কে ফিরল দেশ দুটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৭ আগস্ট) পৃথক ঘোষণায় মেক্সিকো ও পেরু জানায়, তারা আবারও স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করতে সম্মত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পথ উন্মুক্ত হলো।
পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেটসি শ্যাভেজকে মেক্সিকোতে যাওয়ার জন্য নিরাপদে দেশত্যাগের অনুমতি (সেফ-কন্ডাক্ট) দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে তার প্রত্যর্পণ চাওয়ার অধিকারও সংরক্ষণ করে রেখেছে পেরু। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস এসপা স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপিকে জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের কিছু আগে শ্যাভেজ সুস্থ অবস্থায় মেক্সিকোর উদ্দেশে দেশ ছাড়েন।
গত বছরের শেষ দিকে বেটসি শ্যাভেজকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে যায়। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিয়ো কংগ্রেস ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করলে সেটিকে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই ঘটনার পর কাস্তিয়ো ক্ষমতাচ্যুত হন এবং পরে তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়।
একই ঘটনায় ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেটসি শ্যাভেজ। পরে তিনি মেক্সিকোর দূতাবাসে আশ্রয় নিলে মেক্সিকো সরকার তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। এর প্রতিবাদে পেরু মেক্সিকোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। পরে দেশটির কংগ্রেস মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউমকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণা করে।
অন্যদিকে, মেক্সিকো শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় মানবিক বিবেচনায় শ্যাভেজকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং এটি পেরুর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ নয়।
রয়টার্স লিখেছে, সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনর্গঠনের উদ্যোগও নিয়েছে।
২০২৩ সালের শুরু থেকেই পেরু ও মেক্সিকোর মধ্যে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব কার্যত বন্ধ ছিল। এ সময়েও মেক্সিকো পেদ্রো কাস্তিয়োর স্ত্রী ও সন্তানদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে রেখেছিল, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। বর্তমানে কাস্তিয়ো ১১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শ্যাভেজকে নিরাপদে মেক্সিকোতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া শুধু মানবিক বা আইনি পদক্ষেপ নয়; এটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমঝোতাও। এর ফলে বাণিজ্য, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে পেরু ও মেক্সিকোর সমন্বয় আবারও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রায় এক বছর ধরে চলা কূটনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে আবারও সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে লাতিন আমেরিকার দুই দেশ মেক্সিকো ও পেরু। পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেটসি শ্যাভেজকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধ মিটিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক সম্পর্কে ফিরল দেশ দুটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৭ আগস্ট) পৃথক ঘোষণায় মেক্সিকো ও পেরু জানায়, তারা আবারও স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করতে সম্মত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পথ উন্মুক্ত হলো।
পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেটসি শ্যাভেজকে মেক্সিকোতে যাওয়ার জন্য নিরাপদে দেশত্যাগের অনুমতি (সেফ-কন্ডাক্ট) দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে তার প্রত্যর্পণ চাওয়ার অধিকারও সংরক্ষণ করে রেখেছে পেরু। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস এসপা স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপিকে জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের কিছু আগে শ্যাভেজ সুস্থ অবস্থায় মেক্সিকোর উদ্দেশে দেশ ছাড়েন।
গত বছরের শেষ দিকে বেটসি শ্যাভেজকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে যায়। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিয়ো কংগ্রেস ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করলে সেটিকে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই ঘটনার পর কাস্তিয়ো ক্ষমতাচ্যুত হন এবং পরে তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়।
একই ঘটনায় ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেটসি শ্যাভেজ। পরে তিনি মেক্সিকোর দূতাবাসে আশ্রয় নিলে মেক্সিকো সরকার তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। এর প্রতিবাদে পেরু মেক্সিকোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। পরে দেশটির কংগ্রেস মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউমকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণা করে।
অন্যদিকে, মেক্সিকো শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় মানবিক বিবেচনায় শ্যাভেজকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং এটি পেরুর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ নয়।
রয়টার্স লিখেছে, সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনর্গঠনের উদ্যোগও নিয়েছে।
২০২৩ সালের শুরু থেকেই পেরু ও মেক্সিকোর মধ্যে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব কার্যত বন্ধ ছিল। এ সময়েও মেক্সিকো পেদ্রো কাস্তিয়োর স্ত্রী ও সন্তানদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে রেখেছিল, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। বর্তমানে কাস্তিয়ো ১১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শ্যাভেজকে নিরাপদে মেক্সিকোতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া শুধু মানবিক বা আইনি পদক্ষেপ নয়; এটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমঝোতাও। এর ফলে বাণিজ্য, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে পেরু ও মেক্সিকোর সমন্বয় আবারও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, স্কুলে যাওয়ার আগে সে তার দাদা-দাদিকে হত্যা করে। এরপর ননথাবুরির ডেবসিরিন স্কুলে গিয়ে পাঁচ শিক্ষককে গুলি করে। পরে সে নিজেকেও গুলি করে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
সেউতার মেয়র জুয়ান জেসুস ভিভাস লারা এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, সংকট এখনও কাটেনি। অন্তত ৮০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর একটি বড় অংশ ফেরত গেলেও এখনও ৩ থেকে ৫ হাজার মানুষ শহরের ভেতরে অবস্থান করছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানায়, শুক্রবারই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা। পরে এক তুর্কি কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি আঞ্চলিক সূত্রের ভাষ্য, চুক্তিটি সই হলেও শুক্রবারই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে