
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননের কোনো ভূখণ্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা না থাকলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে এক মিলিমিটারও সরবে না ইসরায়েলি বাহিনী।
সোমবার (২৯ জুন) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। চুক্তি অনুযায়ী একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় কেবল দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা জানালেও, মার্কিন চাপের কারণে হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা যায়নি বলে আফসোস প্রকাশ করেন তিনি।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান লেবানন সফর করেছেন। তাঁর এ সফরের দিনই কাটজ এ মন্তব্য করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী লেবানন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভেঙে ফেলে দেশের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। এর ফলে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পথ উন্মুক্ত হবে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, হিজবুল্লাহকে বিতাড়িত করতে সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত মোতায়েন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েল গত রাতে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলা চালিয়েছে। ওই এলাকায় সেনাদের ওপর গোষ্ঠীটির হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার ওই এলাকায় একটি বিস্ফোরণে আইডিএফের এক সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
কাটজ বলেন, একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্ধারিত স্থান থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে। এর বাইরে অন্য কোনো এলাকা থেকে সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ কর্মসূচির আওতায় লেবাননের সেনাবাহিনী দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, লেবাননে ইসরায়েল পরবর্তী সময়ে কোন কোন এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে, তা নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। কারণ হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তা ঘটবে না। লেবাননে আমাদের কোনো ভূখণ্ডগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই, কিন্তু হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক মিলিমিটারও সরে যাব না।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রও গ্রহণ করেছে এবং এটি ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ না থাকলে আইডিএফ লেবাননে হিজবুল্লাহর পতন ঘটাতে পারত। আইডিএফ ব্যাপক বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এতে হিজবুল্লাহ চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। কিন্তু গোষ্ঠীটি নিজেদের রক্ষার জন্য ইরানের কাছে সাহায্য চাইছিল।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, মার্কিন-ইরান আলোচনার সঙ্গে লেবানন ইস্যুকে যুক্ত করার জন্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, যখন ট্রাম্প ইরান ও লেবাননকে একই আলোচনার আওতায় আনলেন, তখন ইসরায়েলকে বৈরুতে হামলা বন্ধ করতে হয়েছিল। তবে এর আগে লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এই সংযোগের জন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে করা হয়েছিল। তারা ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী ছিল।
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে কাটজ বলেন, লেবাননের কর্মকাণ্ডের জবাবে ইরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায়, তবে আইডিএফ তার জবাব দেবে এবং স্বাধীনভাবে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
তিনি বলেন, ইরানে আমাদের হামলা চালানোর জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু রয়েছে এবং আইডিএফ প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় আছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে পদক্ষেপ নেবেন, তাতে আমরা হস্তক্ষেপ করব না।
রাজনীতি/এসআর

লেবাননের কোনো ভূখণ্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা না থাকলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে এক মিলিমিটারও সরবে না ইসরায়েলি বাহিনী।
সোমবার (২৯ জুন) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। চুক্তি অনুযায়ী একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় কেবল দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা জানালেও, মার্কিন চাপের কারণে হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা যায়নি বলে আফসোস প্রকাশ করেন তিনি।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান লেবানন সফর করেছেন। তাঁর এ সফরের দিনই কাটজ এ মন্তব্য করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী লেবানন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভেঙে ফেলে দেশের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। এর ফলে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পথ উন্মুক্ত হবে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, হিজবুল্লাহকে বিতাড়িত করতে সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত মোতায়েন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েল গত রাতে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলা চালিয়েছে। ওই এলাকায় সেনাদের ওপর গোষ্ঠীটির হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার ওই এলাকায় একটি বিস্ফোরণে আইডিএফের এক সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
কাটজ বলেন, একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের দুটি নির্ধারিত স্থান থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে। এর বাইরে অন্য কোনো এলাকা থেকে সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ কর্মসূচির আওতায় লেবাননের সেনাবাহিনী দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, লেবাননে ইসরায়েল পরবর্তী সময়ে কোন কোন এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে, তা নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। কারণ হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তা ঘটবে না। লেবাননে আমাদের কোনো ভূখণ্ডগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই, কিন্তু হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক মিলিমিটারও সরে যাব না।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রও গ্রহণ করেছে এবং এটি ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ না থাকলে আইডিএফ লেবাননে হিজবুল্লাহর পতন ঘটাতে পারত। আইডিএফ ব্যাপক বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এতে হিজবুল্লাহ চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। কিন্তু গোষ্ঠীটি নিজেদের রক্ষার জন্য ইরানের কাছে সাহায্য চাইছিল।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, মার্কিন-ইরান আলোচনার সঙ্গে লেবানন ইস্যুকে যুক্ত করার জন্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, যখন ট্রাম্প ইরান ও লেবাননকে একই আলোচনার আওতায় আনলেন, তখন ইসরায়েলকে বৈরুতে হামলা বন্ধ করতে হয়েছিল। তবে এর আগে লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এই সংযোগের জন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে করা হয়েছিল। তারা ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী ছিল।
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে কাটজ বলেন, লেবাননের কর্মকাণ্ডের জবাবে ইরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায়, তবে আইডিএফ তার জবাব দেবে এবং স্বাধীনভাবে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
তিনি বলেন, ইরানে আমাদের হামলা চালানোর জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু রয়েছে এবং আইডিএফ প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় আছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে পদক্ষেপ নেবেন, তাতে আমরা হস্তক্ষেপ করব না।
রাজনীতি/এসআর

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে