
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কর্মসূচি শুরুর পর সংসদ অভিমুখে এগোতে চাইলে দলটির সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (২০ জুলাই) ভারতীয় পার্লামেন্টের বর্ষা অধিবেশনের প্রথম দিন উপলক্ষ্যে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে কর্মসূচির আগের দিন রোববার সন্ধ্যায় দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দেয়, এই পদযাত্রার জন্য আয়োজকরা কোনো অনুমতি নেননি। ফলে আইন অনুযায়ী এই আন্দোলন বেআইনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগাম অনুমতি নিয়ে কেবল যন্তর মন্তর এলাকায় মিছিল বা সভা-সমাবেশ করা যাবে। এর বাইরে অন্য কোথাও এ ধরনের কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।
এরই মধ্যে সংসদ ভবন-সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারা জারি করে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি সেন্ট্রাল দিল্লিতে মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এসব কড়াকড়ির পরও সোমবার সকাল থেকে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ককরোচ পার্টির হাজার হাজার সমর্থক যন্তর মন্তরে জড়ো হন। সেখান থেকে সংসদ অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন তারা। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

যন্তর মন্তর এলাকায় ব্যাপক ব্যারিকেড স্থাপন করা হয় এবং মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য। বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে সামনে এগোতে চাইলে সংসদ ভবন থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই তাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা হিন্দিতে ‘ভাগো, ভাগো’, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ভাগো’ এবং ‘নরেন্দ্র মোদি ভাগো’ স্লোগান দিতে থাকে। এসব স্লোগানের মাধ্যমে তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগ দাবি জানায়।
ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, পুলিশের অনুমতি না পেলেও ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি থেকে সরে আসেনি সিজেপি। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই যন্তর মন্তর থেকে মিছিল শুরু করেন দলটির সমর্থকেরা। অনেকেই রেইনকোট পরে, হাতে ভারতের সংবিধান ও জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রায় অংশ নেন। তবে মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ককরোচ পার্টির তরুণ সদস্যরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই লাঠিচার্জ করা হয়।

কর্মসূচি শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছিল, ‘ভারী বৃষ্টি ও কড়া নিরাপত্তাও আজ ককরোচদের (আরশোলা) থামাতে পারবে না।’
লাঠিচার্জের পরও সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। এক বার্তায় তারা বলেছে, ‘যদি আপনাদের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে থামিয়েও দেয়, শান্ত থাকবেন ও শান্তি বজায় রাখবেন। আমরা শান্তি ও ভালোবাসা দিয়ে শুধু এটি জয় করতে পারব।’
এর আগে ভারতে নিট (NEET) পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্কের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২০ জুন থেকে যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সিজেপি।
পরে ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৭ জুন অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেন এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ, লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। টানা ২১ দিন অনশন চালানোর পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালেও তিনি অনশন অব্যাহত রেখেছেন।
সোমবারের কর্মসূচিতে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো এবং বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমিও অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে এসেছি। সংবিধান আমাদের এই অধিকার দিয়েছে।’

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কর্মসূচি শুরুর পর সংসদ অভিমুখে এগোতে চাইলে দলটির সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (২০ জুলাই) ভারতীয় পার্লামেন্টের বর্ষা অধিবেশনের প্রথম দিন উপলক্ষ্যে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে কর্মসূচির আগের দিন রোববার সন্ধ্যায় দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দেয়, এই পদযাত্রার জন্য আয়োজকরা কোনো অনুমতি নেননি। ফলে আইন অনুযায়ী এই আন্দোলন বেআইনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগাম অনুমতি নিয়ে কেবল যন্তর মন্তর এলাকায় মিছিল বা সভা-সমাবেশ করা যাবে। এর বাইরে অন্য কোথাও এ ধরনের কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।
এরই মধ্যে সংসদ ভবন-সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারা জারি করে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি সেন্ট্রাল দিল্লিতে মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এসব কড়াকড়ির পরও সোমবার সকাল থেকে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ককরোচ পার্টির হাজার হাজার সমর্থক যন্তর মন্তরে জড়ো হন। সেখান থেকে সংসদ অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন তারা। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

যন্তর মন্তর এলাকায় ব্যাপক ব্যারিকেড স্থাপন করা হয় এবং মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য। বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে সামনে এগোতে চাইলে সংসদ ভবন থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই তাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা হিন্দিতে ‘ভাগো, ভাগো’, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ভাগো’ এবং ‘নরেন্দ্র মোদি ভাগো’ স্লোগান দিতে থাকে। এসব স্লোগানের মাধ্যমে তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগ দাবি জানায়।
ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, পুলিশের অনুমতি না পেলেও ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি থেকে সরে আসেনি সিজেপি। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই যন্তর মন্তর থেকে মিছিল শুরু করেন দলটির সমর্থকেরা। অনেকেই রেইনকোট পরে, হাতে ভারতের সংবিধান ও জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রায় অংশ নেন। তবে মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ককরোচ পার্টির তরুণ সদস্যরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই লাঠিচার্জ করা হয়।

কর্মসূচি শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছিল, ‘ভারী বৃষ্টি ও কড়া নিরাপত্তাও আজ ককরোচদের (আরশোলা) থামাতে পারবে না।’
লাঠিচার্জের পরও সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। এক বার্তায় তারা বলেছে, ‘যদি আপনাদের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে থামিয়েও দেয়, শান্ত থাকবেন ও শান্তি বজায় রাখবেন। আমরা শান্তি ও ভালোবাসা দিয়ে শুধু এটি জয় করতে পারব।’
এর আগে ভারতে নিট (NEET) পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্কের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২০ জুন থেকে যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সিজেপি।
পরে ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৭ জুন অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেন এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ, লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। টানা ২১ দিন অনশন চালানোর পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালেও তিনি অনশন অব্যাহত রেখেছেন।
সোমবারের কর্মসূচিতে সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো এবং বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমিও অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে এসেছি। সংবিধান আমাদের এই অধিকার দিয়েছে।’

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে