
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সুদানের দক্ষিণ করদোফানে দেশটির আধাসমারিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হামলায় ৪৬ শিশুসহ অন্তত ১১৪ জন নিহত হয়েছেন। শহরের হাসপাতাল ও একটি সরকারি ভবনেও বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
সরকার সমর্থিত সুদান সশস্ত্র বাহিনীর (এসএএফ) দুটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, আরএসএফ বৃহস্পতিবার কিন্ডারগার্টেনে হামলা চালায়। এ সময় সেখানে সহায়তা করতে মানুষজন এগিয়ে গেলে তাদের লক্ষ্য করে আবার হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গোটা এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হতাহতের সঠিক খবর জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরএসএফ বাহিনী বৃহস্পতিবার কর্দোফানের কালোগিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে ১১৪ জনকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে ৪৬ জনই শিশু। সুদানি সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে আরএসএফ পরিচালিত চলমান গণহত্যা অভিযানের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, কালোগিতে প্রথমে ড্রোন থেকে রকেট নিক্ষেপ করে একটি কিন্ডারগার্টেনে হামলা চালানো হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বিপুলসংখ্যক শিশুকে হত্যা করা। এ হামলার পর স্থানীয়রা সেখানে ছুটে গেলে আরএসএফ দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায়। এ সময় আরও অনেক মানুষ ও শিশুর মৃত্যু হয়।
সুদানে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, স্কুলে শিশুদের হত্যা করা শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন। শিশুদের কখনই সংঘাতের মূল্য চুকানো উচিত নয়। তিনি সব পক্ষের প্রতি অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।
এর আগে দীর্ঘ দিন ধরে অবরোধ করে রাখার পর সপ্তাহ ছয়েক আগে উত্তর দারফুরে এল ফাশেরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আরএসএফ। এরপর থেকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড শুরু করে এ মিলিশিয়া বাহিনী। তবে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, বেসামরিক লোকজনকে হত্যার প্রমাণ ধ্বংস করতে আরএসএফ বহু স্থানে মরদেহ স্তূপ করে গণকবর দিচ্ছে কিংবা পুড়িয়ে ফেলছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এল ফাশেরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় দেড় লাখ মানুষ।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বলেন, এল ফাশেরের ভয়াবহ ঘটনার পর এত দ্রুত কর্দোফানে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেখা সত্যিই হতবাক করার মতো। আমরা কর্দোফানকে আরেকটি এল ফাশের হতে দিতে পারি না।
গত দুই বছর ধরে সুদানে চলছে গৃহযুদ্ধ, যেখানে সরকারের প্রতিপক্ষ আরএসএফ। গত কয়েক মাসে এ গৃহযুদ্ধে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে আরএসএফ। এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় চার লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ।

সুদানের দক্ষিণ করদোফানে দেশটির আধাসমারিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হামলায় ৪৬ শিশুসহ অন্তত ১১৪ জন নিহত হয়েছেন। শহরের হাসপাতাল ও একটি সরকারি ভবনেও বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
সরকার সমর্থিত সুদান সশস্ত্র বাহিনীর (এসএএফ) দুটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, আরএসএফ বৃহস্পতিবার কিন্ডারগার্টেনে হামলা চালায়। এ সময় সেখানে সহায়তা করতে মানুষজন এগিয়ে গেলে তাদের লক্ষ্য করে আবার হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গোটা এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হতাহতের সঠিক খবর জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরএসএফ বাহিনী বৃহস্পতিবার কর্দোফানের কালোগিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে ১১৪ জনকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে ৪৬ জনই শিশু। সুদানি সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে আরএসএফ পরিচালিত চলমান গণহত্যা অভিযানের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, কালোগিতে প্রথমে ড্রোন থেকে রকেট নিক্ষেপ করে একটি কিন্ডারগার্টেনে হামলা চালানো হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বিপুলসংখ্যক শিশুকে হত্যা করা। এ হামলার পর স্থানীয়রা সেখানে ছুটে গেলে আরএসএফ দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায়। এ সময় আরও অনেক মানুষ ও শিশুর মৃত্যু হয়।
সুদানে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, স্কুলে শিশুদের হত্যা করা শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন। শিশুদের কখনই সংঘাতের মূল্য চুকানো উচিত নয়। তিনি সব পক্ষের প্রতি অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।
এর আগে দীর্ঘ দিন ধরে অবরোধ করে রাখার পর সপ্তাহ ছয়েক আগে উত্তর দারফুরে এল ফাশেরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আরএসএফ। এরপর থেকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড শুরু করে এ মিলিশিয়া বাহিনী। তবে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, বেসামরিক লোকজনকে হত্যার প্রমাণ ধ্বংস করতে আরএসএফ বহু স্থানে মরদেহ স্তূপ করে গণকবর দিচ্ছে কিংবা পুড়িয়ে ফেলছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এল ফাশেরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় দেড় লাখ মানুষ।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বলেন, এল ফাশেরের ভয়াবহ ঘটনার পর এত দ্রুত কর্দোফানে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেখা সত্যিই হতবাক করার মতো। আমরা কর্দোফানকে আরেকটি এল ফাশের হতে দিতে পারি না।
গত দুই বছর ধরে সুদানে চলছে গৃহযুদ্ধ, যেখানে সরকারের প্রতিপক্ষ আরএসএফ। গত কয়েক মাসে এ গৃহযুদ্ধে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে আরএসএফ। এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় চার লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে