
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রাস্তা পারাপারের সময় একটি ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় বাংলাদেশি এক তরুণী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২০ মার্চ) রাত ১২টার দিকে জ্যাকসন হাইটসের কাছে উডসাইড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর নাম নিশাত জান্নাত। তার বয়স ১৯ বছর। তিনি নিউইয়র্ক সিটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং জ্যামাইকায় পারসন্স বুলেভার্ডে একটি পার্কিং গ্যারেজে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।
ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পুলিশ। ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ ধরে পশ্চিম দিকে যাচ্ছিল এবং ৬২ স্ট্রিটের উত্তরমুখী লেইনে ডান দিকে মোড় নেওয়ার সময় নিশাতকে আঘাত করে। জরুরি চিকিৎসাসেবা (ইএমএস) কর্মীরা ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ট্রাকটির চালক ৩৮ বছর বয়সী এক নারী ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং সামান্য আঘাত পান। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশের হাইওয়ে ডিস্ট্রিক্টের কলিশন ইনভেস্টিগেশন স্কোয়াড ঘটনাটি তদন্ত করছে।
ট্রাকটির মালিক কোম্পানি রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেস এক বিবৃতিতে বলেছে, তদন্তে তারা পুলিশকে সহযোগিতা করছে। এ ছাড়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মূল কোম্পানি ওয়েস্ট কানেকশন্সের এক মুখপাত্র গভীর শোকা প্রকাশ করেছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
নিহত নিশাতদের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের উত্তর ঘরগাঁওয়ে। তার বাবা হেলাল উদ্দিন স্থানীয় উডসাইডে বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম। নিশাতের এক বড় বোন এবং ৪ ও ৯ বছর বয়সী আরও দুই ছোট বোন আছেন। বড় নওশিন বলেন, ‘আমার বোন খুব আশাবাদী ছিল। সবার সঙ্গে কথা বলত এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে বলত।’
নিশাতের বাবা বলেন, সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় আট বছর আগে এসেছি নিউইয়র্কে। ৪ কন্যার দ্বিতীয় ছিল নিশাত। সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করছিল। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বাদ জোহর বায়তুল জান্নাহ মসজিদে নিশাতের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর নিউইয়র্কেই তাকে দাফন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রাস্তা পারাপারের সময় একটি ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় বাংলাদেশি এক তরুণী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২০ মার্চ) রাত ১২টার দিকে জ্যাকসন হাইটসের কাছে উডসাইড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর নাম নিশাত জান্নাত। তার বয়স ১৯ বছর। তিনি নিউইয়র্ক সিটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং জ্যামাইকায় পারসন্স বুলেভার্ডে একটি পার্কিং গ্যারেজে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।
ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পুলিশ। ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ ধরে পশ্চিম দিকে যাচ্ছিল এবং ৬২ স্ট্রিটের উত্তরমুখী লেইনে ডান দিকে মোড় নেওয়ার সময় নিশাতকে আঘাত করে। জরুরি চিকিৎসাসেবা (ইএমএস) কর্মীরা ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ট্রাকটির চালক ৩৮ বছর বয়সী এক নারী ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং সামান্য আঘাত পান। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশের হাইওয়ে ডিস্ট্রিক্টের কলিশন ইনভেস্টিগেশন স্কোয়াড ঘটনাটি তদন্ত করছে।
ট্রাকটির মালিক কোম্পানি রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেস এক বিবৃতিতে বলেছে, তদন্তে তারা পুলিশকে সহযোগিতা করছে। এ ছাড়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মূল কোম্পানি ওয়েস্ট কানেকশন্সের এক মুখপাত্র গভীর শোকা প্রকাশ করেছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
নিহত নিশাতদের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের উত্তর ঘরগাঁওয়ে। তার বাবা হেলাল উদ্দিন স্থানীয় উডসাইডে বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম। নিশাতের এক বড় বোন এবং ৪ ও ৯ বছর বয়সী আরও দুই ছোট বোন আছেন। বড় নওশিন বলেন, ‘আমার বোন খুব আশাবাদী ছিল। সবার সঙ্গে কথা বলত এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে বলত।’
নিশাতের বাবা বলেন, সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় আট বছর আগে এসেছি নিউইয়র্কে। ৪ কন্যার দ্বিতীয় ছিল নিশাত। সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করছিল। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বাদ জোহর বায়তুল জান্নাহ মসজিদে নিশাতের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর নিউইয়র্কেই তাকে দাফন করা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই বন্দরের বহির্নোঙরে কুয়েতের একটি তেলবোঝাই জাহাজে গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ) ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় জাহাজটিতে আগুন লেগে এর মূল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এই দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেগুলো এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধ্বংস করা। এরপর বর্তমান সংঘাত কমিয়ে আনা ও কূটনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা অবাধ অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ দেয়।
১৩ ঘণ্টা আগে