
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০টি বিমান কিনবে চীন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চীন থেকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
ফক্স নিউজের সঞ্চালক শন হ্যানিটি সাক্ষাৎকার নেন ট্রাম্পের। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তিনি (শি জিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা। বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটি অনেক বড় একটি অর্ডার। এই অর্ডারের মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
ট্রাম্প জানান, বোয়িংয়ের জন্য এত বড় অর্ডার কিছুটা অপ্রত্যাশিতই ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চীন বড় আকারের অর্ডারই দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং ১৫০টি দিতে চেয়েছিল, তিনি (জিনপিং) ২০০টি পাচ্ছেন।’
চীনা প্রেসিডেন্টের বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০ বিমান কিনতে রাজি হওয়াকে ট্রাম্প বাস্তব ক্রয়-প্রতিশ্রুতি হিসেবেই দেখছেন। তিনি মনে করেন, এটি অনেকটা কার্যাদেশেরই সমতুল্য।
ট্রাম্পের এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক এবং বিমান শিল্পে সম্ভাব্য বড় ধরনের অর্ডার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে পুঁজিবাজারে। সেখানে বোয়িংয়ের দামের ৪ দশমিক ১ শতাংশ পতন হয়েছে।
গত বুধবার চীন সফরে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তাকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়েছে। পরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন।
সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে চীনে গেছেন কয়েকজন শীর্ষ মার্কিন করপোরেট নির্বাহী। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্য তাদের। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০টি বিমান কিনবে চীন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চীন থেকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
ফক্স নিউজের সঞ্চালক শন হ্যানিটি সাক্ষাৎকার নেন ট্রাম্পের। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তিনি (শি জিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা। বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটি অনেক বড় একটি অর্ডার। এই অর্ডারের মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
ট্রাম্প জানান, বোয়িংয়ের জন্য এত বড় অর্ডার কিছুটা অপ্রত্যাশিতই ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চীন বড় আকারের অর্ডারই দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং ১৫০টি দিতে চেয়েছিল, তিনি (জিনপিং) ২০০টি পাচ্ছেন।’
চীনা প্রেসিডেন্টের বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০ বিমান কিনতে রাজি হওয়াকে ট্রাম্প বাস্তব ক্রয়-প্রতিশ্রুতি হিসেবেই দেখছেন। তিনি মনে করেন, এটি অনেকটা কার্যাদেশেরই সমতুল্য।
ট্রাম্পের এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক এবং বিমান শিল্পে সম্ভাব্য বড় ধরনের অর্ডার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে পুঁজিবাজারে। সেখানে বোয়িংয়ের দামের ৪ দশমিক ১ শতাংশ পতন হয়েছে।
গত বুধবার চীন সফরে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তাকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়েছে। পরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন।
সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে চীনে গেছেন কয়েকজন শীর্ষ মার্কিন করপোরেট নির্বাহী। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্য তাদের। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশ হিসেবে দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল, জিম্বাবুয়ে, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং কিরগিজস্তান। ইউরোপ অঞ্চল থেকে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও হেরে গেছে প্রভাবশালী দেশ জার্মানি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃগস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা একটি জরুরি ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইসিইউ থেকে প্রায় ২০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবটিতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া চলমান ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। যদিও এই প্রস্তাব আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ এটি কার্যকর হতে হলে সিনেটেও পাস হয়ে আসতে হবে। ট্রাম্পের সম্ভাব্য ভেটো অতিক্রম করতে উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
তবে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই আলোচনাকে টেকসই শান্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও পরবর্তী দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে।
১৭ ঘণ্টা আগে