
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো উচ্চ সংক্রমণ সক্ষমতার এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু ভাইরাসের আক্রমণে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া অঙ্গরাজ্যের কেপ জাফার উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অসুস্থ ও মৃত বিপুলসংখ্যক সামুদ্রিক পাখির নমুনা পরীক্ষায় ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা সিএসআইআরও।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স বলেন, এটি দেশটিতে এইচ৫ বার্ড ফ্লুজনিত প্রথম নিশ্চিত ‘ম্যাস মর্টালিটি’ বা গণমৃত্যুর ঘটনা। তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে আরও বিস্তৃত এলাকায় এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং বন্যপ্রাণীর মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত প্রাণীর সংখ্যা বাড়তে পারে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু শনাক্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭৪টি সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর আগে আক্রান্ত পাখিগুলো বিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া গেলেও এবার প্রথমবারের মতো একই এলাকায় বিপুলসংখ্যক দেশীয় সামুদ্রিক পাখির প্রাণহানির ঘটনা ঘটল, যা ভাইরাসটির স্থানীয় বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকি কম। তবে অসুস্থ বা মৃত বন্য পাখি স্পর্শ না করার পরামর্শ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য ও কৃষি কর্তৃপক্ষ। কেউ এমন পাখি দেখতে পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পোলট্রি খামার বা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় এই বার্ড ফ্লুর সংক্রমণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কার কারণ নেই বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। তবে বন্য পাখির মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার অব্যাহত থাকায় নজরদারি ও জৈবনিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তারা।
বিশ্ব জুড়ে ২০২১ সাল থেকে ছড়িয়ে পড়া এইচ৫এন১ (ক্লেড ২.৩.৪.৪বি) ভাইরাস লাখো বন্য পাখি ও খামারের পোলট্রির প্রাণহানির পাশাপাশি বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীতেও সংক্রমণ ঘটিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ এই গণমৃত্যুর ঘটনা দেশটির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রাণিস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো উচ্চ সংক্রমণ সক্ষমতার এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু ভাইরাসের আক্রমণে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া অঙ্গরাজ্যের কেপ জাফার উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অসুস্থ ও মৃত বিপুলসংখ্যক সামুদ্রিক পাখির নমুনা পরীক্ষায় ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা সিএসআইআরও।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স বলেন, এটি দেশটিতে এইচ৫ বার্ড ফ্লুজনিত প্রথম নিশ্চিত ‘ম্যাস মর্টালিটি’ বা গণমৃত্যুর ঘটনা। তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে আরও বিস্তৃত এলাকায় এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং বন্যপ্রাণীর মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত প্রাণীর সংখ্যা বাড়তে পারে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু শনাক্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭৪টি সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর আগে আক্রান্ত পাখিগুলো বিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া গেলেও এবার প্রথমবারের মতো একই এলাকায় বিপুলসংখ্যক দেশীয় সামুদ্রিক পাখির প্রাণহানির ঘটনা ঘটল, যা ভাইরাসটির স্থানীয় বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকি কম। তবে অসুস্থ বা মৃত বন্য পাখি স্পর্শ না করার পরামর্শ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য ও কৃষি কর্তৃপক্ষ। কেউ এমন পাখি দেখতে পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পোলট্রি খামার বা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় এই বার্ড ফ্লুর সংক্রমণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কার কারণ নেই বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। তবে বন্য পাখির মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার অব্যাহত থাকায় নজরদারি ও জৈবনিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তারা।
বিশ্ব জুড়ে ২০২১ সাল থেকে ছড়িয়ে পড়া এইচ৫এন১ (ক্লেড ২.৩.৪.৪বি) ভাইরাস লাখো বন্য পাখি ও খামারের পোলট্রির প্রাণহানির পাশাপাশি বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীতেও সংক্রমণ ঘটিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ এই গণমৃত্যুর ঘটনা দেশটির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রাণিস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অনেক বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে আগুন দিলে পরিবারের সদস্যরা বের হতে পারেননি। ঘরে বন্দি হয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ওই বাড়িতে থাকা ছয়জনের।
২ ঘণ্টা আগে
আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৬’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী স্নাতকের সংখ্যা ১৯৮৩ সালের ৫০ লাখ থেকে বেড়ে এখন ছয় কোটি ৩০ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে বেকার স্নাতকের সংখ্যা সাত লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ। অর্থাৎ চার দশকে স্নাতকের সংখ্যা ১৩ গুণ
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রীলঙ্কা পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সঞ্জীবা মেদাওয়াত্তে সাংবাদিকদের জানান, 'সেনাবাহিনী ও এসটিএফ কমান্ডোদের যৌথ সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং বন্দিদের আবার তাদের কক্ষে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
১ দিন আগে
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। ওই প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি এখনও মাঠপর্যায়ে আলোর মুখ দেখেনি।
১ দিন আগে