
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ট্যাঙ্গানইকা হ্রদের তীরবর্তী কাসাবা গ্রামে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কিভু প্রদেশের ফিজি এলাকার অন্তর্গত এই গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার ফলে কাসাবা নদীর পানি উপচে পড়ে এবং এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।
দক্ষিণ কিভু সরকারের মুখপাত্র দিদিয়ে লুগানিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে ফিজি অঞ্চলের প্রশাসক স্যামি কালোদজি শনিবার রাতে জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১০০ জনের বেশি হতে পারে।
এই দুর্যোগ এমন সময়ে ঘটলো, যখন মধ্য আফ্রিকার দেশটি নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। বছরের শুরু থেকে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পূর্বাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে কাসাবা গ্রাম এখনো কিনশাসার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে এবং এম২৩-এর দখলে যাওয়া অঞ্চলের বাইরে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাসাবা এলাকা কেবল ট্যাঙ্গানইকা হ্রদ দিয়ে পৌঁছানো সম্ভব এবং সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ট্যাঙ্গানইকা হ্রদের তীরবর্তী কাসাবা গ্রামে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কিভু প্রদেশের ফিজি এলাকার অন্তর্গত এই গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার ফলে কাসাবা নদীর পানি উপচে পড়ে এবং এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।
দক্ষিণ কিভু সরকারের মুখপাত্র দিদিয়ে লুগানিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে ফিজি অঞ্চলের প্রশাসক স্যামি কালোদজি শনিবার রাতে জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১০০ জনের বেশি হতে পারে।
এই দুর্যোগ এমন সময়ে ঘটলো, যখন মধ্য আফ্রিকার দেশটি নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। বছরের শুরু থেকে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পূর্বাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে কাসাবা গ্রাম এখনো কিনশাসার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে এবং এম২৩-এর দখলে যাওয়া অঞ্চলের বাইরে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাসাবা এলাকা কেবল ট্যাঙ্গানইকা হ্রদ দিয়ে পৌঁছানো সম্ভব এবং সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচারণার মুখে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অন্তত ১৩টি দেশ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার শোকের জনসমুদ্রে পরিণত হয় তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত, ধর্মীয় শোকগাথা ও পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে তার সপ্তাহব্যাপী দাফন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
কমিউনিজমকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন হুমকি আখ্যা দিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশকে ইঙ্গিত করে তিনি তীব্র আক্রমণ শানান। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এ ধরনের মতাদর্শের সমর্থকরাই ‘১৭৭৬ সালের ৪ জুলাইয়ের শত্রু’।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রথমবারের মতো খামেনির কফিন জনসাধারণের সামনে আনা হয়। এ সময় হাজারো ইরানি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শোকগীতি গাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা দুলতে থাকেন এবং মাথায় আঘাত করতে থাকেন। কফিনের ওপর ফুল ছুড়ে দেওয়া হলে সেগুলো পরে জনতার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে