
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার বলেছেন, ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শহিদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পথ অনুসরণ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে।’ একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ঐশী প্রতিশোধ’ আসন্ন।
শনিবার (৪ জুলাই) প্রকাশিত এক বার্তায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি ওজমায়ি এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের সরকারি গণমাধ্যম রেডিও তেহরানের অনলাইন সেবা পার্স টুডে।
কমান্ডার আলী ওজমায়ি বলেছেন, ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত নৌবাহিনীর সব সদস্যের সঙ্গে তিনিও দৃঢ়তা ও অবিচলতার সঙ্গে আয়াতুল্লাহ খামেনির পথ অনুসরণ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র এবং অবৈধ শাসক-চক্র ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আল্লাহর প্রতিশোধ বেশি দূরে নয়। সত্যের পতাকা মর্যাদা ও শক্তির সর্বোচ্চ শিখরে উড্ডীন থাকবে।’
কমান্ডার ওজমায়ি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার অনুষ্ঠানকে তার আদর্শের প্রতি নতুন করে আনুগত্যের শপথ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বলেছেন, এই শপথের মাধ্যমে ইসলামি উম্মাহর প্রতিরক্ষা এবং ‘দাম্ভিক ও খোদাদ্রোহী ফ্রন্টে’র বিরুদ্ধে প্রতিরোধে তার মিশন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এই অপরাধ করেছে, তারা ভেবেছিল সত্যের পথকে থামিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে তারা নিজেদের ইতিহাসের নিন্দা এবং এই জাতির ক্রোধ ও কঠোর প্রতিশোধের মুখোমুখি করেছে।’
প্রসঙ্গত, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হন। তার মৃত্যুতে ইরান ও দেশটির মিত্ররা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আলি খামেনির প্রধান জানাজার অনুষ্ঠান আগামী ৬ জুলাই ভোর ৬টায় তেহরানে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে হবে শোকানুষ্ঠান।
ইরাকের ধর্মীয় আলেম, গোত্রপ্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ জনগণের অনুরোধে ৮ জুলাই ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায়ও তার স্মরণে অতিরিক্ত জানাজা ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার বলেছেন, ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শহিদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পথ অনুসরণ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে।’ একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ঐশী প্রতিশোধ’ আসন্ন।
শনিবার (৪ জুলাই) প্রকাশিত এক বার্তায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি ওজমায়ি এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের সরকারি গণমাধ্যম রেডিও তেহরানের অনলাইন সেবা পার্স টুডে।
কমান্ডার আলী ওজমায়ি বলেছেন, ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত নৌবাহিনীর সব সদস্যের সঙ্গে তিনিও দৃঢ়তা ও অবিচলতার সঙ্গে আয়াতুল্লাহ খামেনির পথ অনুসরণ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র এবং অবৈধ শাসক-চক্র ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আল্লাহর প্রতিশোধ বেশি দূরে নয়। সত্যের পতাকা মর্যাদা ও শক্তির সর্বোচ্চ শিখরে উড্ডীন থাকবে।’
কমান্ডার ওজমায়ি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার অনুষ্ঠানকে তার আদর্শের প্রতি নতুন করে আনুগত্যের শপথ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বলেছেন, এই শপথের মাধ্যমে ইসলামি উম্মাহর প্রতিরক্ষা এবং ‘দাম্ভিক ও খোদাদ্রোহী ফ্রন্টে’র বিরুদ্ধে প্রতিরোধে তার মিশন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এই অপরাধ করেছে, তারা ভেবেছিল সত্যের পথকে থামিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে তারা নিজেদের ইতিহাসের নিন্দা এবং এই জাতির ক্রোধ ও কঠোর প্রতিশোধের মুখোমুখি করেছে।’
প্রসঙ্গত, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হন। তার মৃত্যুতে ইরান ও দেশটির মিত্ররা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আলি খামেনির প্রধান জানাজার অনুষ্ঠান আগামী ৬ জুলাই ভোর ৬টায় তেহরানে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে হবে শোকানুষ্ঠান।
ইরাকের ধর্মীয় আলেম, গোত্রপ্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ জনগণের অনুরোধে ৮ জুলাই ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায়ও তার স্মরণে অতিরিক্ত জানাজা ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রথমবারের মতো খামেনির কফিন জনসাধারণের সামনে আনা হয়। এ সময় হাজারো ইরানি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শোকগীতি গাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা দুলতে থাকেন এবং মাথায় আঘাত করতে থাকেন। কফিনের ওপর ফুল ছুড়ে দেওয়া হলে সেগুলো পরে জনতার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত এপ্রিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনার সময় ইরানের পক্ষে প্রতিনিধিত্বারীদের হত্যার ‘ষড়যন্ত্র’ করেছিল ইসরায়েল। আর এ বিষয়ে ইরানকে সতর্ক করে দিয়েছিল খোদ যুক্তরাষ্ট্র। বলেছিল, তেহরান যেন এ পরিকল্পনার বিষয়ে সজাগ থাকে।
১০ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার প্রকাশ্য জানাজা ও দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তেহরান। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এখন দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে দেশটি।
১০ ঘণ্টা আগে
এদিকে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইরানে তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। মুসলিম দেশগুলো থেকে শুরু রাশিয়াসহ ইউরোপ-আমেরিকার দেশ থেকেও সেখানে হাজির হয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানে আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
১১ ঘণ্টা আগে