
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ তথ্য তুলে ধরে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ সংখ্যা কমপক্ষে ১৬৪ জন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৭১ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, জোড়া এ ভূমিকম্পের আঘাতে ভেনেজুয়েলায় বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘরে ফিরছে না। রাস্তায় রাত কাটিয়েছে অনেকে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় এক মিনিটের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, গত এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটিতে আঘাত হানা অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল এটি। ভেনেজুয়েলা ছাড়াও ব্রাজিলসহ আশপাশের দেশগুলোতে এর কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্য। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, এ রাজ্যে বিপুলসংখ্যক ভবন ধসে পড়েছে। সেখানে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে দেখা গেছে। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ এই অঞ্চলকে ‘তীব্র দুর্যোগপূর্ণ এলাকা’ ঘোষণা করেছেন।
এদিকে চরম আতঙ্ক আর বিপর্যয়কর পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় এসে অবস্থান নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে। সম্ভাব্য আফটারশকের আতঙ্কে কেউ ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।

কারাকাস থেকে স্থানীয় সাংবাদিক নরিস আরগোত্তে সোতো টেলিফোনে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ভূমিকম্প মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি করেছে। আমরা সবাই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি।
ভূমিকম্পে আরগোত্তে সোতোর ভবনেও বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের এখানে বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেট সংযোগ নেই। চারদিকে কেবলই ভেঙে পড়া জিনিসপত্র আর কাঁচের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

কারাকাসের চাকো মিউনিসিপালিটির বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে জানিয়ে সেতো বলেন, এর বাইরেও আরও অন্তত আটটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন অসংখ্য মানুষ রাস্তায় অবস্থান করছে। কেউ ঘরে ফেরার সাহস করছে না। আবার আফটারশক আঘাত করতে পারে, এই আতঙ্ক মানুষকে ঘিরে রেখেছে।

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ তথ্য তুলে ধরে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ সংখ্যা কমপক্ষে ১৬৪ জন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৭১ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, জোড়া এ ভূমিকম্পের আঘাতে ভেনেজুয়েলায় বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘরে ফিরছে না। রাস্তায় রাত কাটিয়েছে অনেকে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় এক মিনিটের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, গত এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটিতে আঘাত হানা অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল এটি। ভেনেজুয়েলা ছাড়াও ব্রাজিলসহ আশপাশের দেশগুলোতে এর কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্য। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, এ রাজ্যে বিপুলসংখ্যক ভবন ধসে পড়েছে। সেখানে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে দেখা গেছে। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ এই অঞ্চলকে ‘তীব্র দুর্যোগপূর্ণ এলাকা’ ঘোষণা করেছেন।
এদিকে চরম আতঙ্ক আর বিপর্যয়কর পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় এসে অবস্থান নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে। সম্ভাব্য আফটারশকের আতঙ্কে কেউ ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।

কারাকাস থেকে স্থানীয় সাংবাদিক নরিস আরগোত্তে সোতো টেলিফোনে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ভূমিকম্প মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি করেছে। আমরা সবাই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি।
ভূমিকম্পে আরগোত্তে সোতোর ভবনেও বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের এখানে বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেট সংযোগ নেই। চারদিকে কেবলই ভেঙে পড়া জিনিসপত্র আর কাঁচের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

কারাকাসের চাকো মিউনিসিপালিটির বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে জানিয়ে সেতো বলেন, এর বাইরেও আরও অন্তত আটটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন অসংখ্য মানুষ রাস্তায় অবস্থান করছে। কেউ ঘরে ফেরার সাহস করছে না। আবার আফটারশক আঘাত করতে পারে, এই আতঙ্ক মানুষকে ঘিরে রেখেছে।

এর আগে ২০২২ সালে সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল হুতিরা। এরপর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সোমবারের হামলার মধ্য দিয়ে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, "প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই দুঃসাহসিক হামলার নিন্দা জানায়, যা একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট অবমাননা। এটি অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।"
১৮ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির একটি বিবৃতির বরাত দিয়ে জানা গেছে, বাহরাইনে মার্কিন এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তাদের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। এছাড়া ঘাঁটিতে থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, এয়ার কন্ট্রোল রাডার, সি-র্যাম আগাম সতর্কীকরণ রাডার ব্যবস্থা এবং মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্
২০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরানের অভ্যন্তরে একটি পারমাণবিক স্থাপনায়ও হামলা চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন।
১ দিন আগে