
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতা, ভ্লাদিমির পুতিন এবং কিম জং উন, প্রথমবারের মতো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর সঙ্গে প্রকাশ্যে এক সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিতে চলেছেন। এই ঘটনাকে পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে এই তিন দেশের এক শক্তিশালী জোটবদ্ধতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন তারা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) জানায়, আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ কুচকাওয়াজে ২৬ জন বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান অংশ নেবেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো নেতা আমন্ত্রণ পাননি। কেবলমাত্র স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোকে ডাকা হয়েছে। যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রের একজন নেতা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বিজয় দিবস’ কুচকাওয়াজটি জাপানের বিরুদ্ধে চীনের যুদ্ধের ৮০তম বার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে। কুচকাওয়াজে চীন তাদের শত শত বিমান, ট্যাংক ও অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমসহ সর্বশেষ সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে তাদের সামরিক বাহিনীর নতুন শক্তি কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ প্রদর্শনী।
চীনে তিন নেতার দেখা হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের হতে পারে পশ্চিমা দেশগুলোর। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এই আয়োজনে শুধু চীন ও গ্লোবাল সাউথের মধ্যকার সংহতির বার্তাই দেবেন না। বরং নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও দৃঢ় সংহতির প্রকাশ ঘটাবেন।
রাশিয়াকে বেইজিং একটি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা দেশগুলোর একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়া বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের অর্থনীতি নিম্নগতিতে আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই অবস্থা উত্তর কোরিয়ারও। কিম জং উন চীনের আনুষ্ঠানিক চুক্তিভিত্তিক মিত্র। ২০০৬ সাল থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার অধীনে রয়েছে এর পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে।
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সবশেষবার এ বছরের মে মাসে দেখা করেছিলেন পুতিন। রাশিয়ার বিজয় দিবসে আমন্ত্রণ পেয়ে মস্কোতে কয়েকদিনের সফর করেছিলেন জিন পিং। এবার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় আলোচনা করতে পুতিন যাচ্ছেন চীনে। রাশিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন পুতিন। ক্রেমলিনপন্থি ভাষ্যকার পাভেল জারুবিন বলেছেন, চারদিনের সফরে চীনে যাচ্ছেন পুতিন। সফরকালে বৃহৎ-পরিসরে আলোচনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’ তবে কী নিয়ে আলোচনা হবে তা প্রকাশ করা হয়নি।
আরটি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, সফরে পুতিন সাংহাই কোপারেশন অর্গানাইজেশনের সামিটে অংশ নেবেন। আগস্টের ৩১ থেকে পহেলা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সামিট। চীনের সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী লিও বিন সম্প্রতি বলেছেন, এই সামিটে দেশের অঞ্চলগুলোর প্রধান, ২০টি দেশের প্রধান এবং ১০জন আন্তর্জাতিক অর্গানাইজেশনের প্রধান উপস্থিত থাকবে। তবে সেখানে পুতিন থাকবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
আরটি জানায়, হাই রিভারের তীরে চীনের প্রেসিডেন্ট একই সময়ে কয়েকটি বৈঠক রেখেছেন। এসময়ে জিন পিং বৈশ্বিক নেতা ও তাদের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলবেন। উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম সর্বশেষ ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে চীন সফর করেছিলেন।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতা, ভ্লাদিমির পুতিন এবং কিম জং উন, প্রথমবারের মতো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর সঙ্গে প্রকাশ্যে এক সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিতে চলেছেন। এই ঘটনাকে পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে এই তিন দেশের এক শক্তিশালী জোটবদ্ধতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন তারা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) জানায়, আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ কুচকাওয়াজে ২৬ জন বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান অংশ নেবেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো নেতা আমন্ত্রণ পাননি। কেবলমাত্র স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোকে ডাকা হয়েছে। যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রের একজন নেতা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বিজয় দিবস’ কুচকাওয়াজটি জাপানের বিরুদ্ধে চীনের যুদ্ধের ৮০তম বার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে। কুচকাওয়াজে চীন তাদের শত শত বিমান, ট্যাংক ও অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমসহ সর্বশেষ সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে তাদের সামরিক বাহিনীর নতুন শক্তি কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ প্রদর্শনী।
চীনে তিন নেতার দেখা হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের হতে পারে পশ্চিমা দেশগুলোর। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এই আয়োজনে শুধু চীন ও গ্লোবাল সাউথের মধ্যকার সংহতির বার্তাই দেবেন না। বরং নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গেও দৃঢ় সংহতির প্রকাশ ঘটাবেন।
রাশিয়াকে বেইজিং একটি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা দেশগুলোর একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়া বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের অর্থনীতি নিম্নগতিতে আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই অবস্থা উত্তর কোরিয়ারও। কিম জং উন চীনের আনুষ্ঠানিক চুক্তিভিত্তিক মিত্র। ২০০৬ সাল থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার অধীনে রয়েছে এর পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে।
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সবশেষবার এ বছরের মে মাসে দেখা করেছিলেন পুতিন। রাশিয়ার বিজয় দিবসে আমন্ত্রণ পেয়ে মস্কোতে কয়েকদিনের সফর করেছিলেন জিন পিং। এবার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় আলোচনা করতে পুতিন যাচ্ছেন চীনে। রাশিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন পুতিন। ক্রেমলিনপন্থি ভাষ্যকার পাভেল জারুবিন বলেছেন, চারদিনের সফরে চীনে যাচ্ছেন পুতিন। সফরকালে বৃহৎ-পরিসরে আলোচনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’ তবে কী নিয়ে আলোচনা হবে তা প্রকাশ করা হয়নি।
আরটি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, সফরে পুতিন সাংহাই কোপারেশন অর্গানাইজেশনের সামিটে অংশ নেবেন। আগস্টের ৩১ থেকে পহেলা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সামিট। চীনের সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী লিও বিন সম্প্রতি বলেছেন, এই সামিটে দেশের অঞ্চলগুলোর প্রধান, ২০টি দেশের প্রধান এবং ১০জন আন্তর্জাতিক অর্গানাইজেশনের প্রধান উপস্থিত থাকবে। তবে সেখানে পুতিন থাকবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
আরটি জানায়, হাই রিভারের তীরে চীনের প্রেসিডেন্ট একই সময়ে কয়েকটি বৈঠক রেখেছেন। এসময়ে জিন পিং বৈশ্বিক নেতা ও তাদের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলবেন। উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম সর্বশেষ ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে চীন সফর করেছিলেন।

ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আগের মতোই হুমকি ছিল, যার মধ্যে দেশটিকে ‘বোমা মেরে পাথর যুগে ফেরত পাঠানো’র অঙ্গীকারের পুনরাবৃত্তিও ছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টগুলো থেকে যদি কেউ অংশবিশেষ কপি-পেস্ট করতেন, তাহলেও জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ থেকে খুব বেশি আলাদা লাগত না
৭ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলি স্থলবাহিনী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহ সেল শনাক্ত করে উচ্ছেদ করেছে এবং হিজবুল্লাহর অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। আর ইসরায়েলি নৌবাহিনী হিজবুল্লার একটি অস্ত্রের গুদামে হামলা চালিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আরোপিত অবরোধে পারস্য উপসাগরে অন্তত ২ হাজার ১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং এতে থাকা প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। জাহাজগুলোর মধ্যে ৩২০টিরও বেশি তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
দূতাবাসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন নাগরিক, ব্যবসা প্র
১৩ ঘণ্টা আগে