
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে একদল বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলাকারীরা বহু নারী ও শিশুকে অপহরণ করেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন স্থানীয় আইনপ্রণেতা হামিসু ফারু।
বুক্কুইয়াম দক্ষিণের প্রতিনিধিত্বকারী ওই আইনপ্রণেতার বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তুংগান দুতসে গ্রামে হানা দেয় সশস্ত্র দলটি। তাদের তাণ্ডব চলে শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে হামিসু ফারু বলেন, এ সময়ের মধ্যে দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে করে আসা হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের তুলে নিতে থাকে। যারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফারু বলেন, ‘তারা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাচ্ছে। অন্তত ৫০ জনকে মৃত অবস্থায় ফেলে গেছে।’ তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্মকর্তারা নিখোঁজদের সংখ্যা নির্ধারণে কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে রয়টার্স জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।
তুংগান দুতসে গ্রামের বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী আবদুল্লাহ সানি জানান, হামলায় তার পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত রাতে কেউ ঘুমায়নি, সবাই আতঙ্ক আর শোকে আছে।’ সানির অভিযোগ, হামলার একদিন আগে এলাকায় প্রায় দেড়শ মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের বহর দেখা যায়। এ বিষয়ে গ্রামবাসীরা নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আফ্রিকার এ দেশটিতে সম্প্রতি ‘ডাকাতদের’ হামলার পরিমাণও বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এ ‘ডাকাতরা’ সাম্প্রতিক সময়ে প্রাণঘাতী হামলা, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ড বাড়িয়েছে। এতে দেশটির উত্তরাঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তাহীনতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের ওপর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে একদল বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলাকারীরা বহু নারী ও শিশুকে অপহরণ করেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন স্থানীয় আইনপ্রণেতা হামিসু ফারু।
বুক্কুইয়াম দক্ষিণের প্রতিনিধিত্বকারী ওই আইনপ্রণেতার বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তুংগান দুতসে গ্রামে হানা দেয় সশস্ত্র দলটি। তাদের তাণ্ডব চলে শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে হামিসু ফারু বলেন, এ সময়ের মধ্যে দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে করে আসা হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের তুলে নিতে থাকে। যারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফারু বলেন, ‘তারা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাচ্ছে। অন্তত ৫০ জনকে মৃত অবস্থায় ফেলে গেছে।’ তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্মকর্তারা নিখোঁজদের সংখ্যা নির্ধারণে কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে রয়টার্স জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।
তুংগান দুতসে গ্রামের বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী আবদুল্লাহ সানি জানান, হামলায় তার পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত রাতে কেউ ঘুমায়নি, সবাই আতঙ্ক আর শোকে আছে।’ সানির অভিযোগ, হামলার একদিন আগে এলাকায় প্রায় দেড়শ মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের বহর দেখা যায়। এ বিষয়ে গ্রামবাসীরা নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আফ্রিকার এ দেশটিতে সম্প্রতি ‘ডাকাতদের’ হামলার পরিমাণও বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এ ‘ডাকাতরা’ সাম্প্রতিক সময়ে প্রাণঘাতী হামলা, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ড বাড়িয়েছে। এতে দেশটির উত্তরাঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তাহীনতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের ওপর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে