
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রায় ৯০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক ‘বউফোর্ট দুর্গ’ এবং সংলগ্ন পর্বতশিরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা।
আজ রোববার (৩১ মে) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান এই লড়াইকে ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত এপ্রিল মাসে দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু গত শনিবার উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর এটাই ছিল হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে চালানো সবচেয়ে বড় ও ভারী হামলা।
এই আকস্মিক হামলার জেরে উত্তর ইসরায়েলে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং বেসামরিক নাগরিকদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ঠিক পরদিনই ইসরায়েলি বাহিনী এই বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল কৌশলগত বউফোর্ট পর্বতশিরা এবং ‘ওয়াদি আল-সালুকি’ অঞ্চলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে ওই পাহাড়ি অঞ্চলে ইরানের সরাসরি নির্দেশনায় গড়ে ওঠা হিজবুল্লাহ মিলিশিয়াদের বিভিন্ন অবকাঠামো এবং তাদের সক্ষমতা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া।
এই অভিযান চলাকালীন হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন বলেও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে। তবে এই দুর্গ দখল বা অভিযানের বিষয়ে লেবানন সরকার কিংবা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
মধ্যযুগীয় এই প্রাচীন দুর্গ এবং সংলগ্ন পর্বতশিরাটি দখল করার মাধ্যমে লেবাননের মাটিতে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি আরও গভীর হলো। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের মূল যুদ্ধক্ষেত্রে একটি সমান্তরাল যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর এই সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্রটি এখনো মারাত্মকভাবে সক্রিয়।
ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই হিজবুল্লাহ এই লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে। গত ২ মার্চ ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো শুরু করে। এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উত্তর সীমান্ত থেকে ইরান সমর্থিত এই মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে বিতাড়িত করার লক্ষ্যে লেবাননের অভ্যন্তরে এই অভিযান শুরু করেছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঐতিহাসিক বউফোর্ট দুর্গটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ফলে ইসরায়েলি সেনারা এখন ভৌগোলিকভাবে বড় সুবিধা পাবে। এই উঁচু দুর্গটি থেকে দক্ষিণ লেবাননের একটি বড় অংশ এবং উত্তর ইসরায়েলের বিস্তীর্ণ এলাকা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। এতদিন এই কৌশলগত সুবিধাটি ব্যবহার করেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের আবাসিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছিল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহ এই পর্বতশিরা থেকে তাদের ওপর অসংখ্যবার হামলা চালিয়েছে। তারা আরও জানায়, ইসরায়েলি সেনারা বর্তমানে ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার জন্য কাজ করছে, যেখান থেকে মূলত ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে শত শত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রায় ৯০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক ‘বউফোর্ট দুর্গ’ এবং সংলগ্ন পর্বতশিরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা।
আজ রোববার (৩১ মে) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান এই লড়াইকে ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত এপ্রিল মাসে দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু গত শনিবার উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর এটাই ছিল হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে চালানো সবচেয়ে বড় ও ভারী হামলা।
এই আকস্মিক হামলার জেরে উত্তর ইসরায়েলে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং বেসামরিক নাগরিকদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ঠিক পরদিনই ইসরায়েলি বাহিনী এই বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল কৌশলগত বউফোর্ট পর্বতশিরা এবং ‘ওয়াদি আল-সালুকি’ অঞ্চলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে ওই পাহাড়ি অঞ্চলে ইরানের সরাসরি নির্দেশনায় গড়ে ওঠা হিজবুল্লাহ মিলিশিয়াদের বিভিন্ন অবকাঠামো এবং তাদের সক্ষমতা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া।
এই অভিযান চলাকালীন হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন বলেও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে। তবে এই দুর্গ দখল বা অভিযানের বিষয়ে লেবানন সরকার কিংবা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
মধ্যযুগীয় এই প্রাচীন দুর্গ এবং সংলগ্ন পর্বতশিরাটি দখল করার মাধ্যমে লেবাননের মাটিতে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি আরও গভীর হলো। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের মূল যুদ্ধক্ষেত্রে একটি সমান্তরাল যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর এই সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্রটি এখনো মারাত্মকভাবে সক্রিয়।
ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই হিজবুল্লাহ এই লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে। গত ২ মার্চ ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো শুরু করে। এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উত্তর সীমান্ত থেকে ইরান সমর্থিত এই মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে বিতাড়িত করার লক্ষ্যে লেবাননের অভ্যন্তরে এই অভিযান শুরু করেছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঐতিহাসিক বউফোর্ট দুর্গটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ফলে ইসরায়েলি সেনারা এখন ভৌগোলিকভাবে বড় সুবিধা পাবে। এই উঁচু দুর্গটি থেকে দক্ষিণ লেবাননের একটি বড় অংশ এবং উত্তর ইসরায়েলের বিস্তীর্ণ এলাকা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। এতদিন এই কৌশলগত সুবিধাটি ব্যবহার করেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের আবাসিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছিল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহ এই পর্বতশিরা থেকে তাদের ওপর অসংখ্যবার হামলা চালিয়েছে। তারা আরও জানায়, ইসরায়েলি সেনারা বর্তমানে ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার জন্য কাজ করছে, যেখান থেকে মূলত ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে শত শত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

চীনের সমালোচনার জবাবে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেছেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিঞ্জিরো কোইযুমি। রোববার সিঙ্গাপুরে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে চীনকে কটাক্ষ করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
এখন প্রশ্ন একটাই— পারস্পরিক অবিশ্বাস ও শর্তের দেয়াল ভেঙে দুই দেশ কি সত্যিই একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে, নাকি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর ফের নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়বে মধ্যপ্রাচ্যে?
১ দিন আগে
তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ না থাকলে ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে ফেলতো। তার ভাষায়, “আমরা যদি নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে তারা এখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতো এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।”
১ দিন আগে
গত ১৩ মে ফল প্রকাশের পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী মোট ১১ লাখ উত্তরপত্র দেখতে চেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কাছে আবেদন করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় এ বছর প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।
১ দিন আগে