
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নিরাপত্তাজনিত কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের রাজধানী দিল্লির একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ মেট্রোরেল স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রোরেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)।
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যস্ততম রুটে হঠাৎ গণপরিবহন স্তব্ধ হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ যাত্রী।
দিল্লির বিখ্যাত জন্তর মন্তর এলাকায় গত দুই মাস ধরে 'ককরোচ জনতা পার্টি' নামের একটি সংগঠনের আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই বিক্ষোভ আরও জোরদার রূপ নিলে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই কর্তৃপক্ষ এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়। জানা গেছে, গত বুধবার স্টেশনগুলো দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর পুনরায় চালু করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আবার স্টেশনগুলোতে যাত্রী চলাচল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় দিল্লি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় থাকা স্টেশনগুলো হলো- লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাকহাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম।
হঠাৎ মেট্রো সেবা স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে সাধারণ যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ে। বিকল্প হিসেবে বাসে ওঠার জন্য মোড়ে মোড়ে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে, আবার অনেকেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি ও ক্যাব শেয়ার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। হঠাৎ এমন গণপরিবহন সংকটে সাধারণ মানুষের দৈনিক কর্মজীবনে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের রাজধানী দিল্লির একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ মেট্রোরেল স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রোরেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)।
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যস্ততম রুটে হঠাৎ গণপরিবহন স্তব্ধ হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ যাত্রী।
দিল্লির বিখ্যাত জন্তর মন্তর এলাকায় গত দুই মাস ধরে 'ককরোচ জনতা পার্টি' নামের একটি সংগঠনের আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই বিক্ষোভ আরও জোরদার রূপ নিলে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই কর্তৃপক্ষ এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়। জানা গেছে, গত বুধবার স্টেশনগুলো দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর পুনরায় চালু করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আবার স্টেশনগুলোতে যাত্রী চলাচল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় দিল্লি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় থাকা স্টেশনগুলো হলো- লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাকহাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম।
হঠাৎ মেট্রো সেবা স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে সাধারণ যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ে। বিকল্প হিসেবে বাসে ওঠার জন্য মোড়ে মোড়ে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে, আবার অনেকেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি ও ক্যাব শেয়ার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। হঠাৎ এমন গণপরিবহন সংকটে সাধারণ মানুষের দৈনিক কর্মজীবনে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যতবার কোনো জাহাজে হামলা চালাবে, ততবারই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী সতর্ক করে বলেছে, লোহিত সাগরের সৌদি আরব উপকূলের কোনো বন্দর ব্যবহার করা জাহাজ হামলার ঝুঁকিতে থাকবে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর করার অংশ হিসেবে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় নিহত চার মার্কিন সেনাসদস্যের মরদেহ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা হবে। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে করে তাদের মরদেহ দেশে পৌঁছালে তা গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমদানি করা জেনেরিক ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৮ সালের ১ আগস্ট থেকে এটি কার্যকর হবে। এরপর এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৯ সালের আগস্ট থেকে শুল্কের হার বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ করা হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে