
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে 'পারস্পরিক হামলা বন্ধে' যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি প্রস্তাবে হিজবুল্লাহ সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত লেবাননের দূতাবাস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কার্যালয়ের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'হিজবুল্লাহ লেবানন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে যে, পারস্পরিক হামলা বন্ধে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।'
প্রস্তাবিত এই সমঝোতা সম্পর্কে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'এই ব্যবস্থার অধীনে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে (দাহিয়াহ) ইসরায়েলি বাহিনীর সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ থাকবে। এর বিপরীতে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে। প্রাথমিক এই পদক্ষেপের পর যুদ্ধবিরতির রূপরেখাকে আরও প্রসারিত করা হবে, যাতে সমগ্র লেবানন ভূখণ্ডকে এর আওতায় আনা যায়।'
ট্রাম্পের মধ্যস্থতা ও নেতানিয়াহুর সবুজ সংকেত
বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ওই ফোনালাপে ট্রাম্প মাওয়াদকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি প্রস্তাবিত এই যুদ্ধবিরতি ব্যবস্থার পক্ষে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছেন।
এরপর রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হওয়া তার এই আলোচনার ইতিবাচক ফলাফল ও অগ্রগতির বিষয়টি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকে অবহিত করেন। প্রেসিডেন্ট আউন পরবর্তীতে এই বার্তা ও ইসরায়েলের সম্মতির বিষয়টি হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে দেন।
অবশ্য এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে দাবি করেছিলেন যে, 'উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে' হিজবুল্লাহর সঙ্গে তার অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। লেবানন দূতাবাসের এই বার্তার দিকেই ট্রাম্প ইঙ্গিত করেছিলেন কি না, তা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। এই অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়েছে, 'মঙ্গল ও বুধবার (২ ও ৩ জুন) পূর্বনির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক বৈঠকগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে এই নতুন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে এবং এর ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী শান্তি প্রক্রিয়া ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে।'
রাজনীতি/আইআর

ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে 'পারস্পরিক হামলা বন্ধে' যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি প্রস্তাবে হিজবুল্লাহ সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত লেবাননের দূতাবাস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কার্যালয়ের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'হিজবুল্লাহ লেবানন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে যে, পারস্পরিক হামলা বন্ধে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।'
প্রস্তাবিত এই সমঝোতা সম্পর্কে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'এই ব্যবস্থার অধীনে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে (দাহিয়াহ) ইসরায়েলি বাহিনীর সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ থাকবে। এর বিপরীতে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে। প্রাথমিক এই পদক্ষেপের পর যুদ্ধবিরতির রূপরেখাকে আরও প্রসারিত করা হবে, যাতে সমগ্র লেবানন ভূখণ্ডকে এর আওতায় আনা যায়।'
ট্রাম্পের মধ্যস্থতা ও নেতানিয়াহুর সবুজ সংকেত
বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ওই ফোনালাপে ট্রাম্প মাওয়াদকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তিনি প্রস্তাবিত এই যুদ্ধবিরতি ব্যবস্থার পক্ষে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছেন।
এরপর রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হওয়া তার এই আলোচনার ইতিবাচক ফলাফল ও অগ্রগতির বিষয়টি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকে অবহিত করেন। প্রেসিডেন্ট আউন পরবর্তীতে এই বার্তা ও ইসরায়েলের সম্মতির বিষয়টি হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে দেন।
অবশ্য এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে দাবি করেছিলেন যে, 'উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে' হিজবুল্লাহর সঙ্গে তার অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। লেবানন দূতাবাসের এই বার্তার দিকেই ট্রাম্প ইঙ্গিত করেছিলেন কি না, তা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। এই অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়েছে, 'মঙ্গল ও বুধবার (২ ও ৩ জুন) পূর্বনির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক বৈঠকগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে এই নতুন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে এবং এর ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী শান্তি প্রক্রিয়া ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে।'
রাজনীতি/আইআর

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১৯ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
২০ ঘণ্টা আগে