
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।
আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরীর সই করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, সুদানের আবেইতে সন্ত্রাসীদের জাতিসংঘ ঘাঁটি আক্রমণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছে এবং ৮ জন আহত হয়েছেন।
সেখানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এখনও যুদ্ধ চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।
আইএসপিআর আরও জানায়, আহত শান্তিরক্ষীদের তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটজন সামরিক পর্যবেক্ষক, ৩১ জন কর্মী ও এক হাজার ৩৯৯ জন সেনা সদস্যসহ দক্ষিণ সুদানে বাংলাদেশের মোট এক হাজার ৪৩৮ জন নিয়োজিত আছেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে।
তবে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ওয়েবসাইট বলছে, শান্তিরক্ষী বাহিনীতে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশি সদস্য এক হাজার ৬৩১ জন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটির সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে এ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে হটিয়ে এল-ফাশার নামে একটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরএসএফ। এরপর সেখানে শুরু হয় নৃশংস গণহত্যা।
গত নভেম্বরে জাতিসংঘ সুদানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট হিসেবে অভিহিত করেছিল।
দেশটিতে চলা গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্ভিক্ষ, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।
আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরীর সই করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, সুদানের আবেইতে সন্ত্রাসীদের জাতিসংঘ ঘাঁটি আক্রমণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছে এবং ৮ জন আহত হয়েছেন।
সেখানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এখনও যুদ্ধ চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।
আইএসপিআর আরও জানায়, আহত শান্তিরক্ষীদের তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটজন সামরিক পর্যবেক্ষক, ৩১ জন কর্মী ও এক হাজার ৩৯৯ জন সেনা সদস্যসহ দক্ষিণ সুদানে বাংলাদেশের মোট এক হাজার ৪৩৮ জন নিয়োজিত আছেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে।
তবে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ওয়েবসাইট বলছে, শান্তিরক্ষী বাহিনীতে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশি সদস্য এক হাজার ৬৩১ জন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটির সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে এ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে হটিয়ে এল-ফাশার নামে একটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরএসএফ। এরপর সেখানে শুরু হয় নৃশংস গণহত্যা।
গত নভেম্বরে জাতিসংঘ সুদানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট হিসেবে অভিহিত করেছিল।
দেশটিতে চলা গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্ভিক্ষ, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে