
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল (আগমনের পর ভিসা) সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সৌদি আরব। ফলে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈধ ভিসা কিংবা আবাসিক অনুমতিপত্র (রেসিডেন্সি পারমিট) থাকলেও এসব দেশের নাগরিকরা আর এই সুবিধায় সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন না।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের একটি অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যস্ত হজ মৌসুমে প্রয়োজনীয় পরিচালনাগত সমন্বয়ের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
তবে সৌদি আরব থেকে আগে থেকেই সরাসরি ইস্যু করা সাধারণ পর্যটক (ট্যুরিস্ট) ভিসাধারীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন না।
স্থগিতাদেশের আওতায় থাকা দেশগুলো হলো— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইথিওপিয়া, সুদান, ইয়েমেন ও ইরাক।
নতুন এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে ওমরাহ যাত্রীদের ওপর পড়তে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইবিরোনকে খাদিজাহ কোয়াদরি নামে নাইজেরিয়ার এক ব্যবহারকারী জানান, যুক্তরাজ্য থেকে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যেতে চাওয়া তার এক পরিচিত ব্যক্তি ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন।
তিনি ভ্রমণকারীদের সতর্ক করে বলেন, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি যুক্তরাজ্য বা অন্য কোনো দেশের ভিসার ভিত্তিতে সৌদি আরবে যেতে চান, তাহলে যাত্রার আগে অবশ্যই সৌদি আরবের ট্যুরিস্ট ভিসা বা উপযুক্ত অন্য ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। তার দাবি, বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে নতুন নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছেন।
বিমান চলাচল-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ডেস্ক থেকেও তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যাত্রীদের বোর্ডিংয়ের আগে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি ও বৈধ ভিসা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছেন, এই স্থগিতাদেশ কেবল হজ মৌসুম পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে অনেকের মতে, এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। নাইজেরিয়ার লাগোস অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের এক সহকারীও জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহ আগেই তিনি একই নিয়মের কারণে সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল (আগমনের পর ভিসা) সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সৌদি আরব। ফলে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈধ ভিসা কিংবা আবাসিক অনুমতিপত্র (রেসিডেন্সি পারমিট) থাকলেও এসব দেশের নাগরিকরা আর এই সুবিধায় সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন না।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের একটি অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যস্ত হজ মৌসুমে প্রয়োজনীয় পরিচালনাগত সমন্বয়ের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
তবে সৌদি আরব থেকে আগে থেকেই সরাসরি ইস্যু করা সাধারণ পর্যটক (ট্যুরিস্ট) ভিসাধারীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন না।
স্থগিতাদেশের আওতায় থাকা দেশগুলো হলো— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইথিওপিয়া, সুদান, ইয়েমেন ও ইরাক।
নতুন এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে ওমরাহ যাত্রীদের ওপর পড়তে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইবিরোনকে খাদিজাহ কোয়াদরি নামে নাইজেরিয়ার এক ব্যবহারকারী জানান, যুক্তরাজ্য থেকে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যেতে চাওয়া তার এক পরিচিত ব্যক্তি ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন।
তিনি ভ্রমণকারীদের সতর্ক করে বলেন, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি যুক্তরাজ্য বা অন্য কোনো দেশের ভিসার ভিত্তিতে সৌদি আরবে যেতে চান, তাহলে যাত্রার আগে অবশ্যই সৌদি আরবের ট্যুরিস্ট ভিসা বা উপযুক্ত অন্য ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। তার দাবি, বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে নতুন নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছেন।
বিমান চলাচল-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ডেস্ক থেকেও তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যাত্রীদের বোর্ডিংয়ের আগে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি ও বৈধ ভিসা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছেন, এই স্থগিতাদেশ কেবল হজ মৌসুম পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে অনেকের মতে, এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। নাইজেরিয়ার লাগোস অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের এক সহকারীও জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহ আগেই তিনি একই নিয়মের কারণে সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে