
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়াকে আবগারি দুর্নীতির মামলায় খালাস দিয়েছেন দিল্লির একটি নিম্ন আদালত। একই সঙ্গে মামলায় আরও ২১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ভারত রাষ্ট্র সমিতির (বিআরএস) নেতা কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতা।
আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মামলায় অভিযোগের সপক্ষে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিতে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) ব্যর্থ হয়েছে। তবে সিবিআই এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ দেখানোর দায়িত্ব ছিল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। কিন্তু তারা তেমন কোনো তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। সিবিআই দাবি করেছিল, আবগারি দুর্নীতি মামলায় মূল চক্রান্তকারী ছিলেন কেজরিওয়াল। বিচারক জিতেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘তথ্যপ্রমাণ না থাকলে সরকারি সংস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে যায়।’
সিসৌদিয়ার অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত উল্লেখ করেছেন, তদন্তকারী সংস্থা কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি যা থেকে তার অপরাধমূলক আচরণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আদালত আরও উল্লেখ করেছেন, তদন্ত সংস্থার ষড়যন্ত্র তত্ত্ব স্ববিরোধিতায় ভরা।
এর আগে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন সিসৌদিয়া। তখন তিনি দিল্লি আপ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৮ মাস জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের মার্চে একই মামলায় কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। তখন তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে হেরে যায় কেজরিওয়ালের দল আপ। ভারতের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অন্য অনেক বিষয়ের সঙ্গে নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলেছিল এ আবগারি দুর্নীতির মামলা। আপ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রচার চালিয়েছিল পদ্মশিবির।
এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে দিল্লি সরকার নতুন আবগারি নীতি চালু করেছিল। মদ বিক্রির জন্য সরকারি দোকান বন্ধ করে বেসরকারি দোকান অনুমোদিত করা হয়। কেজরিওয়াল সরকার পরিকল্পনা করেছিল রাজধানীর ৩২টি অঞ্চলে ৮৪৯টি নতুন মদের দোকান খোলা হবে। নতুন আবগারি নীতিতে মদের কালোবাজারি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে দাবি করেছিলেন দিল্লির তদানীন্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আবগারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সিসৌদিয়া।
কিন্তু সেই নীতি কার্যকর করতে আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ফলে নতুন আবগারি নীতি চালুর ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয়, নতুন নীতিতে পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। এরই মধ্যে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা সরকারের নতুন নীতিতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেন।

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়াকে আবগারি দুর্নীতির মামলায় খালাস দিয়েছেন দিল্লির একটি নিম্ন আদালত। একই সঙ্গে মামলায় আরও ২১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ভারত রাষ্ট্র সমিতির (বিআরএস) নেতা কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতা।
আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মামলায় অভিযোগের সপক্ষে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিতে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) ব্যর্থ হয়েছে। তবে সিবিআই এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ দেখানোর দায়িত্ব ছিল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। কিন্তু তারা তেমন কোনো তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। সিবিআই দাবি করেছিল, আবগারি দুর্নীতি মামলায় মূল চক্রান্তকারী ছিলেন কেজরিওয়াল। বিচারক জিতেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘তথ্যপ্রমাণ না থাকলে সরকারি সংস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে যায়।’
সিসৌদিয়ার অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত উল্লেখ করেছেন, তদন্তকারী সংস্থা কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি যা থেকে তার অপরাধমূলক আচরণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আদালত আরও উল্লেখ করেছেন, তদন্ত সংস্থার ষড়যন্ত্র তত্ত্ব স্ববিরোধিতায় ভরা।
এর আগে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন সিসৌদিয়া। তখন তিনি দিল্লি আপ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৮ মাস জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের মার্চে একই মামলায় কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। তখন তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে হেরে যায় কেজরিওয়ালের দল আপ। ভারতের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অন্য অনেক বিষয়ের সঙ্গে নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলেছিল এ আবগারি দুর্নীতির মামলা। আপ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রচার চালিয়েছিল পদ্মশিবির।
এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে দিল্লি সরকার নতুন আবগারি নীতি চালু করেছিল। মদ বিক্রির জন্য সরকারি দোকান বন্ধ করে বেসরকারি দোকান অনুমোদিত করা হয়। কেজরিওয়াল সরকার পরিকল্পনা করেছিল রাজধানীর ৩২টি অঞ্চলে ৮৪৯টি নতুন মদের দোকান খোলা হবে। নতুন আবগারি নীতিতে মদের কালোবাজারি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে দাবি করেছিলেন দিল্লির তদানীন্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আবগারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সিসৌদিয়া।
কিন্তু সেই নীতি কার্যকর করতে আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ফলে নতুন আবগারি নীতি চালুর ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয়, নতুন নীতিতে পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। এরই মধ্যে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা সরকারের নতুন নীতিতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেন।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
মোদি সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন। অবশেষে শনিবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে চলমান আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আন্দোলনকারীরা এটিকে তাদের বড় বিজয় হিসেবে দেখছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে অসুস্থতা তাদের আন্দোলনের গতি কমাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার। তাদের যুক্তি— দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। একইভাবে অভিযানে অংশ নেওয়া র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলি
৮ ঘণ্টা আগে