
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয় চীন সফরে গিয়ে অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা করছেন। শুরুতে বেইজিংগামী হোয়াইট হাউজ প্রতিনিধিদলের তালিকায় তার নাম ছিল না। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সফরে যোগ দেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, এ সফরের মাধ্যমে চীনে এইচ-২০০ চিপ বিক্রির দীর্ঘদিনের স্থবির প্রচেষ্টা নতুন গতি পেতে পারে।
প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে অনুমোদিত বাণিজ্যও নানা জটিলতায় আটকে যাচ্ছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া দুই দেশের পরস্পরবিরোধী জাতীয় অগ্রাধিকারের মধ্যে চাপে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার আগে চীনের উন্নত চিপ বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশই ছিল এনভিডিয়ার দখলে। একসময় কোম্পানিটির মোট আয়ের ১৩ শতাংশ আসত চীন থেকে। এর আগে জেনসেন হুয়াং বলেছিলেন, শুধু চীনের এআই বাজারের মূল্যই চলতি বছর ৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ আলিবাবা, টেনসেন্ট, বাইটড্যান্স এবং জেডি ডটকমসহ প্রায় ১০টি চীনা কোম্পানিকে এইচ-২০০ চিপ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। পাশাপাশি লেনোভো এবং ফক্সকনের মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুমোদিত গ্রাহকরা সরাসরি এনভিডিয়ার কাছ থেকে অথবা মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চিপ কিনতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার চিপ কিনতে পারবে।
এইচ-২০০ সেমিকন্ডাক্টরের মতো পণ্যের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তদারকি করা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। একইভাবে চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনও কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে লেনোভো এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘এনভিডিয়ার রপ্তানি লাইসেন্সের আওতায় চীনে এইচ-২০০ বিক্রির অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।’
এদিকে এনভিডিয়া, আলিবাবা, টেনসেন্ট, বাইটড্যান্স, জেডি ডটকম ও ফক্সকন এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেনসেন হুয়াং বলেন, বেইজিংয়ে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ও শি জিনপিং দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করছেন।
রাজনীতি/আইআর

যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয় চীন সফরে গিয়ে অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা করছেন। শুরুতে বেইজিংগামী হোয়াইট হাউজ প্রতিনিধিদলের তালিকায় তার নাম ছিল না। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সফরে যোগ দেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, এ সফরের মাধ্যমে চীনে এইচ-২০০ চিপ বিক্রির দীর্ঘদিনের স্থবির প্রচেষ্টা নতুন গতি পেতে পারে।
প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে অনুমোদিত বাণিজ্যও নানা জটিলতায় আটকে যাচ্ছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া দুই দেশের পরস্পরবিরোধী জাতীয় অগ্রাধিকারের মধ্যে চাপে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার আগে চীনের উন্নত চিপ বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশই ছিল এনভিডিয়ার দখলে। একসময় কোম্পানিটির মোট আয়ের ১৩ শতাংশ আসত চীন থেকে। এর আগে জেনসেন হুয়াং বলেছিলেন, শুধু চীনের এআই বাজারের মূল্যই চলতি বছর ৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ আলিবাবা, টেনসেন্ট, বাইটড্যান্স এবং জেডি ডটকমসহ প্রায় ১০টি চীনা কোম্পানিকে এইচ-২০০ চিপ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। পাশাপাশি লেনোভো এবং ফক্সকনের মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুমোদিত গ্রাহকরা সরাসরি এনভিডিয়ার কাছ থেকে অথবা মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চিপ কিনতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার চিপ কিনতে পারবে।
এইচ-২০০ সেমিকন্ডাক্টরের মতো পণ্যের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তদারকি করা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। একইভাবে চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনও কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে লেনোভো এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘এনভিডিয়ার রপ্তানি লাইসেন্সের আওতায় চীনে এইচ-২০০ বিক্রির অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।’
এদিকে এনভিডিয়া, আলিবাবা, টেনসেন্ট, বাইটড্যান্স, জেডি ডটকম ও ফক্সকন এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেনসেন হুয়াং বলেন, বেইজিংয়ে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ও শি জিনপিং দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করছেন।
রাজনীতি/আইআর

ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সই হতে পারে। তবে তার এই আশাবাদের বিপরীতে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, চুক্তির বিষয়ে তারা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
১ দিন আগে
এ ঘোষণার আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের নৌ বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ এরই মধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ ক
২ দিন আগে
ব্যবসায়িক রূপান্তর কৌশলের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওপেনডোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাজ নেজাতীয়ান। তিনি জানান, গ্রাহকদের আরও কাছাকাছি সেবা পৌঁছে দিতেই এই অপারেশনাল পদগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
২ দিন আগে
পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে এতবছর ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছিল ভারত। কিন্তু এই প্রথমবার ভূগর্ভস্থ মিসাইল সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে দেশটি। যেগুলো যে-কোনও মুহূর্তে সামরিক বাহিনীর অভিযানে ব্য
২ দিন আগে